35 - কুরবানী অধ্যায়
আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ), ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জুনদাব ইবনু সুফইয়ান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ঈদুল আযহায় উপস্থিত ছিলাম। তিনি অন্য কোন কাজ না করে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। সালাত শেষে সালাম ফিরলেন। অতঃপর তিনি কুরবানীর গোশত দেখতে পেলেন, যা তার সালাত আদায়ের আগেই যাবাহ করা হয়েছিল। তারপর তিনি বললেন, যে লোক সালাত আদায়ের আগে তার কুরবানীর পশু যাবাহ করেছে, সে যেন এর জায়গায় অন্য একটি পশু যাবাহ করে। আর যে ব্যক্তি যাবাহ করেনি সে যেন আল্লাহর নাম নিয়ে (বিসমিল্লা-হ বলে) যাবাহ করে।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯০৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... জুন্দাব ইবনু সুফইয়ান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ঈদুল আযহায় উপস্থিত ছিলাম। তিনি মানুষের সাথে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) শেষ করে একটি বকরী দেখতে পেলেন, যা সালাতের আগেই যাবাহ করা হয়েছে। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সালাতের আগে যে লোক যাবাহ করেছে, সে যেন এর জায়গায় অন্য একটি বকরী যাবাহ করে। আর যে যাবাহ করেনি সে যেন এখন আল্লাহর নাম নিয়ে যাবাহ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯০৫, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) আসওয়াদ ইবনু কায়স (রহঃ) হতে উক্ত সূত্রে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন এবং তারা আবূল আহ্ওয়াস (রহঃ) এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯০৬, ইসলামিক সেন্টার)
উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... জুন্দাব বাজালী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে উপস্থিত ছিলাম, যখন তিনি ঈদুল আযহার সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করছিলেন। অতঃপর তিনি খুতবাহ দিতে গিয়ে বলেন, যে লোক সালাত সম্পন্ন হওয়ার আগে যাবাহ করেছে সে যেন এর জায়গায় আরেকটি (পশু) যাবাহ করে। আর যে যাবাহ করেনি, সে যেন এখন আল্লাহর নামে যাবাহ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯০৭, ইসলামিক সেন্টার)
(…) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... শু'বাহ্ (রহঃ) হতে উল্লেখিত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯০৮, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... বারা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার মামা আবূ বুরদাহ (রাযিঃ) সালাতের আগে কুরবানী করলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওটা গোশতের বকরী। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার কাছে ছয় মাসের একটি বকরীর বাচ্চা রয়েছে। তিনি বললেন, সেটি যাবাহ করো। তুমি ব্যতীত অন্য কারো জন্য তা ঠিক হবে না। অতঃপর তিনি বললেন, যে লোক সালাতের আগে যাবাহ করল, সে শুধু নিজের জন্যই যাবাহ করল (অর্থাৎ আল্লাহর জন্য হলো না)। আর যে লোক সালাতের পর যাবাহ করল, তার কুরবানী পূর্ণ হয়ে গেল এবং সে মুসলিমদের শরীআত অনুযায়ী কাজ করল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯০৯, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... বারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তার মামা আবূ বুরদাহ্ ইবনু নিয়ার (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যাবাহ এর আগে যাবাহ করলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আজকের দিনে গোশত খোঁজা ভাল নয়। তাই আমি আমার পরিবার-পরিজন, পাড়া-প্রতিবেশী ও স্বীয় গৃহের লোকদেরকে খাওয়ানোর উদেশে দ্রুত কুরবানী করেছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি আবার কুরবানী করো। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার কাছে একটি দুধেল বকরী আছে, যেটি গোশতের (মাপে) দুটি বকরীর চেয়েও ভাল। তিনি বললেন, দুটির কুরবানীর মধ্যে এটিই তোমার উত্তম কুরবানী হবে। আর তুমি ব্যতীত অন্য কারো জন্য ছয় মাসের বকরী যথেষ্ট হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯১০, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ...... বারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদা) কুরবানীর দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের লক্ষ্য করে খুতবাহ দিলেন এবং বললেনঃ সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায়ের আগে কেউ যেন যাবাহ না করে। বারা (রাযিঃ) বলেন, অতঃপর আমার মামা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আজকের দিনে তো গোশত খোঁজা ভাল নয়। অতঃপর বর্ণনাকারী হুশায়ম (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের উপরোল্লিখিত বাক্য বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯১১, ইসলামিক সেন্টার)
