অল ইসলাম লাইব্রেরি

17 - দুধপান অধ্যায়

1

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে আমরাহ (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, একদিন তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অবস্থান করছিলেন; তিনি তখন কোন ব্যক্তির হাফসাহ (রাযিঃ) এর ঘরে প্রবেশের অনুমতি লাভের আওয়াজ শুনতে পেলেন। ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি তখন বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! এ লোক আপনার ঘরে প্রবেশ করার অনুমতি চায়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি জানি, অমুক, হাফসার দুধচাচা। আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! যদি তার (‘আয়িশার) দুধচাচা জীবিত থাকতেন তা হলে তিনি কি তার নিকট প্রবেশ করতে পারতেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হা, নিশ্চয় দুগ্ধ সম্পর্ক সে সব লোকদের হারাম করে দেয়, যাদের জন্মগত সম্পর্ক হারাম করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৩৩, ইসলামীক সেন্টার)

2

আবূ কুরায়ব ও আবূ মা'মার ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম আল হুযালী (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "দুগ্ধ সম্পর্ক সে সব লোকদের হারাম করে দেয়, যাদের জন্মগত সম্পর্ক হারাম করে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৩৪, ইসলামীক সেন্টার)

3

ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর (রহঃ) সূত্রে উপরোক্ত হিশাম ইবনু উরওয়ার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৩৫, ইসলামীক সেন্টার)

4

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উরওয়াহ (রহঃ) আয়িশাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, আবূল কু'আয়স এর ভাই আফলাহ একবার তার নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। তিনি ছিলেন তার দুধচাচা। এ ছিল পর্দার হুকুম অবতীর্ণ হবার পরবর্তী ঘটনা। তিনি বলেন, আমি তাকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করলাম। অতঃপর যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন আমি যা করেছি সে সম্পর্কে আমি তাকে অবহিত করলাম। তখন তিনি আমাকে নির্দেশ দিলেন যে, আমি যেন তাকে (দুধচাচাকে) আমার নিকট আসার অনুমতি দেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৩৬, ইসলামীক সেন্টার)

5

আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমার দুধ চাচা আফলাহ ইবনু আবূল কু'আয়স আমার কাছে এলেন। অতঃপর রাবী পূর্ববর্তী হাদীসের ন্যায় হাদীস বর্ণনা করেন। তবে রাবী তার বর্ণনায় অতিরিক্ত বলেছেন, আমি বললাম, আমাকে এক মহিলা দুধ পান করিয়েছেন, কোন পুরুষ তো করাননি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার দু' হাত অথবা ডান হাত ধূলিমলিন হোক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৩৭, ইসলামীক সেন্টার)

6

হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) তার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আবূল কু'আয়স এর ভাই আফলাহ এসে তার কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। এ ছিল পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হবার পরবর্তী ঘটনা। আবূল কুয়ায়স ছিলেন আয়িশাহ (রাযিঃ) এর দুধপিতা। আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, আমি বললামঃ আল্লাহর কসম! আমি আফলাহ-কে আমার কাছে আসার অনুমতি দিব না যে পর্যন্ত না রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছ থেকে অনুমতি না নেই। কেননা, আবূ কু'আয়স তো আমাকে দুধ পান করাননি, বরং আমাকে দুগ্ধপান করিয়েছে তার স্ত্রী। আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বললেন, যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আবূল কু'আয়স এর ভাই আফলাহ আমার নিকট প্রবেশের অনুমতি চেয়েছেন, কিন্তু আমি আপনার অনুমতি না নিয়ে তাকে আমার কাছে আসতে দিতে অস্বীকার করলাম। রাবী বলেন, ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তাকে অনুমতি দাও। উরওয়াহ বলেন, এ কারণেই আয়িশাহ (রাযিঃ) বলতেন, “তোমরা দুধপানের সম্পর্ক দ্বারা ঐ সব লোকদের হারাম গণ্য করবে যাদের তোমরা বংশগত সম্পর্কের দ্বারা হারাম গণ্য কর।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৩৮, ইসলামীক সেন্টার)

