অল ইসলাম লাইব্রেরি

23 - উত্তরাধিকার অধ্যায়

1

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তি কাফিরের ওয়ারিস হবে না এবং কাফিরও কোন মুসলিমের ওয়ারিস হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৯৫, ইসলামিক সেন্টার)

2

আবদুল আ'লা ইবনু হাম্মাদ নারসী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অংশীদারদের নির্ধারিত প্রাপ্য অংশ দিয়ে দাও। অতঃপর যা অবশিষ্ট থাকে তা (আসাবা হিসেবে) নিকটতম পুরুষ লোকের প্রাপ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৯৬, ইসলামিক সেন্টার)

3

উমাইয়াহ্ ইবনু বিসতাম আল-আইশী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অংশীদারদের নির্ধারিত অংশ প্রদান কর। তারপর যে অংশ অবশিষ্ট থাকবে তা নিকটতম পুরুষের প্রাপ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৯৭, ইসলামিক সেন্টার)

4

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সম্পদ অংশীদারদের মধ্যে আল্লাহর কিতাবের ফায়সালা অনুযায়ী বন্টন কর। তারপর যে অংশ অবশিষ্ট থাকে তা নিকটতম পুরুষের প্রাপ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৯৮, ইসলামিক সেন্টার)

5

মুহাম্মাদ ইবনুল 'আলা আবূ কুরায়ব হামদানী (রহঃ) ..... ইবনু তাউস (রহঃ) এর সূত্রে উপযুক্ত হাদীস, ওয়াহায়ব ও রাওহ্ ইবনু কাসিমের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৯৯, ইসলামিক সেন্টার)

6

আমর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু বুকায়র নাকিদ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একবার অসুস্থ হয়ে পড়ি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর (রাযিঃ) পায়ে হেঁটে আমাকে দেখতে আসেন। আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযু করেন এবং ওযু র অবশিষ্ট পানি আমার উপর ছিটিয়ে দেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেলাম, আর বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার সম্পদ কিরূপে বন্টন করবো? তিনি আমাকে কোন উত্তর দেননি, মীরাস সংক্রান্ত আয়াত (অর্থাৎ "লোকে আপনার নিকট ব্যবস্থা জানতে চায়, বলুন, পিতামাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি সম্বন্ধে তোমাদেরকে আল্লাহ জানাচ্ছেন....."— (সূরা আন নিসা ৪ঃ ১৭৬) নাযিল হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০০, ইসলামিক সেন্টার)

7

মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইবনু মাইমুন (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর (রাযিঃ) পায়ে হেঁটে বানু সালামায় আমাকে দেখতে আসেন। তারা আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় পান। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানি আনতে বলেন। এরপর তিনি ওযু করেন, তারপর তা থেকে কিছু পানি আমার উপর ছিটিয়ে দেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেলাম, আর বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার সম্পদ কিভাবে বণ্টন করবো? তখন এ আয়াত নাযিল হয়- “আল্লাহ তোমাদের সন্তানাদি সম্বন্ধে নির্দেশ দিচ্ছেন; এক পুত্রের অংশ দু' কন্যার অংশের সমান....."- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ১১)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০১, ইসলামিক সেন্টার)

8

উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার কাওয়ারীরী (রহঃ) ...... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখতে আসেন। আমি রোগাক্রান্ত ছিলাম। তার সঙ্গে ছিলেন আবূ বাকর (রাযিঃ)। তারা উভয়েই পায়ে হেঁটে আসেন। তিনি এসে আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পান। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযু করেন এবং অবশিষ্ট পানির কিছু আমার উপর ছিটিয়ে দেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখতে পেলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার সম্পদ কিভাবে বণ্টন করবো? আমাকে তিনি কোন উত্তর দিলেন না, যতক্ষণ না মীরাসের আয়াত নাযিল হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০২, ইসলামিক সেন্টার)