(…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... বারা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক আমাদের মতো সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করে, আমাদের কিলামুখী হয় এবং আমাদের মতো কুরবানী করে, সে যেন সালাতের পূর্বে যাবাহ না করে। পরে আমার মামা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি তো আমার ছেলের পক্ষ থেকে কুরবানী করে ফেলেছি। তিনি বললেন, সেটা তো এমন জিনিস, যা তুমি তোমার পরিবারের জন্য জলদি করে (যাবাহ করে) ফেলেছ। তিনি বললেন, আমার কাছে (এমন) একটি বকরী আছে, যা দুটি বকরীর চেয়েও উত্তম। তিনি বললেন, তুমি সেটা কুরবানী করো। কারণ সেটাই তোমার উত্তম কুরবানী হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯১২, ইসলামিক সেন্টার)
(…) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... বারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আজকের দিনে আমাদের প্রথম কাজ হলো সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করা। তারপর আমরা ফিরে গিয়ে কুরবানী করব। যে লোক এরূপ করলো সে আমাদের সুন্নাত পালন করলো। আর যে লোক (সালাতের আগে) যাবাহ করলো, সেটা কেবল গোশত (খাওয়ার জন্য) হলো, যা সে নিজের পরিবারের জন্য অগ্রিম ব্যবস্থা করলো। সেটা কুরবানীর কিছুই হলো না। আবূ বুরদাহ ইবনু নিয়ার (রাযিঃ) পূর্বেই কুরবানীর নিয়্যাতে যাবাহ করে ফেলেছিলেন। তাই তিনি বললেন, আমার কাছে একটি ছয় মাসের বকরীর বাচ্চা আছে যা এক বছরের বাচ্চার চেয়েও হৃষ্টপুষ্ট। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি সেটিই কুরবানী করো। তোমার পরে আর কারো জন্য এটা যথেষ্ট হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯১৩, ইসলামিক সেন্টার)
উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয ..... বারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯১৪, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ, হান্নাদ ইবনু আস্ সারী, উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) ..... বারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন সালাতের পর আমাদের লক্ষ্য করে খুতবাহ দিলেন। তারপর রাবী উল্লেখিত বর্ণনাকারীদের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯১৫, ইসলামিক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু সাঈদ আদ দারিমী (রহঃ) ..... বারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরবানীর দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে খুতবাহ দিলেন। তিনি এতে বললেনঃ সালাতের আগে কেউ যেন কুরবানী না করে। এক লোক বলল, আমার কাছে একটি দুধেল বকরী রয়েছে, যেটি গোশতের (হিসেবে) দুটি বকরীর চেয়ে উত্তম। তিনি বললেন, ওটা কুরবানী করো। তোমার পর অন্য কারো জন্য এ রকম ছ'মাসের বাচ্চা (কুরবানী করা) যথেষ্ট হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯১৬, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... বারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বুরদাহ (রাযিঃ) সালাতের পূর্বে কুরবানী করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটার পরিবর্তে অন্য একটি কুরবানী করো। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার নিকট শুধু একটি ছ'মাসের বকরীর বাচ্চা আছে। শুবাহ (রহঃ) বলেন, মনে হয় তিনি বলেছেন, সেটা এক বছরের বাচ্চার চাইতেও উত্তম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সেটির স্থানে এটি কুরবানী করো। আর তোমার পর অন্য কারো জন্য এটা যথেষ্ট হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯১৭, ইসলামিক সেন্টার)