7

আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে এ সানাদে বর্ণিত আছে যে, আবূল কু'আয়স এর ভাই আফলাহ ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কাছে আসার অনুমতি চাইলেন। উপরোক্ত হাদীসের বর্ণনা অনুযায়ী এতে আরো বর্ণিত আছে যে, সে তো তোমার চাচা। তোমার হাত ধূলিমলিন হোক! আর আবূল কুয়ায়স ছিলেন আয়িশাহ (রাযিঃ) কে যে মহিলা স্তন্যদান করেছিলেন তার স্বামী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৩৯, ইসলামীক সেন্টার)

8

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমার দুধচাচা আমার সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য আসলেন এবং আমার কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন, কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে পরামর্শ না করা পর্যন্ত আমি অনুমতি দিতে অস্বীকার করলাম। যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন তখন আমি তাকে বললাম, আমার দুধচাচা আমার সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়েছিলেন, কিন্তু আমি অনুমতি দিতে অস্বীকার করি। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তোমার চাচা তোমার নিকট প্রবেশ করতে পারে। আমি বললাম, আমাকে তো দুধপান করিয়েছে নারী, কোন পুরুষ তো আমাকে দুধপান করায়নি। তিনি বললেন, অবশ্যই সে তোমার চাচা। অতএব সে যেন তোমার সাথে সাক্ষাৎ করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৪০, ইসলামীক সেন্টার)

9

আবূ রবী' আয যাহরানী (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) এ সানাদে আবূল কু'আয়স এর ভাই আয়িশার কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন এরপর উক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৪১, ইসলামীক সেন্টার)

10

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে এ সানাদে অনুরূপ। অবশ্য তিনি বলেছেন, আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিলেন আবূল কু'আয়স। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৪২, ইসলামীক সেন্টার)

11

হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, একদা আমার দুধচাচা আবূল জাদ আমার নিকট প্রবেশ করার জন্য অনুমতি চাইলেন। আমি তাকে ফিরিয়ে দিলাম। (রাবী) ইবনু জুরায়জ বলেন, আমাকে হিশাম বলেছেন, ঐ ব্যক্তি তো আবূল কু'আয়স। যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন তখন আয়িশাহ্ (রাযিঃ) তাকে উক্ত ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বললেন, কেন তুমি তাকে অনুমতি প্রদান করলে না? ধূলায় ধূসরিত হোক তোমার ডান হাত অথবা তিনি বলেছেন, ধূসরিত হোক তোমার হাত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৪৩, ইসলামীক সেন্টার)

12

কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, আফলাহ নামক তার দুধচাচা তার সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য অনুমতি চাইলেন। তিনি তাকে নিষেধ করে দেন। অতঃপর তিনি এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অবহিত করলেন। তিনি তাকে বললেন, তুমি তার থেকে পর্দা করবে না। কেননা দুধ পানের সম্পর্ক দ্বারা ঐসব লোক হারাম হয়ে যায় যারা রক্ত সম্পর্ক দ্বারা হারাম হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৪৪, ইসলামীক সেন্টার ৩৪৪৩)।

13

উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয আল আম্বারী (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আফলাহ ইবনু কু'আয়স আমার সাথে সাক্ষাৎ করার অনুমতি চাইলেন। আমি তাকে অনুমতি প্রদানে অস্বীকার করলাম। অতঃপর তিনি লোক পাঠিয়ে আমাকে জানালেন যে, আমি তোমার চাচা। আমার ভাইয়ের স্ত্রী তোমাকে দুধপান করিয়েছেন। এরপরও আমি তাকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করি। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন এবং আমি তার কাছে এ বিষয় উল্লেখ করি। তিনি বললেন, সে তোমার নিকট আসতে পারে। কেননা, সে তোমার চাচা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৪৫, ইসলামীক সেন্টার)

