21 - ব্যবসায় অধ্যায়
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুলামাসাহ ও মুনাবাযাহ শ্রেণীর ক্রয়-বিক্রয় বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ কুরায়ব ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৬০, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু নুমায়র ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৬১, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৬২, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুলামাসাহ ও মুনাবাযাহ এ দু'প্রকার কেনা-বেচা নিষেধ করেছেন। ‘মুলামাসাহ' অর্থ চিন্তা-ভাবনা না করেই ক্রেতা ও বিক্রেতা পরস্পরের কাপড় স্পর্শ করা। আর মুনাবাযাহ অর্থ (ক্রেতা ও বিক্রেতা) উভয়ে একে অন্যের প্রতি কাপড় ছুড়ে দেয়া এবং একজন আরেকজনের কাপড়ের দিকে খেয়াল না করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দু'প্রকার কেনা-বেচা করতে ও দু'প্রকার বস্ত্র পরিধান করতে বারণ করেছেন। ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে তিনি 'মুলামাসাহ' ও 'মুনাবাযাহ' বারণ করেছেন। 'মুলামাসাহ' হল (ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে) রাতে হোক কিংবা দিনে হোক একজন অপরজনের কাপড় হাতে স্পর্শ করবে। এরূপ করা ছাড়া (মাল) উন্টিয়ে-পাল্টিয়ে দেখা হয় না। আর মুনাবাযাহ হল, পরস্পরের প্রতি কাপড় ছুড়ে মারবে এবং এরূপ করলেই উত্তমরূপে দেখে শুনে সম্মতি ছাড়াই উভয়ের মধ্যে ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন হয়ে যেত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে একই সূত্রে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ পাথরের টুকরা নিক্ষেপের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় ও ধোকাপূর্ণ ক্রয়-বিক্রয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৬৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মদ ইবনু রুমূহ ও কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেতে বর্ণিত যে, তিনি "হাবালুল হাবালা" শর্তে কেনা-বেচা নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ জাহিলী যুগের লোকেরা হাবালুল হাবালাহ্ শর্তে উটের গোশত কেনা-বেচা করত। "হাবালুল হাবালাহ" হল উটনীর বাচ্চা হবে, তারপর ঐ বাচ্চা গর্ভধারণ করলে মূল্য পরিশোধ করা হবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ধরনের ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৬৮, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে একে অপরের দামের উপর দাম বাড়িয়ে যেন কোন বস্তু ক্রয় না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৬৯, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কোন লোক যেন তার ভাইয়ের ক্রয় করার সময় তার উপর বেশী মূল্য বলে ক্রয় না করে এবং কেউ যেন তার অপর ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপরে তার অনুমতি ছাড়া প্রস্তাব না পাঠায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৭০, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “কোন মুসলিম যেন অন্য মুসলিমের মূল্যের উপর মূল্য না বলে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৭১, ইসলামিক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু ইবরাহীম দাওরাকী, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, কোন ভাইয়ের দরদাম করার সময় কেউ যেন ঐ জিনিসের দরদাম না করে। দাওরাকীর রিওয়ায়াতে عَلَى سَوْمِ أَخِيهِ এর স্থলে عَلَى سِيمَةِ أَخِيهِ বলা হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৭২, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেনার উদ্দেশে কাফিলার সাথে আগেই গিয়ে সাক্ষাৎ করা যাবে না। তোমাদের কেউ যেন অপরের দাম বলার উপর দাম না বলে। কেনার উদ্দেশে ছাড়া মালের দাম বলে বৃদ্ধি করো না। শহরবাসী যেন পল্লীবাসী লোকের থেকে এগিয়ে গিয়ে দ্রব্য নিয়ে বিক্রি না করে। আর উট ও বকরীর ওলানে দুধ জমা করে রেখ না। এ অবস্থায় কেউ তা খরিদ করলে তার জন্য দু'পথের এক পথ অবলম্বনের অনুমতি রয়েছে- হয় সে তা রেখে দিবে, না হয় সে তা ফেরত দিবে এক সা' খেজুরসহ।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয আম্বারী (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন- পণ্য দ্রব্য নিয়ে আগমনকারীদের দিকে সামনে অগ্রসর হয়ে খরিদ করার উদ্দেশে সাক্ষাৎ করতে, শহুরে লোকদেরকে এগিয়ে গিয়ে গ্রাম্য লোকের থেকে পণ্য ক্রয় করতে, কোন সতীনকে তার অপর সতীনকে তালাক দিতে (স্বামীর কাছে) বলতে, মূল্য বৃদ্ধি করার উদ্দেশে দাম বলতে, বিক্রয়ের পূর্বে দোহন না করে ওলানে দুধ জমা করে রাখতে এবং অপর ভাইয়ের দরদামের উপর দরদাম করতে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু নাফি, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও আবদুল ওয়ারিস ইবনু আবদুস সামাদ শু'বাহ্ (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণমা করেন। তবে গুনদার ও ওয়াহব এর হাদীসে আছে, “নিষেধ করা হয়েছে।” আর আবদুস সামাদের হাদীসে আছে- রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন, যেমনটি আছে শু'বাহ থেকে মুআয বর্ণিত হাদীসে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। ক্রয় করার ইচ্ছা ছাড়া মূল্য বাড়ানোর উদ্দেশে মূল্য বলতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনুল মুসান্না ও ইবনু নুমায়র (রাযিঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, দ্রব্য বাজারে পৌছার আগেই এগিয়ে গিয়ে খরিদের জন্যে যেতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। এ হলো ইবনু নুমায়রের বর্ণনা। আর অপর দু’জন বলেছেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে এগিয়ে গিয়ে পণ্য বহনকারী কাফিলার সাথে সাক্ষাৎ করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে ইবনু নুমায়রের বর্ণনার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি পণ্যদ্রব্য আসার পথে সম্মুখে অগ্রসর হয়ে ক্রয় করতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, পণ্য বহনকারীদের সাথে অগ্রগামী হয়ে সাক্ষাৎ করতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৮০, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা এগিয়ে গিয়ে পণ্যবাহী কাফিলার সাথে মিলিত হয়ে না। যদি কেউ এরূপ করে এবং তার থেকে কোন বস্তু ক্রয় করে নেয় তবে বিক্রেতা বাজারে পৌছার পর বিক্রয় বহাল রাখা বা বাতিল করার ব্যাপারে ইখতিয়ার পাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৮১, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন শহরবাসী পল্লীবাসীর পক্ষ হয়ে বিক্রি করবে না। আর যুহায়র বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন শহরবাসীকে পল্লীবাসীর পক্ষে দালালী করে বিক্রি করতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৮২, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এগিয়ে গিয়ে পণ্যবহনকারী কাফিলার সাথে মিলিত হতে এবং শহরবাসীকে পল্লীবাসীর পক্ষ হয়ে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী (তাউস) বলেনঃ আমি ইবনু আব্বাসকে জিজ্ঞেস করলাম, শহরবাসী পল্লীবাসীর পক্ষ হয়ে বিক্রি করার মানে কী? তিনি বললেনঃ সে তার দালালী করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী ও আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শহরের লোক গ্রামের লোকের পক্ষ হয়ে বিক্রয় করতে পারবে না। লোকেদের একজনের দ্বারা অপরজনের রিযকের যে ব্যবস্থা আল্লাহ করে রেখেছেন সে ব্যবস্থা চালু থাকতে দাও (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রাযিঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমাদেরকে এমনটি নিষেধ করা হয়েছে, গ্রামের লোকের পক্ষ হয়ে শহরের লোকেরা যেন বিক্রয় না করে, সে ভাই বা পিতাই হোক না কেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন আমাদেরকে নিযেধ করা হয়েছে যে, শহরের লোক যেন গ্রামের লোকের পক্ষ হয়ে বিক্রয় না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
“আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যদি দুধ দোহন না করে ফুলিয়ে রাখা ওলান বিশিষ্ট বকরী খরিদ করে, তবে বাড়ী নিয়ে দোহনের পরে সে ইচ্ছা করলে রাখতে পারে আবার ইচ্ছা করলে ফেরতও দিতে পারে। ফেরত দিতে চাইলে এক সা' খেজুরও সাথে দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ওলান ফুলিয়ে রাখা বকরী ক্রয় করবে, তিন দিন পর্যন্ত তার জন্যে ইচ্ছার স্বাধীনতা থাকবে। ইচ্ছা করলে সেটি রাখতে পারে, আর যদি ফেরত দেয় তবে সে সাথে এক সা' খেজুরও দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আমর (রহঃ) .... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ওলান ফুলানো বকরী ক্রয় করবে, তিন দিন পর্যন্ত তার জন্য ইচ্ছার স্বাধীনতা থাকবে। সে যদি উক্ত বকরী ফেরত দেয় তবে তার সাথে এক সা' খাদ্য বস্তুও দিবে। এজন্য উৎকৃষ্ট গম দিতে হবে এমনটি নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৯০, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ওলানে দুধ ফুলান বকরী কিনবে তার জন্যে ইচ্ছার স্বাধীনতা থাকবে। ইচ্ছা করলে ক্রয় ঠিক রাখবে আর ইচ্ছা করলে এক সা' খেজুরসহ ফেরত দিবে- এজন্য উত্তম গম দেয়া জরুরী নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৯১, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমার (রহঃ) উপরে উল্লিখিত হাদীসটি 'আবদুল ওয়াহব থেকে উপরোক্ত সূত্রে বর্ণনা করেন। অবশ্য 'আবদুল ওয়াহবের বর্ণনায়شَاة এর জায়গায়غَنَم আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৯২ ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন। হাম্মাম (রহঃ) বলেন যে, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বেশ কিছু হাদীস আমাদের নিকট বর্ণনা করেন এবং বলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি ওলান ফুলিয়ে রাখা উষ্ট্রী বা বকরী খরিদ করে তবে দুধ দোহনের পরে তার ইচ্ছা-স্বাধীনতা থাকবে। হয় তা রেখে দিবে অথবা এক সা' খুরমাসহ(মাসেহ) ফেরত দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ রাবী' আতাকী ও কুতাইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করবে সে তা আয়ত্বে নেয়ার পূর্বে বিক্রি করতে পারবে না। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, আমি মনে করি সকল বস্তুর বেলায় এ একই নিয়ম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমার, আহমাদ ইবনু আবদাল্লাহ্, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... 'আমর ইবনু দীনার (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে একই রকম হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি খাদ্য বস্তু ক্রয় করবে, সে তা মাপার আগে বিক্রি করতে পারবে না। বর্ণনাকারী তাউস (রহঃ) বলেন, আমি ইবনু আব্বাসের নিকট জিজ্ঞেস করলাম, এর কারণ কী? তিনি বললেন, তুমি কি দেখনি যে, লোকজন স্বর্ণ ও খাদ্যদ্রব্য বাকীতে ক্রয় করে? আবূ কুরায়ব 'বাকী’ শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৯৭, ইসলামিক সেন্টার)
অনুবাদ উপলব্ধ নেই
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ কা'নবী ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করলে তা পূর্ণ করায়ত্ব করার পূর্বে যেন বিক্রি না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময় দ্রব্য ক্রয় করতাম। তখন তিনি এ মর্মে আদেশ দিয়ে আমাদের নিকট লোক পাঠাতেন যে, এ মাল বিক্রি করার আগেই যেন ক্রয়ের জায়গা হতে অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করবে সে ততক্ষণ পর্যন্ত তা বিক্রি করতে পারবে না, যতক্ষণ না হস্তগত করে ও তাতে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭০১, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক খাদ্যদ্রব্য খরিদ করে সে তা হস্তগত করার পূর্বে বিক্রি করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭০২, ইসলামিক সেন্টার)
অনুবাদ উপলব্ধ নেই
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি দেখেছি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর 'আমলে লোকেরা অনুমান করে খাদ্যদ্রব্য খরিদ করে নিজেদের জায়গায় না নিয়েই ক্রয় স্থলে তা বিক্রি করার কারণে তাদের শাস্তি দেয়া হত। ইবনু শিহাব (রহঃ) উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা অনুমান করে খাদ্য বস্তু ক্রয় করত। এরপর তা বাড়ী নিয়ে আসত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭০৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করবে সে তা পরিমাপ করার আগে বিক্রি করতে পারবে না। আবূ বাকরের বর্ণনায় مَنِ اشْتَرَى এর স্থলে مَنِ ابْتَاعَ রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭০৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি একদা মারওয়ানকে প্রশ্ন করেন, আপনি কি সূদী কেনাবেচা বৈধ করে দিয়েছেন? মারওয়ান বললেনঃ না, আমি তো তা করিনি। আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) পুনরায় জিজ্ঞেস করেন, আপনি কি রেশন কার্ড বিক্রি বৈধ করে দেননি?* অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদ্যদ্রব্য পুরোপুরি হস্তগত করার আগে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। এরপর মারওয়ান এক বক্তৃতায় তা বিক্রি করতে লোকদের নিষেধ করে দেন। রাবী সুলাইমান (রহঃ) বলেনঃ আমি দেখলাম যে, মানুষের কাছ থেকে সরকারী কর্মচারীগণ রেশন কার্ড ফিরিয়ে নিচ্ছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭০৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু জুরায়জ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ তুমি যখন কোন খাদ্য বস্তু ক্রয় করো, তখন তা সম্পূর্ণরূপে বুঝে নেয়ার আগে বিক্রি করো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭০৭, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির আহমাদ ইবনু 'আমর ইবনু সারহ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অজ্ঞাত পরিমাণ খেজুরের স্তুপ নির্দিষ্ট পরিমাণ খেজুরের বিনিময়ে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭০৮, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ধরনের বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। তবে বর্ণনাকারী রাওহা (রহঃ) হাদীসের শেষ অংশে খেজুরের কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭০৯, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্রেতা