(…/…) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) শুবাহ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এটা "এক বছরের বাচ্চার চাইতেও উত্তম" এ বাক্যের বর্ণনায় সংশয়ের বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯১৮. ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হাৱব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন বললেনঃ যে ব্যক্তি সালাতের পূর্বে যাবাহ করেছে, সে যেন আবার যাবাহ করে। এক লোক দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আজকের দিনে তো গোশত খাওয়ার ইচ্ছা হয়ে থাকে। এ সময় সে তার প্রতিবেশীদের প্রয়োজনের কথাও উল্লেখ করে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেন তার কথাকে সত্য মনে করলেন। সে আরো বলল, আমার কাছে একটি ছ'মাসের বকরীর বাচ্চা রয়েছে, যেটি গোশতের (হিসেবে) অন্য দুটি বকরীর চাইতেও উত্তম, আমি কি সেটি যাবাহ করব? আনাস (রাযিঃ) বলেন, পরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে অনুমতি দিলেন। আমার জানা নেই যে, ঐ অনুমতি এ লোক ব্যতীত অন্য কারো জন্যে ছিল কি-না। আনাস (রাযিঃ) আরো বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটি দুম্বার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সে দুটি যাবাহ করলেন। আর লোকজন বকরীগুলোর দিকে (অর্থাৎ ঐ দুম্বাগুলোর দিকে) এগিয়ে গেল এবং সেগুলো বণ্টন করল। অথবা তিনি বলেছেন, তারা পরস্পর ভাগ-বাটােয়ারা করল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ আল গুবারী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন, এরপর খুতবাহ দিলেন। অতঃপর যে লোক সালাতের আগে কুরবানী করেছে তাকে আবার কুরবানী করার নির্দেশ দিলেন। এরপর বর্ণনাকারী ইবনু উলাইয়্যার হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯২০, ইসলামিক সেন্টার)
যিয়াদ ইবনু ইয়াহইয়া আল হাসসানী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন আমাদের উদ্দেশে খুতবাহ দিলেন। তারপর গোশতের গন্ধ পেয়ে (সালাতের আগে) কুরবানী করতে বারণ করলেন। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি সালাতের পূর্বে কুরবানী করেছে, সে যেন আবার কুরবানী করে। তারপর বর্ণনাকারী ইবনু উলাইয়্যাহ্ ও হাম্মদ (রহঃ) এর হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯২১, ইসলামিক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা মুসিন্নাহ্ (দুধ দাঁত পড়ে গেছে এমন পশু) ছাড়া কুরবানী করবে না। তবে এটা তোমাদের জন্য কষ্টকর মনে হলে তোমরা ছ'মাসের মেষ-শাবক কুরবানী করতে পার। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯২২, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ...... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন মাদীনায় আমাদের নিয়ে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। তারপর কিছু লোক এ মনে করে আগেই কুরবানী করে ফেললো যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্ভবত কুরবানী করেছেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যারা তার পূর্বে কুরবানী করেছে, তাদেরকে আবার আর একটি কুরবানী করার আদেশ করেন এবং তিনি নির্দেশ দেন, কেউ যেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানী করার আগে কুরবানী না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯২৩, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমৃহ (রহঃ) ..... উকবাহ ইবনু আমির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীগণের মধ্যে কুরবানীর পশু বন্টন করার জন্য তাকে কিছু বকরী দিলেন। একটি বাচ্চা (ছ'মাসের) বাকী রয়ে গেল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ ব্যাপারে জানালে তিনি বললেন, তুমি এটা কুরবানী করো। কুতাইবাহ্ (রহঃ) أَصْحَابِهِ শব্দের স্থলে صَحَابَتِهِ শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯২৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... উকবাহ ইবনু আমির আল-জুহানী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মধ্যে কুরবানীর জন্তু ভাগ করলে আমার ভাগে একটি ছ'মাসের বাচ্চা ছাগল পড়ে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি তো ছ'মাসের একটি বাচ্চা (ছাগল) পেয়েছি। তিনি বললেন তা-ই তুমি কুরবানী করো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯২৫, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান আদ দারিমী (রহঃ) ..... উকবাহ ‘আমির জুহানী (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীগণের মধ্যে কুরবানীর জন্তু ভাগ করলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী উল্লেখিত অনুবাদের হুবহু রিওয়ায়াত করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯২৬, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু' শিং বিশিষ্ট সাদা-কালো ধূসর রংয়ের দুটি দুম্বা স্বহস্তে যাবাহ করেন। (যাবাহ করার সময়) তিনি বিসমিল্লাহ-হ' ও 'আল্লা-হু আকবার’* বলেন এবং (যবাহকালে) তার একখানা পা দুম্বা দুটির ঘাড়ের পাশে রাখেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯২৭, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু' শিংযুক্ত সাদা-কালো বর্ণের দুটি দুম্বা কুরবানী করেন। তিনি আরও বলেন, আমি-তাকে দুম্বা দুটি স্বহস্তে যাবাহ করতে দেখেছি। আরও দেখেছি, তিনি ও দু'টির ঘাড়ের পাশে নিজ পা দিয়ে চেপে রাখেন এবং বিসমিল্লাহ’ ও ‘আল্লাহু আকবার’ বলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯২৮, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানী করেন। রাবী পরবর্তী অংশ উল্লেখিত হাদীসের মতই রিওয়ায়াত করেন। শুবাহ্ (রহঃ) বলেন, আমি কাতাদাহকে বললাম, আপনি কি আনাস (রাযিঃ) থেকে হাদীসটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ (শুনেছি)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯২৯, ইসলামিক সেন্টার)