14

আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ, যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনুল আ'লা (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার আপনি কুরায়শী মহিলাদের প্রতি আগ্রহী আর আমাদের প্রতি অমনোযোগী? তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছে নাকি? আমি বললাম, হ্যাঁ, হামযার কন্যা। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে আমার জন্য হালাল নয়। কেননা, সে আমার দুধ ভাইয়ের কন্যা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৪৬, ইসলামীক সেন্টার)

15

উসমান ইবনু শায়বাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, ইবনু নুমায়র, মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর মুকদ্দামী (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... সবাই আ'মাশ (রহঃ) সূত্রে উপরোক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৪৭, ইসলামীক সেন্টার)

16

হাদ্দাব ইবনু খালিদ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে হামযার কন্যার বিবাহের প্রস্তাব দেয়া হয়। তিনি বললন, সে আমার জন্য হালাল নয়। কেননা সে আমার দুধ ভাইয়ের কন্যা। আর দুধপান দ্বারা ঐসব লোক হারাম হয়ে যায় যারা রক্ত সম্পর্কের দ্বারা হারাম হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৪৮, ইসলামীক সেন্টার)

17

যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু মিহরান আল কুত্বা'ঈ ও আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ্ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... সাঈদ ইবনু আবূ আরুবাহ্ (রহঃ) এর সূত্রে সকলে কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে উক্ত হাম্মাদের সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। তবে শু'বার হাদীসে দুধ ভাইয়ের মেয়ে পর্যন্ত এবং সাঈদের হাদীসে এ-ও আছে, দুধ সম্পর্কে তারা হারাম হয়ে যায় যারা রক্ত সম্পর্কে হারাম হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৪৯, ইসলামীক সেন্টার)

18

হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বলা হল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি হামযার কন্যার সাথে বিবাহ সম্পর্ক স্থাপন থেকে দূরে কেন অথবা বলা হল আপনি কেন হামযাহ্ ইবনু আবদুল মুত্ত্বালিবের কন্যাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন না? তিনি বললেন, হামযাহ হল আমার দুধ ভাই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৫০, ইসলামীক সেন্টার)

19

আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনুল আলী (রহঃ) ..... উম্মু হাবীবাহ বিনতু আবূ সুফইয়ান (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে আসলেন। আমি তাকে বললাম, আপনার কি আমার বোন বিনত আবূ সুফইয়ানের প্রতি আগ্রহ আছে? তিনি বললেন, আমি কী করব? আমি বললাম, আপনি তাকে বিবাহ করবেন। তিনি বললেন, তুমি কি তা পছন্দ কর? আমি বললাম, আমি তো একাই আপনাকে চাচ্ছি না। আপনার সান্নিধ্য কল্যাণ লাভে আমার সঙ্গে যারা শারীক হয়েছে তাদের সাথে আমার বোনও থাকুক, আমি তাই বেশি পছন্দ করি। তিনি বললেন, সে আমার জন্য হালাল নয়। আমি বললাম, আমি এ মর্মে অবহিত হয়েছি যে, আপনি আবূ সালামার কন্যা দুররাহ-কে বিবাহ করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বললেন, উম্মু সালামার কন্যা? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, যদি সে আমার কোলে প্রতিপালিতা নাও হতো তাহলেও সে আমার জন্য হালাল হত না। যেহেতু সে হল আমার দুধ ভাইয়ের কন্যা। আমাকে এবং তার পিতা আবূ সালামাকে সুওয়ায়বা দুধপান করিয়েছেন। অতএব তোমরা আমার সাথে তোমাদের কন্যা ও ভগ্নিদের বিবাহের প্রস্তাব পেশ করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৫১, ইসলামীক সেন্টার)

20

সুওয়ায়দ ইবনু সাঈদ ও আমর আন নাকিদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... হিশাম ইবনু উরওয়াহ (রহঃ) সূত্রে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৫২, ইসলামীক সেন্টার)