ও বিক্রেতার একজনের অপরের উপর (ক্রয়-বিক্রয় ভঙ্গ করার) ইচ্ছা-স্বাধীনতা থাকবে, যতক্ষণ তারা একে অপর থেকে আলাদা না হয়। তবে ইখতিয়ারের শর্তে ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকলে তা ভিন্ন কথা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১০, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে, যুহায়র ইবনু হারব ও আলী ইবনু হুজুর এবং আবূ রাবী’ ও আবূ কামিল (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে, ইবনুল মুসান্না ও ইবনু আবূ উমার এবং ইবনু রাফি (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উপরে উল্লিখিত নাফি' থেকে মালিক এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১১, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, দু'জন লোক পরস্পর কেনাবেচা করলে যতক্ষণ তারা একে অন্যের থেকে পৃথক না হয় বরং একত্রিত থাকে, ততক্ষণ তাদের প্রত্যেকেরই ক্রয়-বিক্রয় বাতিল করার স্বাধীনতা থাকবে। কিংবা যদি একজন অপরজনকে ক্রয়-বিক্রয় বাতিল করার ইখতিয়ার প্রদান করে এবং এরূপ শর্তে ক্রয় বিক্রয় সমাধা হয় তবে এ ক্রয়-বিক্রয় ঠিক থাকবে। আর যদি ক্রয়-বিক্রয়ের পর তারা একজন অন্যজন থেকে পৃথক হয়ে যায় এবং উভয়ের কোন একজন ক্রয়-বিক্রয় বাতিল না করে তবে তাও ঠিক থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১২, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু আবূ 'উমার (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্রেতা ও বিক্রেতা যখন ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করে তখন তাদের প্রতেকেরই ক্রয়-বিক্রয় প্রত্যাখ্যান করার ব্যাপারে সুযোগ থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত তারা একে অন্যের থেকে পৃথক না হয়ে যায়। অথবা যদি ক্রয়-বিক্রয় খিয়ারের শর্তে (নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রয়-বিক্রয় ঠিক রাখা না রাখার শর্ত) হয়ে থাকে তখনও খিয়ার বহাল থাকবে। ইবনু আবূ উমারের বর্ণনায় আরো রয়েছে- নাফি' বলেন, ইবনু উমর (রাযিঃ) যখন কারো সাথে ক্রয়বিক্রয় করতেন এবং তিনি তা বহাল রাখতে চাইতেন, তখন উঠে গিয়ে এদিক সেদিক কিছুক্ষণ হাঁটাহাটি করতেন, তারপর দ্বিতীয়পক্ষের নিকট আবার প্রত্যাৰ্তন করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৩, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রামিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে কেনা-বেচা পুরোপুরি হবে না তারা পরস্পর আলাদা হওয়া পর্যন্ত। কিন্তু খিয়ারের শর্তে ক্রয়-বিক্রয় হলে; (পরস্পর বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরেও খিয়ার বহাল থাকবে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৪, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও 'আমর ইবনু আলী (রহঃ) ..... হাকীম ইবনু হিযাম (রাযিঃ) সূত্রে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ক্রেতা ও বিক্রেতার একজন আরেকজন থেকে পৃথক হওয়া পর্যন্ত খিয়ার থাকবে। উভয়ে যদি সত্য কথা বলে এবং দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করে দেয় তবে তাদের কেনা-বেচায় বরকত হবে। আর যদি তারা কেনা-বেচার মধ্যে মিথ্যার আশ্রয় নেয় এবং দোষ-ত্রুটি গোপন রাখে তবে তাতে বরকত থাকবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৫, ইসলামিক সেন্টার)
আমর ইবনু আলী (রহঃ) ..... হাকীম ইবনু হিযাম (রাযিঃ) সূত্রে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরকম হাদীস বর্ণনা করেন। মুসলিম ইবনু হাজ্জাজ (রহঃ) বলেন, হাকীম ইবনু হিযাম (রাযিঃ) কা'বার ভিতরে ভূমিষ্ট হন ও একশ' বিশ বছর বেঁচে থাকেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হজর (রহঃ) ...... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জানাল যে, ক্রয়-বিক্রয়ে তাকে প্রতারিত করা হয়। তখন তিনি বললেনঃ তুমি যার সাথে কেনা-বেচা করবে তাকে বলবে, কোন প্রকার প্রতারণা থাকবে না। এরপর থেকে যখনই সে কিছু খরিদ করত, তখনই বলে দিত কোন প্রকার প্রতারণা থাকবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৭, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (রহঃ) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে এদের বর্ণিত হাদীসে এ কথাটি নেই যে, "এরপর থেকে সে যখনই কিছু ক্রয় করত তখনই বলত কোন প্রকার প্রতারণা থাকবে না"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৮, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফল উপযোগী হওয়ার পূর্বে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। নিষেধ করেছেন ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২০, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) এর সূত্রে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২০, ইসলামিক সেন্টার)
‘আলী ইবনু হুজর সা’দী ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাকার আগে খেজুর বিক্রি করতে এবং সাদা হওয়ার আগে ও দুর্যোগ-মুক্ত হওয়ার পূর্বে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। আর ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কেই তিনি নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২১, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পরিপক্ক হওয়ার আগে ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ কেটে যাওয়ার পূর্বে তোমরা ফল ক্রয় করো না। বর্ণনাকারী বলেনঃ খাওয়ার যোগ্য হওয়ার অর্থ লাল বর্ণ ও হলদে বর্ণ ধারণ করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২২, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন, যতক্ষণ না তা পরিপক্ক হয়। এর পরবর্তী অংশ তিনি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২৩, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু রাফি (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবদুল ওয়াহব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২৪, ইসলামিক সেন্টার)
সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মালিক ও উবাইদুল্লাহ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পরিপক্ক হওয়ার আগে তোমরা ফল বিক্রি করো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২৬, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) সুফইয়ান (রহঃ) এর সূত্রে এবং ইবনুল মুসান্না (রহঃ) শু'বাহ (রহঃ) সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (রহঃ) হতে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেন। অবশ্য শু'বার বর্ণনায় এতটুকু অতিরিক্ত আছে যে, ইবনু উমার (রাযিঃ) এর কাছে পরিপক্ক হওয়ার অর্থ কী, জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ প্রাকৃতিক দুর্যোগ পার হওয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২৭, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন অথবা তিনি বলেন, আমাদের নিষেধ করেছেন ফল পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে তা বিক্রি করতে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২৮, ইসলামিক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু উসমান নাওফালী ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু 'আবদিল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন ফল আহারযোগ্য হওয়ার আগেই বিক্রি করতে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২৯, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূল বাখতারী (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকট গাছে থাকা খেজুর বিক্রি বিষয়ে জানতে চাইলাম। তখন তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাছের খেজুর বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন যতক্ষণ না তা খাওয়া যায় বা খাওয়ার যোগ্য হয় এবং ওজন করা যায়। রাবী বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম কিভাবে ওজন করবে? তখন তার পাশেই অবস্থানকারী জনৈক ব্যক্তি উত্তর দিল— পরিমাণ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৩০, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফল খাওয়ার উপযোগী হওয়ার আগে তোমরা ক্রয় করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৩১, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইবনু নুমায়র ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ভিন্ন সূত্রে ইবনু উমার (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, খাওয়ার যোগ্য হওয়ার আগে তা বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন এবং শুকনা খেজুরের বিনিময়ে রসালো তাজা খেজুর বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৩২, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু উমার (রাযিঃ) বর্ণনা করেন, যায়দ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরায়া ধরনের কেনা-বেচার অনুমতি দান করেছেন। ইবনু নুমায়র তার বর্ণনায়أَنْ تُبَاعَ শব্দটি বাড়িয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৩২, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি। বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ফল ক্রয় করো না খাওয়ার যোগ্য হওয়ার আগে এবং তাজা রসালো খেজুর খরিদ করো না শুকনো খেজুরের বিনিময়ে। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেনঃ সালিম তাঁর পিতা 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সম্পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... ইবনুল মুসাইয়্যিব (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাহ ও মুহাকালাহ নিষেধ করেছেন। মুযাবানাহ হল, গাছের খেজুর খুরমার (শুকনো খেজুর) বিনিময়ে ক্রয়-বিক্রয় করা। আর মুহাকালাহ হল, ক্ষেতের শস্য অনুমান করে সংগৃহীত শস্যের বিনিময়ে বিক্রি করা এবং সংগৃহীত গমের পরিবর্তে জমি বর্গা দেয়া। ইবনু শিহাব (রহঃ) সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফল খাওয়ার যোগ্য হওয়ার আগে ক্রয় করো না। আর খুরমার বিনিময়ে তাজা খেজুর ক্রয় করো না। সালিম (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, অতঃপর 'আরায়া’ প্রক্রিয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে তাজা অথবা শুকনা খেজুরের ক্রয়-বিক্রয়ে অনুমতি দান করেছেন। এ ছাড়া অন্য কোন ফলের ব্যাপারে তিনি এমন অনুমতি দেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরায়ার মালিককে এ অনুমতি দিয়েছেন যে, সে আরায়াকৃত গাছের তাজা খেজুর অনুমানের ভিত্তিতে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে বিক্রি করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরায়া পদ্ধতির অনুমতি প্রদান করেছেন। বাড়ীর মালিক আরায়া করা ফল অনুমান করে খুরমার বদলে রাখতে পারে তাজা রসযুক্ত খেজুর খাওয়ার জন্যে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৩৬, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... নাফি' (রহঃ) হতে একই সূত্রে এরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) এর সূত্রে উক্তরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি কিছু অতিরিক্ত বলেছেন যে, খেজুর গাছের আরায়া হল নির্দিষ্ট সংখ্যক গাছ কাউকে দান করা। এরপর তার ঐ গাছগুলোর খেজুর অনুমান করে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ ইবনু মুহাজির (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরায়া পদ্ধতির ক্রয়-বিক্রয়ে অনুমানে পরিমাণ নির্ধারণ করে শুকনো খেজুরের বিনিময়ে বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। ইয়াহইয়া বলেন, আরায়া হলো নিজের পরিবারবর্গকে তাজা রসাল খেজুর খাওয়াবার জন্যে গাছের ঝুলন্ত খেজুর অনুমান দ্বারা পরিমাণ করে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে খরিদ করে রাখা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৩৯, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দানকৃত খেজুর অনুমানে পরিমাপ করে বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৪০, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... উবাইদুল্লাহর সূত্রে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেন এবং বলেন, তা অনুমান করে নিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৪১, ইসলামিক সেন্টার)
আবূর রাবী, আবূ কামিল ও ‘আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) সূত্রে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন যে, আরায়া প্রক্রিয়ার ক্রয়-বিক্রয় অনুমানের ভিত্তিতে করতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমোদন দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৪২, ইসলামিক সেন্টার)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ কা'নবী (রহঃ) ..... সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুকনা খেজুরের বদলে তাজা খেজুর বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ এটাই সুদ, এটাই ‘মুযাবানাহ। অবশ্য তিনি আরায়াকৃত দু’ একটা খেজুর গাছের খেজুর বিক্রয়ের অনুমতি দিয়েছেন। বাড়ীর মালিক এর পরিমাণ অনুমান করে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে রেখে দিবে এবং তাজা ফল খাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... বাশীর ইবনু ইয়াসার (রহঃ) এর সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতিপয় সাহাবী হতে বর্ণিত। তারা বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরায়াকৃত খেজুর গাছের ফল অনুমান করে খুরমার বিনিময়ে বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... বাশীর ইবনু ইয়াসার (রহঃ) এর সূত্রে তার মহল্লায় বসবাসকারী রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কয়েকজন সাহাবী হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন- বর্ণনাকার সাকাফী (রহঃ) সুলাইমান ইবনু বিলাল (রহঃ) বর্ণিত পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য ইসহাক ও ইবনু মুসান্না 'সুদ’ এর জায়গায় 'মুযাবানা’ বলেছেন। আর ইবনু আবী উমার বলেছেন "সুদ"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... সাহল ইবনু আবূ হাসমার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উপরোক্ত বর্ণনায় অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও হাসান হুলওয়ানী (রহঃ) ..... রাফি ইবনু খাদীজ ও সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'মুযাবানাহ্' অর্থাৎ শুকনা খেজুরের বদলে গাছের কাঁচা খেজুর বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন, কিন্তু আরায়ার মালিকগণ ছাড়া। কেননা তাদেরকে তিনি এর অনুমতি দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনু কা'নাব ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরায়া প্রক্রিয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে ফলের পরিমাণ অনুমানের ভিত্তিতে পাঁচ ওয়াসাকের চেয়ে স্বল্প বা পাঁচ ওসকের ভেতরে করার জন্য অনুমতি প্রদান করেছেন। বর্ণনাকারী দাউদের এ ব্যাপারে সন্দেহ যে, কথা এভাবে বলেছেন- পাঁচ বা পাঁচের কম। তখন মালিক বললেন, হ্যাঁ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু তামীমী (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাহ থেকে নিষেষ করেছেন। মুযাবানাহ হলো বৃক্ষের তাজা খেজুর পরিমাপ করে খুরমার বদলে বিক্রি করা এবং গাছের তাজা আঙ্গুর পরিমাপ করে কিশমিশের বিনিময়ে বিক্রি করা (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) .....'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাহ করতে নিষেধ করেছেন। আর মুযাবানাহ হলো বৃক্ষের তাজা খেজুর অনুমানে খুরমার বিনিময়ে বিক্রি করা ও কাঁচা আঙ্গুর পরিমাপ নির্ধারণ করে কিশমিশের বিনিময়ে বিক্রি করা এবং ক্ষেতের গম অনুমানে পরিমাপ করে সংগৃহীত গমের বিনিময়ে বিক্রি করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৫০, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... উবাইদুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৫১, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও হুসায়ন ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিমি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাহর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। মুযাবানাহ্ হলো গাছের খেজুর পরিমাপ করে খুরমার বিনিময়ে বিক্রি করা এবং কাচা আঙ্গুর পরিমাপ করে কিশমিশের বিনিময়ে বিক্রি করা। আর যে কোন ফল অনুমানের ভিত্তিতে বিক্রি করতেও তিনি নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৫২, ইসলামিক সেন্টার)
আলী ইবনু হুজর ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাহ নিষেধ করেছেন। মুযাবানাহ হলো গাছের মাথায় যে খেজুর আছে তার পরিমাণ অনুমান করে নির্ধারিত পরিমাণ শুকনো খেজুরের বিনিময়ে বিক্রি করা- এ শর্তের উপর যে, যদি বেশী হয় তবে তা আমার থাকবে। আর যদি কম হয় তবে সে ক্ষতি আমার উপরই আসবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ রাবী’ ও আবূ কামিল (রহঃ) ..... আইয়্যুব (রহঃ) এর সূত্রে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাহ নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ- বাগানে যদি খেজুর গাছ থাকে তবে তার কাঁচা খেজুর পরিমাপ করে শুকনো খেজুরের বিনিময়ে ক্রয়-বিক্রয় করা। আর যদি আঙ্গুর থাকে তবে তা পরিমাপ করে কিশমিশের বিনিময়ে ক্রয়-বিক্রয় করা। আর যদি তা ক্ষেতের ফসল হয় তবে তার পরিমাণ অনুমান করে সে পরিমাণ খাদ্য ক্রয় করা- এসব করতে তিনি নিষেধ করেছেন। কুতাইবার অন্য বর্ণনায় রয়েছে "অথবা যদি তা ক্ষেতের ফসল হয়"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির, ইবনু রাফি ও সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে নাফি (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে হাদীসটি অন্যান্যের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যদি খেজুরের রেনু প্রবিষ্ট করানো খেজুর গাছ বিক্রি করে তবে ঐ গাছের খেজুর বিক্রেতার প্রাপ্য। অবশ্য ক্রেতা যদি খেজুর নেয়ার শর্ত করে থাকে তবে তা তার হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৫৭, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু নুমায়র ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন তাবিরকৃত খেজুর গাছ যদি মূলসহ ক্রয় করা হয় এবং ক্রেতা যদি ফল পাওয়ার শর্ত না দিয়ে থাকে, তবে তার ফল তাবিরকারীরই* প্রাপ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি খেজুর গাছে তাবির করার পর মূল গাছটি বিক্রি করে দিলে ঐ গাছের খেজুর তাবিরকারী পাবে, যদি ক্রেতা ফল পাওয়ার শর্ত করে না থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবূর রাবী, আবূ কামিল ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... নাফি'র সূত্রে এ হাদীস ঐরকমই বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৬০, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ ও কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি তাবিরকৃত খেজুর গাছ খরিদ করবে সে উক্ত গাছের ফল পাওয়ার শর্ত না করলে ঐ গাছের ফল বিক্রেতার প্রাপ্য এবং কেউ যদি গোলাম খরিদ করে এবং উক্ত গোলামের মাল পাওয়ার শর্ত না করে তবে সে মাল বিক্রেতারই প্রাপ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৬১, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ...... যুহরী (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে এ হাদীস অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৬২, ইসলামিক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অনুরূপ বলতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনে নুমায়র ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাকালাহ, মুযাবানাহ্, মুখাবারাহ ও পরিণত হওয়ার আগে ফল ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। আর আরায়া প্রক্রিয়া ছাড়া দীনার ও দিরহামের বিনিময় ব্যতীত ফল বিক্রি করা যাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন- অতঃপর তিনি উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হানযালী (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুখাবারাহ, মুহাকালাহ, মুযাবানাহ এবং খাওয়ার যোগ্য হওয়ার পূর্বেই ফল বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। আর দিরহাম ও দীনারের বিনিময়েই কেবল ফল বিক্রি করা যাবে, কিন্তু আরায়া প্রক্রিয়াটি স্বতন্ত্র (অর্থাৎ- এতে ফলের বদলে ফল বিক্রয় চলবে)। আতা (রহঃ) বলেনঃ ক্রয়-বিক্রয়ের ঐ ধরণগুলো সম্পর্কে জাবির (রাযিঃ) আমাদেরকে খুলে বলেছেনঃ মুখাবারাহ হলোঃ এক ব্যক্তিকে শস্যহীন শুন্য ক্ষেত প্রদান করা হয়। এরপর সে তাতে ফসল উৎপন্ন করে তারপর মালিক উৎপন্ন ফসলে অংশগ্রহণ করে। আর মুযাবানাহ্ হলো- গাছের মাথায় থাকা তাজা খেজুর অনুমানে পরিমাপ করে খুরমার বিনিময়ে বিক্রি করা। আর মুহাকালাহ ফসলের মধ্যে অনুরূপ পদ্ধতিতে হয়ে থাকে অর্থাৎ ক্ষেতের বিদ্যমান শস্যকে অনুমানে পরিমাপ করে ঘরে রাখা শস্যের বিনিময়ে বিক্রি করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৬৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাকালাহ, মুযাবানাহ, মুখাবানাহ, মুখাবারাহ এবং খেজুর লাল বা হলদে অথবা খাদ্যোপযোগী হওয়ার পূর্বে খরিদ করতে নিষেধ করেছেন। মুহাকালাহ হলো ক্ষেতের শস্য নির্ধারিত পরিমাণ খাদ্যের বিনিময়ে বিক্রি করা। মুযাবানাহ্ হচ্ছে- গাছের খেজুর কয়েক অসক খুরমার বিনিময়ে বিক্রি করা। মুখাবারাহ বলা হয়- এক তৃতীয়াংশ, এক চতুর্থাংশ বা এরূপ নির্দিষ্ট কোন অংশকে। যায়দ (রহঃ) বলেনঃ আমি আতা ইবনু আবূ রাবাহকে জিজ্ঞেস করলাম- আপনি কি জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু হাশিম (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাহ, মুহাকালাহ, মুখাবারাহ এবং ফল পাকার আগে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। রাবী বলেন, আমি সাঈদকে জিজ্ঞেস করলাম পাকার অর্থ কী? তিনি বললেন, লাল বর্ণ বা হলুদ বর্ণ ধারণ করা এবং খাওয়ার যোগ্য হওয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৬৮, ইসলামিক সেন্টার)
উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার কাওয়ারীরী ও মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ গুবারী (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাকালাহ, মুযাবানাহ, মু'আওয়ামাহ্ ও মুখাবারাহ নিষেধ করেছেন। দু'জনের একজনে বলেন, কয়েক বছরের জন্যে বিক্রি করার নাম মু'আওয়ামাহ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিযেধ করেছেন কিছু অংশ বাদ দেয়া হতে* আর অনুমতি দিয়েছেন আরায়ার বেলায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৬৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ ও আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... জাবির (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এ কথাটি উল্লেখ করেননি যে, কয়েক বছরের জন্যে বিক্রি করা হলো মু'আওয়ামাহ্। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৭০, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমি বর্গা দিতে, কয়েক বছরের জন্যে বিক্রি করতে এবং ফল পরিপক্ক হওয়ার আগে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৭১, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ কামিল জাহদারী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমি বর্গা দিতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৭২, ইসলামিক সেন্টার)
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার কাছে জমি আছে সেটি তার চাষাবাদ করা উচিত। যদি সে নিজে তা না করে তবে যেন তার কোন ভাইকে চাষাবাদ করতে প্রদান করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
হাকাম ইবনু মূসা (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতিপয় সাহাবীর প্রয়োজনের চেয়েও বেশী জমি ছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যার নিকট প্রয়োজনের বেশী জমি আছে সে যেন তা চাষাবাদ করে অথবা তার কোন ভাইকে (চাষাবাদ করতে) দেয়। আর যদি সে তা না চায় তাহলে তার জমি সে আটকে রাখুক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শ্রমের উপরে বা ফসলের অংশ দিয়ে জমি বর্গা নিতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার জমি আছে সে যেন তাতে চাষাবাদ করে। তা যদি সে না পারে অথবা অক্ষম হয়, তাহলে সে যেন তার অপর কোন মুসলিম ভাইকে (চাষাবাদ করতে) দেয়। কিন্তু বর্গা দিবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) হাম্মাম (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, সুলাইমান ইবনু মূসা (রহঃ) আতা-কে জিজ্ঞেস করলেন আপনার নিকট জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) কি এ কথা বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার জমি আছে সে যেন তা চাষাবাদ করে অথবা তার অপর ভাইকে চাষ করার জন্যে দিয়ে দেয়। সেটা বর্গায় দিবে না। তিনি বললেন, হ্যাঁ, তা-ই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুখাবারাহ নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার নিকট অতিরিক্ত জমি আছে তার উচিত সেটি চাষাবাদ করা অথবা আবাদ করার জন্যে তার অপর ভাইকে দেয়া। তোমরা সেটা বিক্রি করো না। (রাবী বলেন) আমি সাঈদকে জিজ্ঞেস করলাম, বিক্রি করো না- এ কথা কি বর্গা দেয়া? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তা-ই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ...... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে জমি বর্গায় নিতাম এবং প্রাপ্য হিসেবে শস্য মাড়াই করার পর ছড়ায় যা কিছু অবশিষ্ট থাকত তা এবং এ ধরনের সামান্য কিছু ভাগ পেতাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যার জমি আছে সে সেটা আবাদ করুক অথবা তার অপর ভাইকে দিয়ে আবাদ করাক অন্যথায় সে নিজেই ধরে রাখুক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৮০, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমলে আমরা খালের সন্নিকটবর্তী জমিতে এক তৃতীয়াংশ ও এক চতুর্থাংশ ফসলের বিনিময়ে জমি বর্গা নিতাম। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তথায় দাঁড়িয়ে বললেন, জমি যার সে-ই তাতে চাষ করবে। আর যদি সে তা না করে তবে যেন তার ভাইকে আবাদ করতে দেয়। যদি তার ভাইকে তা না দেয়, তবে যেন তা আটকে রাখে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৮১, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি- যার জমি আছে সে যেন তা দান করে অথবা সে যেন তা ধার দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৮২, ইসলামিক সেন্টার)
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ... আ'মাশ (রহঃ) এর সূত্রে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেন। অবশ্য তিনি বলেছেন যে, সে যেন তা চাষ করে অথবা অন্য লোককে চাষ করতে দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
হারূন ইবনু সাঈদ আয়লী (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমি বর্গা দিতে নিযেধ করেছেন। বুকায়র (রহঃ) নাফি'র সূত্রে ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমরা আমাদের জমি বর্গায় দিতাম। এরপর রাফি ইবনু খাদীজের হাদীস শুনে তা ছেড়ে দেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খালি জমি দু' বা তিন বছরের জন্যে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
সাঈদ ইবনু মানসূর, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আমর আন্ নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েক বছরের জন্য জমি বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। ইবনু আবূ শাইবার বর্ণনায় আছে- কয়েক বছরের জন্যে ফল বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
হাসান ইবনু আলী হুলওয়ানী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার জমি আছে তার উচিত সে যেন তা চাষ করে অথবা তার অপর ভাইকে তা আবাদ করতে দেয়। এতে যদি সে রাজী না হয়, তাহলে তার জমি যেন সে আটকে রাখে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
হাসান হুলওয়ানী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মুযাবানাহ ও হুকুল থেকে নিষেধ করতে শুনেছেন। তখন জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, মুযাবানাহ্ হলো কাঁচা খেজুরের বিনিময়ে শুকনা খেজুর বদল করা। আর হুকুল হলো জমি বর্গা দেয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাকালাহ* ও মুযাবানাহ** থেকে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির (রহ) .... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাহ্ ও মুহাকালাহ্ থেকে নিষেধ করেছেন। মুযাবানাহ্ হলো খেজুর গাছের মাথায় ঝুলে থাকা ফল ক্রয় করা, আর মুহাকালাহ হলো জমি ইজারা দেয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৯০, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবূ রাবী' আতাকী (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মুখাবারাহ করায় কোন দোষ মনে করতাম না। এভাবে যখন প্রথম বছর অতিবাহিত হলো, তখন রাফি' (রাযিঃ) বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কাজ থেকে নিষেধ করেছেন।