(…) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হুবহু রিওয়ায়াত করেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, আমি তাকে بِاسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ বলতেও শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩০, ইসলামিক সেন্টার)
হারূন ইবনু মা’রূফ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানী করার জন্য শিংওয়ালা দুম্বাটি আনতে নির্দেশ দেন-যেটি কালোর মধ্যে চলাফেরা করতো (অর্থাৎ- পায়ের গোড়া কালো ছিল), কালোর মধ্যে শুইতো (অর্থাৎ- পেটের নিচের অংশ কালো ছিল) এবং কালোর মধ্য দিয়ে দেখতে (অর্থাৎ- চোখের চারদিকে কালো ছিল)। সেটি আনা হলে তিনি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বললেন, ছোরাটি নিয়ে এসো। অতঃপর বলেন, ওটা পাথরে ধার দাও। তিনি তা ধার দিলেন। পরে তিনি সেটি নিলেন এবং দুম্বাটি ধরে শোয়ালেন। তারপর সেটা জবাহ করলেন এবং বললেন, بِاسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ تَقَبَّلْ مِنْ مُحَمَّدٍ وَآلِ مُحَمَّدٍ وَمِنْ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ "আল্লাহর নামে। হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার ও তাঁর উম্মাতের পক্ষ হতে এটা কুবুল করে নাও।" তারপর এটা কুরবানী করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩১, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না আনায়ী (রহঃ) ..... রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আগামীকাল শক্রর সঙ্গে মুকাবিলা করবো। অথচ আমাদের সঙ্গে কোন ছুরি নেই। তিনি বললেন, তাড়াতাড়ি কিংবা ভালভাবে দেখে নিখুঁতভাবে যাবাহ করবে। যা রক্ত প্রবাহিত করে, যার উপর আল্লাহর নাম নেয়া হয় (তা দিয়ে যাবাহকৃত জন্তু) খাও। তবে তা যেন দাঁত ও নখ না হয়। আমি তোমাদের কাছে এর কারণ বর্ণনা করছি। কেননা দাঁত হলো হাড় বিশেষ, আর নখ হলো হাবশীদের ছুরি। রাবী বলেন, আমরা গনীমাতের কিছু উট ও বকরী পেলাম। সেখান থেকে একটি উট ছুটে গেলে এক লোক তীর মেরে সেটাকে আটকিয়ে ফেললো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এসব উটের মধ্যেও বন্য প্রাণীর মতো আচরণ রয়েছে। অতএব এগুলোর মাঝে কোন একটি যদি নিয়ন্ত্রণ হারা হয়ে যায় তবে তার সঙ্গে এরূপ ব্যবহারই করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ৪৯৩২, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা তিহামার অন্তর্গত যুল-হুলাইফাহ্ নামক জায়গায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। সেখানে আমরা বকরী ও উট পেলাম। লোকজন তাড়াতাড়ি করে ডেগের মধ্যে এগুলোর গোশত জ্বাল দিতে লাগলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিলে ডেগগুলোর পার্শ্বদেশ উল্টিয়ে দেয়া হলো। তারপর একটি উট দশটি ছাগলের সমান গণ্য করা হলো। রাবী হাদীসের অবশিষ্টাংশ ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আগামীকাল শক্রর সঙ্গে মুকাবিলা করবো। অথচ আমাদের সঙ্গে কোন ছুরি নেই। (ধারালো) বাশের খোলস দ্বারা কি যাবাহ করবো? রাবী ইসমাঈল পুরো ঘটনাসহ হাদীসটি বর্ণনা করেন। তিনি [রাফি (রাযিঃ)] আরও বলেন, উক্ত উটগুলোর মধ্য হতে একটি উট ছুটে গেলে আমরা তীর ছুড়ে সেটাকে পাকড়াও করলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
আল-কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) ..... সা'ঈদ ইবনু মাসরুক (রহঃ) হতে উপরোক্ত সানাদে হাদীসটি শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গরূপে বর্ণিত হয়েছে। হাদীসে তিনি আমাদের সঙ্গে ছুরি নেই, আমরা কি বাঁশ দ্বারা যাবাহ করবো’ রাফি' এর এ উক্তিটি উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু ওয়ালীদ ইবনু আবদুল হামীদ (রহঃ) ..... রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আগামীকাল দুশমনদের সঙ্গে মুকাবিলা করবো, অথচ আমাদের কাছে কোন ছুরি নেই। শু'বাহ শেষ পর্যন্ত হাদীসটি উল্লেখ করেন। তবে তিনি এ কথাটি উল্লেখ করেননি, “কিছু লোক তাড়াতাড়ি