21

মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ ইবনু মুহাজির (রহঃ) ..... রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মু হাবীবাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমার বোন আযযাহ-কে বিবাহ করুন। তিনি বললেন, তুমি কি তা পছন্দ কর? তিনি বললেন, হ্যাঁ, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি তো আপনাকে একাকী চাচ্ছি না। আর কল্যাণে যে আমার শারীক হবে, সে আমার বোন হওয়াই বেশি পছন্দ করি। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে তো বিবাহ করা আমার জন্য হালাল নয়। তিনি বলেন, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে যে, আপনি আবূ সালামার কন্যা দুররাহ-কে বিবাহ করার ইচ্ছা রাখেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- আবূ সালামার কন্যা? তিনি উত্তর করলেন, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি সে আমার অভিভাবকত্বে প্রতিপালিতা নাও হতো তবু সে এ কারণে আমার জন্য হালাল হতো না যে, সে আমার দুধ ভাইয়ের কন্যা। আমাকে ও তার পিতা আবূ সালামাকে সুওয়ায়বাহ দুধপান করিয়েছেন। তাই তোমরা আমার কাছে তোমাদের কন্যা ও ভগ্নিদের বিবাহের প্রস্তাব পেশ করো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৫৩, ইসলামীক সেন্টার)

22

আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনুল লায়স এবং আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) যুহরী (রহঃ) সূত্রে ইবনু আবূ হাবীব এর সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, কিন্তু ইয়াজীদ ইবনু হাবীব (রহঃ) ব্যতীত তারা কেউ নিজে হাদীসে 'আযযার নাম উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৫৪, ইসলামীক সেন্টার)

23

যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও সুওয়ায়দ ইবনু সাঈদ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সুওয়ায়দ ও যুহায়রের বর্ণনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দু'এক চুমুকে হারাম করে না।' (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৫৫, ইসলামীক সেন্টার)

24

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আমর আন্‌ নাকিদ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... উম্মুল ফাযল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক বেদুঈন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলো। সে বলল, হে আল্লাহর নবী! আমার এক স্ত্রী ছিল। তার উপর আর একটি বিবাহ করলাম। এমতাবস্থায় প্রথমা স্ত্রী বলছে যে, সে আমার নবাগতা স্ত্রীকে এক চুমুক বা দু’চুমুক দুধ পান করিয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এক চুমুক বা দু’চুমুক হারাম করে না। আমর (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু হারিস ইবনু নাওফাল এর বর্ণনায় অনুরূপ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৫৬, ইসলামীক সেন্টার)

25

আবূ গাসসান আল মিসমাঈ, ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... উম্মুল ফাযল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, বানী আমির ইবনু সাসা'আহ এর এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর নবী! একবার মাত্র দুধপানে কি (বিবাহ) হারাম সাব্যস্ত করে? তিনি বললেন, না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৫৭, ইসলামীক সেন্টার)

26

আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... উম্মুল ফাযল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একবার দু'বার দুধপান অথবা এক চুমুক, দু’চুমুক হারাম সাব্যস্ত করে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৫৮, ইসলামীক সেন্টার)

27

আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইবনু আবূ আরবাহ (রহঃ) সূত্রে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণিত। ইসহাক ইবনু বিশর এর রিওয়ায়াতে বলেন, দু'বার দুধপান অথবা দু’চুমুক। ইবনু আবূ শায়বাহ বলেন, দু’বার দুধপান অথবা দু’চুমুক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৫৯, ইসলামীক সেন্টার)

28

ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... উম্মুল ফাযল (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার কিংবা দু'বার চুমুকে হারাম করে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৬০, ইসলামীক সেন্টার)

29

আহমাদ ইবনু সাঈদ আদ দারিমী (রহঃ) ..... উম্মুল ফাযল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করল, এক চুমুক দুধপান কি হারাম করে? তিনি বললেন, না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৬১, ইসলামীক সেন্টার)