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আলী ইবনু হুজর, ইবরাহীম ইবনু দীনার ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আমর ইবনু দীনার (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য ইবনু উয়াইনাহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে অতিরিক্ত আছে যে- এরপর এ কারণে আমরা তা ছেড়ে দেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৯১, ইসলামিক সেন্টার)
‘আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাফি (রহঃ) আমাদেরকে আমাদের জমি হতে ফায়দা হাসিল করা হতে বাধা দান করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... নাফি' (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, ইবনু উমার (রাযিঃ) তার জমি ইজারা দিতেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এবং আবূ বাকর, উমার, উসমান ও মু'আবিয়াহ (রাযিঃ) এর খিলাফাত কালের প্রথম যুগ পর্যন্ত। এরপর মু'আবিয়াহ্ (রাযিঃ) এর খিলাফাতের শেষ দিকে তার কাছে এ সংবাদ গেল যে, রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিষেধমূলক হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইবনু উমার (রাযিঃ) তার নিকট উপস্থিত হলেন। আমিও তার সাথে ছিলাম। এরপর তিনি তার কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমি ইজারা দিতে নিষেধ করতেন। এরপরে ইবনু উমার (রাযিঃ) তা বাদ দেন। এরপর হতে যখন তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হত, তিনি বলতেন- ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ থেকে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূর রাবী, আবূ কামিল ও ‘আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আইয়্যুব (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। ইবনু উলাইয়্যার বর্ণনায় আইয়ূব (রহঃ) বাড়তি আরও বলেছেন যে, এরপর ইবনু উমার (রাযিঃ) তা পরিত্যাগ করেন এবং আর কখনও জমি ইজারা দেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, একদা আমি ইবনু উমারের সাথে রাফি ইবনু খাদীজের নিকট গেলাম। বালাত নামক স্থানে তার সাথে সাক্ষাৎ হলো। তিনি তাকে অবহিত করলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমি ইজারা দিতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ খালাফ ও হাজ্জাজ ইবনু শা-ইর (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি একবার রাফি'র নিকট আসেন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এ হাদীস উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৯৭, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, ইবনু উমার (রাযিঃ) জমি বর্গ দিতেন। নাফি' বলেন, এরপর রাফি বর্ণিত একটি হাদীস তাকে জানান হলো। রাবী বলেন, তিনি আমাকে সাথে নিয়ে তার নিকট গেলেন। তিনি তার কোন চাচার সূত্রে হাদীস বর্ণনা করলেন। তাতে উল্লেখ আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমি বর্গ দিতে নিষেধ করেছেন। রাবী বলেন, এরপর থেকে ইবনু উমার (রাযিঃ) এ কাজ ত্যাগ করেন এবং আর কোন সময় জমি বর্গা দেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আওন থেকে উক্ত হাদীস বর্ণিত। রাবী বলেন, এরপর তিনি তার চাচার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনু লায়স ইবনু সা'দ (রহঃ) ..... সলিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) নিজের জমি বর্গা দিতেন। পরে তার কাছে এ সংবাদ পৌছল যে, রাফি ইবনু খাদীজ আনসারী (রাযিঃ) জমি বর্গ দিতে নিষেধ করে থাকেন। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) তার সাথে দেখা করে জিজ্ঞেস করেন, হে ইবনু খাদীজ! জমি বর্গার ব্যাপারে আপনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কি হাদীস বর্ণনা করেছেন? রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) আবদুল্লাহকে বললেন, আমি আমার দু’জন চাচার নিকট শুনেছি- যারা বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তারা পরিবার-পরিজনের নিকট বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমি বর্গ দিতে নিষেধ করেছেন। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে আমি ভাল করেই জানতাম যে, জমি বর্গ দেয়া যায়। এরপর আবদুল্লাহ ভীত হলো যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হয়তো এমন কিছু বলেছেন, যা তিনি জানতে পারেননি। সুতরাং তিনি জমি বর্গা দেয়া ত্যাগ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮০০, ইসলামিক সেন্টার)
‘আলী ইবনু হুজর সা’দী ও ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... রাফি' খাদীজ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে জমির মুহাকালাহ করতাম এবং এক তৃতীয়াংশ, এক চতুর্থাংশ বা নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যের বিনিময়ে ইজারা দিতাম। এরপর এক সময় আমার এক চাচা আমাদের নিকট এসে বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এমন একটি বিষয় থেকে নিষেধ করেছেন যা আমাদের জন্যে লাভজনক ছিল। আর আল্লাহ ও তাঁর রসূলের কথা মেনে চলা আমাদের জন্যে অধিক কল্যাণকর। তিনি আমাদেরকে জমি মুহাকালাহ্ করতে এবং এক তৃতীয়াংশ, এক চতুর্থাংশ বা নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যের বিনিময়ে ইজারা দিতে নিষেধ করেছেন। আর জমির মালিককে নিজে চাষ করতে বা অপরের দ্বারা চাষ করাতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং ইজারা বা অন্য কিছু করার বিষয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮০১, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা জমির মুহাকালাহ করতাম এবং এক তৃতীয়াংশ ও এক চতুর্থাংশের বিনিময়ে ইজারা দিতাম। এরপর ইবনু উলাইয়্যার হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮০২, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব, আমর ইবনু আলী ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইয়া'লা ইবনু হাকীম (রাযিঃ) এর সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮০৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির (রহঃ) ..... রফি'র সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন। কিন্তু তাতে তার কোন এক চাচার কথা বলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮০৪, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... রাফি' (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, যুহায়র ইবনু রাফি' (রহঃ) তার চাচা হন। রাফি' বলেন, যুহায়র একদা আমার নিকট এসে বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এমন একটি বিষয় থেকে নিষেধ করেছেন যা আমাদের জন্যে ছিল লাভজনক। আমি বললাম, তা কী? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন তাই যথার্থ। তিনি বললেন, আমার নিকট তিনি জিজ্ঞেস করেছেন, কিভাবে তোমরা মুহাকালাহ করো? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা খালের সন্নিকটবর্তী জমির ফসলের শর্তে কিংবা খুরমা বা যবের কয়েক অসক প্রদানের শর্তে জমি বর্গা দিয়ে থাকি। তিনি বললেন, আর এরূপ করো না। তোমরা নিজেরা চাষ করো অথবা অপরকে দিয়ে চাষ করাও, তা না হলে এমনি রেখে দাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮০৫, ইসলামিক সেন্টার ৩৮০৪ [ক)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... রাফি' (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উপরোক্ত হাদীস বর্ণিত। কিন্তু এতে তার চাচা যুহায়রের নাম উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮০৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... হানযালাহ্ ইবনু কায়স (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণিত যে, তিনি রাফি ইবনু খাদীজের নিকট জমি বর্গা দেয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমি বর্গা দিতে নিষেধ করেছেন। রাবী বলেন, তখন আমি বললামঃ স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়েও কি নিষেধ? তিনি বললেন, স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়ে হলে কোন সমস্যা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮০৭, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক (রহঃ) ..... হানযালাহ ইবনু কায়স আনসারী (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাফি ইবনু খাদীজকে স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়ে জমি বর্গা দেয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি বলেছেন, এতে কোন সমস্যা নেই। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমলে লোকেরা পানির ঝর্ণার পার্শ্ববর্তী অংশ, খালের অগ্রভাগের ভেজা অংশ ও ক্ষেতের অন্যান্য সুবিধা নেয়ার শর্তে জমি বর্গা দিত। এতে কখনও এক অংশ বিনষ্ট হত ও অপর অংশ ভাল থাকত। আবার কখনও এ অংশ ভাল থাকত আর অপর অংশ বিনষ্ট হত। আর এ ধরনের বর্গায় বঞ্চনা ছাড়া আর কিছুই হত না। এ কারণে তিনি এ থেকে নিষেধ করেন। আর যদি নির্দিষ্ট পরিমাণের (স্বর্ণ-রৌপ্যের) বিনিময়ে বর্গা দেয়া হয়, তাহলে তাতে কোন সমস্যা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮০৮, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ..... রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আনসারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী জমির মালিক ছিলাম। এ শর্তে আমরা জমির ইজারা দিতাম যে, এ অংশ আমাদের আর ঐ অংশ তাদের। এরপর অনেক সময় এ অংশে ফসল ফলত আর ঐ অংশে কিছুই ফলত না। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কাজ থেকে আমাদেরকে নিষেধ করেন। আর রৌপ্যের বিনিময়ে ইজারা দিতে তিনি আমাদেরকে নিষেধ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮০৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবূর রাবী’ ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) এর সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮১০, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু সায়িব (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু মা'কালের নিকট মুযারা'আ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি। তিনি বললেন, সাবিত ইবনু যাহহাক (রাযিঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযারা'আ থেকে নিষেধ করেছেন। (এ নিষেধাজ্ঞা জমির নির্দিষ্ট পরিমাণ ফসলের শর্তে হলে হবে। তবে খাইবারের ভূমি বর্গাচাষের হাদীস থেকে বর্গাচাষ বৈধ প্রমাণিত ) ইবনু আবূ শাইবাহ্র বর্ণনায় কথাটি এরূপ আছে যে, তিনি তা থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি আরো বলেছেন- আমি ইবনু মা’কালের নিকট জিজ্ঞেস করেছি। তিনি আবদুল্লাহর নাম বলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮১১, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু সায়িব (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবদুল্লাহ ইবনু মা'কালের নিকট উপস্থিত হই এবং মুযারা'আ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি। তিনি জানান, সাবিত (রাযিঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযারা'আহ করতে নিষেধ করেছেন এবং ইজারা দিতে আদেশ করেছেন আর বলেছেন- এতে কোন সমস্যা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮১২, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আমর (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত যে, মুজাহিদ তাউসকে বললেনঃ আপনি আমাদের সাথে ইবনু রাফি ইবনু খাদীজের নিকট চলুন এবং তার পিতার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত হাদীসটি শুনুন। রাবী আমর (রাযিঃ) বলেন, তখন রাবী তাউস (রহঃ) মুজাহিদকে তিরস্কার করে বললেন, আল্লাহর কসম! আমি যদি জানতাম যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কাজ থেকে নিষেধ করেছেন- তবে আমি তা করতাম না। কিন্তু তাদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে বেশী জ্ঞানী অর্থাৎ- ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির পক্ষে তার কোন জমি অপর ভাইকে স্বেচ্ছায় চাষাবাদ করতে দেয়া তার উপর নির্দিষ্ট পরিমাণ ফসলের চুক্তিতে দেয়া অপেক্ষা ভাল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮১৩, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... তাউস (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি মুখাবারাহ করতেন। 'আমর বলেন, আমি তাকে বললাম, হে আবূ আবদুর রহমান! আপনি যদি এ মুখাবারাহ করা ছেড়ে দিতেন (তবে তা সুন্দর হত)। কেননা লোকেরা মনে করে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুখাবারাহ করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বললেন, হে আমর! তাদের মধ্যে যিনি শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী অর্থাৎ- ইবনু আব্বাস, তিনি আমাকে বলেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে নিষেধ করেননি। তিনি শুধু বলেছেন, তোমাদের কোন ভাইকে কোন বিনিময় গ্রহণ ছাড়াই জমি চাষাবাদ করতে দেয়া নির্দিষ্ট পরিমাণ ফসলের চুক্তিতে দেয়া অপেক্ষা উত্তম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮১৪, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমার, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ ও আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮১৫, ইসলামিক সেন্টার)
আবদ ইবনু হুমায়দ ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কারো ভূমি তার অপর ভাইকে নিঃস্বার্থভাবে চাষাবাদ করতে দেয়া নির্দিষ্ট পরিমাণ ফসলের বদলে দেয়ার চেয়ে উত্তম। রাবী বলেন, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেছেনঃ এটাকেই বলা হয় 'হাকল', আর আনসারদের পরিভাষায় বলা হয় "মুহাকালাহ্। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮১৬, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান দারিয়ী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যার জমি আছে সে যদি তা অপর ভাইকে নিঃস্বার্থভাবে চাষাবাদ করতে দেয় তবে সেটি তার জন্যে উত্তম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮১৭, ইসলামিক সেন্টার)