করে, পরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদেশে সেগুলো (ডেগ বা পাতিলগুলো) উল্টিয়ে দেয়া হয়।” তবে (এ অংশটি ব্যতীত) তিনি পুরো ঘটনাই বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল জাববার ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আবূ উবায়দ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) এর সাথে ঈদগাহে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুতবার আগে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন এবং বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে তিনদিনের পর কুরবানীর গোশত খেতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৬, ইসলামিক সেন্টার)
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ উবায়দ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি 'উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) এর সাথে ঈদগাহে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, (পরবর্তী সময়) আমি আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) এর সাথে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করেছি। তিনি খুতবার আগে আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। তারপর লোকজনের উদ্দেশে খুতবাহ দেন। (খুতবায়) তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনদিনের পর কুরবানীর গোশত আহার করতে তোমাদের বারণ করেছেন। অতএব তোমরা তা খেয়ো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব, হাসান হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ, যুহরী (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে রিওয়ায়াত করেন যে, তিনি বলেছেনঃ কেউ যেন কুরবানীর গোশত তিনদিনের পরে না খায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৯, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে লায়স (রহঃ) এর হাদীসের হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪০, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমার ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন দিনের উপরে কুরবানীর গোশত আহার করতে বারণ করেছেন। সালিম (রহঃ) বলেন, এজন্য ইবনু উমার (রাযিঃ) তিনদিনের উপর কুরবানীর গোশত খেতেন না। ইবনু আবূ উমার 'তিনদিনের পর' কথাটি বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪১, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হানযালী (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াকিদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিন দিনের উপরে কুরবানীর গোশত খেতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর (রহঃ) বলেন, আমি বিষয়টি আমরাহ (রাযিঃ) এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ইবনু ওয়াকিদ সত্যই বলেছেন। আমি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় ঈদুল আযহার সময় বেদুঈনদের কিছু পরিবার শহরে আগমন করে, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তিনদিনের পরিমাণ জমা রেখে বাকী গোশতগুলো সাদাকাহ করে দাও। পরবর্তী সময়ে লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! মানুষেরা তো কুরবানীর পশুর চামড়া দিয়ে পাত্র প্রস্তুত করছে এবং তার মাঝে চর্বি গলাচ্ছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাতে কি হয়েছে? তারা বলল, আপনিই তো তিনদিনের বেশি কুরবানীর গোশত খাওয়া হতে বারণ করেছেন। তিনি বললেনঃ আমি তো বেদুঈনদের আগমনের কারণে এ কথা বলেছিলাম। অতঃপর এখন তোমরা খেতে পার, জমা করে রাখতে পার এবং সাদাকাহ করতে পার। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪২, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি তিনদিনের পরেও কুরবানীর গোশত খেতে বারণ করেছেন। তারপর পরবর্তীকালে তিনি বলেছেন, এখন তোমরা খেতে পার, পাথেয় হিসেবে ব্যবহার করতে পার এবং সঞ্চয় করে রাখতে পার। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ...... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মিনায় তিনদিনের বেশি কুরবানীর গোশত খেতাম না। পরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমতি দিয়ে বললেনঃ তোমরা খেতে পার এবং অতিরিক্ত হিসেবে রাখতেও পার। (ইবনু জুরায়জ বললেন) আমি 'আতাকে বললাম, জাবির (রাযিঃ) কি 'মাদীনায় আগমন করা পর্যন্ত' কথাটি বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ….. জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা তিনদিনের বেশি কুরবানীর গোশত জমা করে রাখতাম না। পরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনদিনের পরেও এ থেকে খাওয়ার এবং পাথেয় হিসেবে ব্যবহার করার জন্য আমাদের অনুমতি দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাহ্ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময় মাদীনায় পৌছা পর্যন্ত কুরবানীর গোশত পাথেয় হিসেবে নিয়ে আসতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে, অন্য সানাদে আবদুল আ'লা (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে মাদীনার লোকেরা! তোমরা যেন তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত না খাও। ইবনুল মুসান্না (রহঃ) (তিনদিন) শব্দ উল্লেখ করেছেন। তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে অভিযোগ (আপত্তি) করলো যে, তাদের পরিবার-পরিজন, কাজের লোক ও সেবক রয়েছে। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে তোমরা নিজেরা খাও, অন্যকে খাওয়াও এবং জমা করে রাখো। ইবনুল মুসান্না (রহঃ) বলেন, আবদুল আলী (রহঃ) সন্দেহ করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামوَاحْبِسُوا শব্দ বলেছেন, নাادَّخِرُوا শব্দ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... সালামাহ্ ইবনু আকওয়া (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে যে ব্যক্তি কুরবানী করবে, সে যেন ঈদের তৃতীয় রাতের পর তার বাড়িতে কুরবানীর পশুর কোন কিছু সঞ্চিত না রাখে। আগামী বছর যখন আগত হলো, তখন লোকজনেরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি গত বছরের মতো করবো? তিনি বললেন, না। সে বছর তো মানুষ খুব দুর্দশায় ছিল, তাই আমি চেয়েছিলাম যাতে সকলের কাছে কুরবানীর (গোশত) পৌছে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... সাওবান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কুরবানীর জন্তু যাবাহ করলেন। তারপর বললেন, হে সাওবান! এর গোশত উত্তমভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করো। তারপর থেকে তিনি মাদীনায় আগমন করা পর্যন্ত আমি তাকে উক্ত গোশত হতে খাওয়াতে থাকি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
(…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু রাফি, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হান্যালী (রহঃ) ..... মু’আবিয়াহ্ ইবনু সালিহ্ (রহঃ) হতে উল্লেখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৫০, ইসলামিক সেন্টার)
অনুবাদ উপলব্ধ নেই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... বুরাইদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কবর যিয়ারাত হতে তোমাদের বারণ করেছিলাম, এখন তোমরা যিয়ারাত করতে পার। আর আমি তোমাদের তিনদিনের বেশি কুরবানীর গোশত খেতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা নিজেদের প্রয়োজন অনুপাতে জমা করে রাখতে পার। আমি আরো তোমাদের নিষেধ করেছিলাম চর্ম দ্বারা নির্মিত পাত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল পাত্রে তৈরি নবীয (খেজুর ভেজানো পানি) পান করতে, এখন তোমরা যে কোন পাত্র থেকেই পান করতে পারো। তবে যা কিছু নেশা সৃষ্টি করে তা পান করো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৫২, ইসলামিক সেন্টার)
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... বুরাইদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদের বারণ করেছিলাম .....। তারপর রাবী আবূ সিনানের হাদীসের অবিকল অর্থ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অন্য সানাদে মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফারা’ ও ‘আতীরাহ (রজব মাসের প্রথম দশদিনের যাবাহকৃত পশু) বলতে (ইসলামে) কিছু নেই। ইবনু রফি' (রহঃ) তার রিওয়ায়াতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন- ফারা হলো (পশুর) প্রথম বাচ্চা, যা তারা যাবাহ করতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমার আল-মাক্কী (রহঃ) ..... উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন (যিলহাজ্জ মাসের) প্রথম দশদিন উপস্থিত হয়, আর তোমাদের কেউ কুরবানী করার ইচ্ছা করে, তবে সে যেন তার চুল ও নখের কিছুই স্পর্শ না করে (কর্তন না করে)। সুফইয়ান (রহঃ) কে বলা হলো, অনেকে তো হাদীসটিকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উল্লেখ করেন না। তিনি বললেন, আমি কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেই উল্লেখ করি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হাকাম হাশিমী (রহঃ) ..... উমার কিংবা আমর ইবনু মুসলিম (রহঃ) হতে এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয আমবারী (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোকের কাছে কুরবানীর পশু আছে সে যেন যিলহজ্জের নতুন চাঁদ দেখার পর ঈদের দিন থেকে কুরবানী করা পর্যন্ত তার চুল ও নখ না কাটে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৫৯ ইসলামিক সেন্টার)