30

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ...... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরআনে এ আয়াতটি নাযিল হয়েছিলعَشْرُ رَضَعَاتٍ مَعْلُومَاتٍ “দশবার দুধপানে হারাম সাব্যস্ত হয়"। অতঃপর তা রহিত হয়ে যায়خَمْسٍ مَعْلُومَاتٍ এর দ্বারা “পাঁচবার পান দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয়"। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন অথচ ঐ আয়াতটি কুরআনের আয়াত হিসেবে তিলাওয়াত করা হত।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৬২, ইসলামীক সেন্টার)

31

আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ আল কা'নবী (রহঃ) ..... আমরাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন, যখন তিনি দুধপানের ঐ পরিমাণ সম্পর্কে আলোচনা করলেন যার দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয়। আমরাহ বললেন যে, আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেছিলেন, আল-কুরআনে নাযিল হয়عَشْرُ رَضَعَاتٍ مَعْلُومَاتٍ "নির্ধারিত দশবার দুধপানে"। অতঃপর নাযিল হয়خَمْسٌ مَعْلُومَاتٌ "নির্ধারিত পাঁচবার দুধপানে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৬৩, ইসলামীক সেন্টার)

32

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আমরাহ্ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত যে, তিনি ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) কে অনুরূপ বলতে শুনেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৬৪, ইসলামীক সেন্টার)

33

আমর আন্‌ নাকিদ ও ইবনু আবূ উমর (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সুহায়ল এর কন্যা সাহলাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট হাযির হয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার সাথে সালিমের দেখা সাক্ষাৎ করার কারণে আমি আবূ হুযায়ফার মুখমণ্ডলে অসন্তুষ্টির আলামত দেখতে পাচ্ছি অথচ সালিম হল তার হালীফ (পোষ্য পুত্র)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তাকে দুধপান করিয়ে দাও। তিনি বললেন, আমি কেমন করে তাকে দুধপান করাব, অথচ সে একজন বয়স্ক পুরুষ। এতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসি দিলেন এবং বললেন, আমি জানি যে, সে একজন বয়স্ক পুরুষ। আমর (রাবী) তার হাদীসে অতিরিক্ত বলেছেন, সালিম বাদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আর ইবনু আবূ উমারের বর্ণনায় রয়েছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৬৫, ইসলামীক সেন্টার)

34

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হানযালী ও মুহাম্মদ ইবনু আবূ উমর (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবূ হুযায়ফার মুক্তদাস সালিম (রহঃ) আবূ হুযায়ফাহ্ ও তার পরিবারের সাথে একই ঘরে বসবাস করত। একদা সুহায়লের কন্যা (হুযায়ফার স্ত্রী) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, সালিম বয়স্ক পুরুষের স্তরে পৌছে গেছে, সে বুঝে লোকে যা বুঝতে পারে অথচ সে আমাদের নিকট প্রবেশ করে থাকে। আমি ধারণা করি এ কারণে আবূ হুযায়ফার মনে অভিযোগের ভাব সৃষ্টি হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি তাকে দুধপান করিয়ে দাও, তুমি তার জন্য হারাম হয়ে যাবে এবং আবূ হুযায়ফার মনের অভিযোগ দূরীভূত হবে। অতঃপর তিনি তার (আবূ হুযায়ফার) নিকট ফিরে এসে বললেন, আমি তাকে (সালিমকে) দুধপান করিয়েছি। তাতে আবূ হুযায়ফার মনের অসন্তোষ দূর হয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৬৬, ইসলামীক সেন্টার)