9

মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে আগমন করেন। আমি তখন রোগে জ্ঞানহারা হয়ে পড়ি। তারপর তিনি ওযু করেন। তার ওযুর পানির কিছু অংশ লোকেরা আমার উপর ছিটিয়ে দেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! কালালাহ অবস্থায় আমার মীরাস বন্টন হবে। অতঃপর মীরাসের আয়াত অবতীর্ণ হয়। আমি মুহাম্মদ ইবনু মুনকাদিরকে বললাম (يَسْتَفْتُونَكَ قُلِ اللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلاَلَةِ) ‏ তিনি বললেন, এমনটিই অবতীর্ণ হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০৩, ইসলামিক সেন্টার)

10

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) নাযর ইবনু শুমায়ল ও আবূ আমির আকাদী (রহঃ) এবং মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ওয়াহব ইবনু জারীর (রহঃ) হতে এবং তারা সকলেই শু'বাহ (রহঃ) হতে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেন। ওয়াহব ইবনু জারীর এর হাদীস আছে ফারায়িয’-এর আয়াত নাযিল হলো। আর নাযর ও আকীদার বর্ণনায় আছে ফারয-এর আয়াত নাযিল হলো। কিন্তু তাদের কারও বর্ণনায় এ কথা নেই যে, শুবাহ ইবনু মুনকাদির বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০৪, ইসলামিক সেন্টার)

11

মুহাম্মাদ ইবনু বাকর মুকাদ্দামী ও মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ..... মা'দান ইবনু তালহাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। উমার বিন খাত্তাব (রাযিঃ) এক জুমু'আর দিনে খুতবাহ প্রদান করেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর (রাযিঃ) এর কথা বললেন। তারপর তিনি বললেন, আমি আমার পরে এমন কোন বিষয় রেখে যাব না, যা আমার নিকট কালালার চেয়ে বেশী জটিল। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বারবার কোন বিষয় নিয়ে জিজ্ঞেস করিনি, যেমনটি বারবার জিজ্ঞেস করেছি কালালাহ সম্পর্কে। আর তিনিও অন্য কোন বিষয়ে এমন কঠোরতা আমাকে দেখাননি যেরূপ কঠোরতা দেখিয়েছেন এ বিষয়ে। এমনকি তিনি তার আঙ্গুল আমার বুকের উপর চেপে ধরে বলেছেন, হে উমার! গ্রীষ্মকালে অবতীর্ণ সূরা নিসার শেষের আয়াত কি তোমার জন্যে যথেষ্ট নয়? আর আমি যদি জীবিত থাকি তবে এ ব্যাপারে এমন ফায়সালা করবো যা দেখে কুরআন পাঠকারী আর যে কুরআন পড়ে না উভয়েই ফায়সালা করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০৫, ইসলামিক সেন্টার)

12

আবূ বকর ইবনু শাইবাহ, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু রাফি (রহঃ) ...... কাতাদার সূত্রে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০৬, ইসলামিক সেন্টার)

13

আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) .... বারা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরআনের সর্বশেষ যে আয়াত নাযিল হয় তা হলো يَسْتَفْتُونَكَ قُلِ اللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلاَلَةِ‏ তারা আপনার কাছে জানতে চায়, আপনি বলুন, আল্লাহ তা'আলা কালালার ব্যাপারে সমাধান দিচ্ছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০৭, ইসলামিক সেন্টার)

14

মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... আবূ ইসহাক (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বারা ইবনু আযিব (রামিঃ) কে বলতে শুনেছি যে, সর্বশেষ নাযিলকৃত আয়াত কালালা’র আয়াত এবং সর্বশেষ নাযিলকৃত সূরা বারাআত (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০৮, ইসলামিক সেন্টার)

15

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... বারা (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, সর্বশেষ অবতীর্ণ পূর্ণাঙ্গ সূরা, সূরা তওবা আর সর্বশেষ অবতীর্ণ আয়াত 'কালালাহ্' আয়াত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০০৯, ইসলামিক সেন্টার)