অনুবাদ উপলব্ধ নেই
অনুবাদ উপলব্ধ নেই
(…) হাসান ইবনু আলী আল-হুলওয়ানী (রহঃ) ..... আমর ইবনু মুসলিম ইবনু আম্মার আল-লাইসী (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমরা গোসলখানায় ছিলাম কুরবানীর ঈদের কিছুদিন আগে। কতিপয় লোক চুন দিয়ে নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করল। গোসলখানায় উপস্থিত লোকদের একজন বললেন, সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব (রহঃ) এটা অপছন্দ করেন। পরে আমি সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব (রহঃ) এর সাথে দেখা করে বিষয়টি তাকে জানলাম। তিনি বললেন, হে ভাতিজা! এ হাদীসটি তো মানুষ ভুলে গেছে এবং ছেড়ে দিয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) আমার কাছে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ........ রাবী মুহাম্মাদ ইবনু আমর (রহঃ) হতে মু’আয (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের মতই অর্থবোধক শব্দাবলী উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৬০, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া ও আহমাদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আখী ইবনু ওয়াহব (রহঃ) ..... রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ..... অন্যান্যদের বর্ণিত হাদীসের সমার্থক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৬১, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব ও সুরায়জ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... আবূ তুফায়ল আমির ইবনু ওয়াসিলাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। এক লোক তার নিকট এসে বলল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে আড়ালে কি বলেছিলেন? রাবী বলেন, তিনি রেগে গেলেন এবং বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের কাছ থেকে গোপন রেখে আমার নিকট একান্তে কিছু বলেননি। তবে তিনি আমাকে চারটি (বিশেষ শিক্ষণীয়) কথা বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর লোকটি বলল- হে আমীরুল মুমিনীন! সে চারটি কথা কি? তিনি বললেনঃ ১. যে লোক তার পিতা-মাতাকে অভিসম্পাত করে, আল্লাহ তাকে অভিসম্পাত করেন, ২. যে লোক আল্লাহ ব্যতীত ভিন্ন কারো নামে যাবাহ করে আল্লাহ তার উপরও অভিসম্পাত করেন, ৩. ঐ ব্যক্তির উপরও আল্লাহ অভিসম্পাত করেন, যে কোন বিদ'আতী লোককে আশ্রয় দেয় এবং ৪. যে ব্যক্তি জমিনের (সীমানার) চিহ্নসমূহ অন্যায়ভাবে পরিবর্তন করে, তার উপরও আল্লাহ অভিসম্পাত করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৬২, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবূ তুফায়ল (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আলী (রাযিঃ) কে বললাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে গোপনে যা জানিয়েছেন, সে বিষয়ে আমাদের কিছু বলুন। তিনি বললেন, মানুষের নিকট গোপন রেখেছেন এমন কিছুই তিনি আমার নিকট একান্তে বলেননি। তবে আমি তাকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে যাবাহ করে আল্লাহ তাকে লা'নাত করেন; যে লোক কোন বিদ'আতীকে ঠাই দেয়, আল্লাহ তাকে লা'নাত করেন; যে লোক আপন পিতা-মাতাকে লানাত করে আল্লাহ তাকে লা'নাত করেন এবং যে ব্যক্তি (জমিনের) চিহ্নসমূহ পরিবর্তন করে, আল্লাহ তাকে লা'নাত করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ তুফায়ল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আলী (রাযিঃ)-কে প্রশ্ন করা হলো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি আপনাদের নিকট বিশেষভাবে কিছু বলে গেছেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বসাধারণের কাছে প্রকাশ করেননি এমন কোন ব্যাপারে আমাদেরকে বিশেষভাবে কিছু বলে যাননি, তবে একমাত্র আমার তলোয়ারের এ খাপটিতে যা আছে তা ব্যতীত। রাবী বলেন, তারপর তিনি তার তরবারির খাপ থেকে একটি সহীফাহ্ (লিখিত কাগজ) বের করলেন, যাতে লেখা ছিল ‘আল্লাহ অভিসম্পাত করেন সে ব্যক্তিকে, যে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে যাবাহ করে, আল্লাহ অভিসম্পাত করেন সে লোককে, যে জমিনের সীমানা চিহ্নসমূহ চুরি করে, আল্লাহ অভিসম্পাত করেন সে ব্যক্তিকে, যে তার পিতাকে অভিসম্পাত করে। আল্লাহ অভিসম্পাত করেন সে ব্যক্তিকে, যে কোন বিদ'আতীকে আশ্রয় দেয়।’ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫ম খণ্ড-৪৯৬৪, ইসলামিক সেন্টার)