35

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, সুহায়ল ইবনু আমর এর কন্যা সাহলাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! সালিম আবূ হুযায়ফার মুক্তদাস আমাদের সাথে একই ঘরে থাকে; অথচ সে বয়স্ক ও জ্ঞান সম্পন্ন পুরুষের স্তরে পৌছে গেছে। তিনি বললেন, তুমি তাকে দুধপান করিয়ে দাও, তাতে তুমি তার প্রতি হারাম হয়ে যাবে। রাবী (ইবনু আবূ মুলায়কাহ) বলেন, অতঃপর আমি এক বছর বা প্রায় এক বছর কাল ভয়ে উক্ত হাদীস বর্ণনা করিনি। অতঃপর কাসিমের সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, আপনি আমার নিকট এতদিন এমনি এক হাদীস বর্ণনা করেছেন যা আমি অদ্যাবধি কারোর নিকট বর্ণনা করিনি। তিনি বললেন, তা কোন হাদীস? তখন আমি তাকে ঐ হাদীসখানার বিষয়ে অবহিত করলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি তা আমা হতে এ সূত্রে বর্ণনা কর যে, আয়িশাহ্ (রাযিঃ) আমাকে সে সম্পর্কে অবহিত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৬৭, ইসলামীক সেন্টার)

36

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... যায়নাব বিনতু উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বললেন, তোমার নিকট বালিগ হওয়ার নিকটবর্তী ছেলে প্রবেশ করে থাকে, কিন্তু আমার নিকট ঐ ধরনের ছেলের প্রবেশ করাকে পছন্দ করি না। রাবী বলেন, “আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, তোমার জন্য কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মধ্যে সুন্দর আদর্শ বিদ্যমান নেই? তিনি আরো বললেন, একদা আবূ হুযায়ফার স্ত্রী আরয করল, হে আল্লাহর রসূল! সালিম আমার নিকট প্রবেশ করে থাকে, অথচ সে একজন বয়স্ক পুরুষ এবং এজন্য আবূ হুযায়ফার অন্তরে কিছুটা অসন্তোষভাব বিদ্যমান। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তাকে তোমার দুধ পান করিয়ে দাও যাতে সে তোমার নিকট প্রবেশ করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৬৮, ইসলামীক সেন্টার)

37

আবূ ত্বাহির ও হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) একদিন আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বললেন, আল্লাহর কসম আমি পছন্দ করি না যে, যে ছেলে দুধপানের সম্পর্ক থেকে মুক্ত আমাকে দেখুক। তিনি বললেন, কেন? একদা সুহায়ল এর কন্যা সাহ্‌লাহ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম আমার নিকট সলিমের প্রবেশ করার কারণে আমি আবূ হুযায়ফার মুখমণ্ডলে অসন্তোষের লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে তোমার দুধপান করিয়ে দাও। সাহলাহ্ বললেন, সে (সালিম) তো দাড়ি বিশিষ্ট। তিনি বললেন, তুমি তাকে দুধ পান করিয়ে দাও, তাতে আবূ হুযায়ফার মুখমণ্ডলের মলিনতা দূর হয়ে যাবে। সাহলার বর্ণনা, আমি আল্লাহর কসম করে বলছি যে, তারপরে আমি আবূ হুযায়ফার চেহারায় মলিনতা আর দেখতে পাইনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৬৯, ইসলামীক সেন্টার)

38

“আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনুল লায়স (রহঃ) ..... উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) বলতেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সকল সহধর্মিণী দুধপান সম্পর্কের দ্বারা কাউকে তাদের নিকট প্রবেশ করতে নিষেধ করেন এবং তারা আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে বলেন, আল্লাহর কসম আমরা এটাকে (প্রাপ্ত বয়সে দুধপান দ্বারা হুরমত সাব্যস্ত হওয়াকে) একটি বিশেষ অনুমতি মনে করি যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল সালিমের জন্য দিয়েছিলেন। অতএব এ ধরনের দুধপানের মাধ্যমে কেউ আমাদের নিকট প্রবেশ করতে পারবে না এবং আমাদের প্রতি দৃষ্টিপাতও করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭০, ইসলামীক সেন্টার)