16

আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... বারা (রাযিঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে অতিরিক্ত এ কথাটি বলেন যে, 'সর্বশেষ অবতীর্ণ পূর্ণাঙ্গ সূরা'। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০১০, ইসলামিক সেন্টার)

17

আমর আন নাকিদ (রহঃ) ...... বারা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সর্বশেষ অবতীর্ণ আয়াত آيَةٍ يَسْتَفْتُونَكَ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০১১, ইসলামিক সেন্টার)

18

যুহায়র ইবনু হারব ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট যদি এমনও মৃত দেহ (জানাযার জন্যে) আসতো যার উপর ঋণ থাকতো, তবে তিনি জিজ্ঞেস করতেন, সে কি তার ঋণ পরিশোধের জন্যে ঐ পরিমাণ সম্পদ রেখে গেছে, যা দ্বারা ঋণ পরিশোধ হতে পারে? যদি জানান হতো যে, সে ঋণ পূর্ণ করার পরিমাণ সম্পদ রেখে গেছে, তবে তিনি তার জানাযাহ পড়তেন। অন্যথায় বলতেন, তোমরা তোমাদের সাথীর জানাযাহ পড়ো। যখন আল্লাহ তার জন্য সম্পদের সমৃদ্ধির পথ খুলে দেন, তখন তিনি বলেন যে, আমি মুমিনদের জন্যে তাদের নিজেদের অপেক্ষাও বেশি নিকটবর্তী। সুতরাং যে ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত অবস্থায় মারা যাবে, তার সে ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব আমার উপর। আর যে লোক সম্পদ রেখে যাবে, তা তার উত্তরাধিকারীদের প্রাপ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০১২, ইসলামিক সেন্টার)

19

আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনু লায়স, যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ...... যুহরী (রহঃ) এর সূত্রে উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০১৩, ইসলামিক সেন্টার)

20

মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ঐ সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! পৃথিবীর উপর এমন কোন মু'মিন নেই, যার সবচেয়ে নিকটতম (অধিকতর আপন) লোক আমি নই। সুতরাং যে লোক ঋণ অথবা সন্তান রেখে যাবে, আমি হবো তার অভিভাবক। আর তোমাদের কেউ যদি সম্পদ রেখে যায় তবে সে মাল পাবে তার নিকটজনেরা; সে যেই হোক না কেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০১৪, ইসলামিক সেন্টার)

21

মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ...... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এগুলো আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি কতগুলো হাদীস বর্ণনা করেন। তার মধ্যে একটি এই যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর কিতাব মুতাবিক অন্য সব লোক অপেক্ষা আমি মু'মিনদের সবচেয়ে নিকটবর্তী। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ঋণ অথবা নিঃসম্বল পরিজন রেখে যায়, তখন আমাকে ডাকিও, আমি তার অভিভাবক। আর তোমাদের মধ্যে যে সম্পদ রেখে যায়, তার সম্পদের অধিকারী হবে তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয় যেই থাকুক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০১৫, ইসলামিক সেন্টার)

22

উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয আম্বারী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সম্পদ ছেড়ে যায়, তা তার উত্তরাধিকারীদের প্রাপ্য। আর যে নিঃসম্বল পরিজন রেখে যায়, তার দায়িত্ব আমাদের। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০১৬, ইসলামিক সেন্টার)

23

আবূ বাকর ইবনু নাফি (রহঃ) গুনদার থেকে এবং যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) আবদুর রহমান ইবনু মাহদী (রহঃ) হতে উভয়ে শুবাহ (রহঃ) হতে উপরক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। অবশ্য গুনদার বর্ণিত হাদীসে আছে, আর যে ব্যক্তি নিঃসম্বল পরিজন রেখে যায়, আমি তাদের অভিভাবক হবো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০১৭, ইসলামিক সেন্টার)