39

হান্নাদ ইবনু আস সারী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট এলেন তখন আমার নিকট একজন পুরুষ উপবিষ্ট ছিলেন। তাতে তার মন অতি ভারাক্রান্ত হয় এবং আমি তার চেহারায় ক্রোধের আলামত দেখতে পেলাম। তিনি বলেন, আমি তখন বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! এ ব্যক্তি আমার দুধভাই। তিনি বলেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কারা তোমাদের দুধ ভাই, তা তোমরা ভাল করে দেখে নিও। কেননা রযা'আহ সাবিত হয় যখন দুধপানের দ্বারা সন্তানের ক্ষুধা নিবারিত হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭১, ইসলামীক সেন্টার)

40

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার, উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, যুহায়র ইবনু হারব ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... সকলেই আশ'আস ইবনু শা'সা আবূল আহওয়াস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের মর্মানুযায়ী বর্ণনা করেন। তবে তারা বলেন, “ক্ষুধার কারণ”। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭২, ইসলামীক সেন্টার)

41

উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার আল মায়সারাহ আল কাওয়ারীরী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনায়ন এর যুদ্ধের সময় একটি দল আওত্বাস এর দিকে পাঠান। তারা শক্র দলের মুখোমুখী হয়ে তাদের সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে এবং তাদের অনেক কয়েদী তাদের হস্তগত হয়। এদের মধ্য থেকে দাসীদের সাথে যৌন সঙ্গম করা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কয়েকজন সাহাবা যেন নাজায়িয মনে করলেন, তাদের মুশরিক স্বামী বর্তমান থাকার কারণে। আল্লাহ তা'আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন "এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ" অর্থাৎ তারা তোমাদের জন্য হালাল, যখন তারা তাদের ইদ্দাত (ইদ্দত) পূর্ণ করে নিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৩, ইসলামীক সেন্টার)

42

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহিমাহুমুল্লাহ) ...... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনায়ন যুদ্ধের সময় একটি ছোট সেনাদল পাঠান- পরবর্তী অংশ ইয়াযীদ ইবনু যুরা'য় এর হাদীসের মর্মানুসারে। তবে এতে রয়েছে- তাদের (সধবাদের) মধ্য থেকে যারা তোমাদের অধিকারভুক্ত তারা তোমাদের জন্য হালাল। এ বর্ণনায় "যখন তারা তাদের ইদ্দাত (ইদ্দত) পূর্ণ করে নিবে" অংশটুকুর উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৪, ইসলামীক সেন্টার)

43

ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) এর সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৫, ইসলামীক সেন্টার)

44

ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) ... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) বলেন, আওত্বাস এর যুদ্ধে কিছু কয়েদী সাহাবীগণের হস্তগত হয়, যাদের স্বামী ছিল। তারা (তাদের সাথে সঙ্গম করতে) ভয় পেলেন। তখন এ আয়াতটি নাযিল হয়- "এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ।।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৬, ইসলামীক সেন্টার)

45

ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৭, ইসলামীক সেন্টার)

46

কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাদ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস এবং আবদ ইবনু যাম'আহ উভয়ে একটি সন্তানের ব্যাপারে ঝগড়া করেন। সা'দ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ সন্তান উতবাহ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস, আমার ভাইয়ের ছেলে। তিনি আমাকে ওয়াসিয়্যাত করেছেন যে, এ সন্তান তারই পুত্র। আপনি তার সাদৃশ্যের প্রতি লক্ষ্য করুন। আর আবদ ইবনু যাম'আহ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ সন্তান আমার ভাই। আমার পিতার ঔরসে দাসীর গর্ভে জন্মলাভ করেছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্তানটির গঠনাকৃতির দিকে লক্ষ্য করলেন। দেখতে পেলেন উতবার সাথে স্পষ্ট সাদৃশ্য রয়েছে। তখন তিনি বললেন, হে আবদ (ইবনু যাম'আহ) সন্তান তো বিছানার অধিপতির আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর (এর শাস্তি)। হে সাওদা বিনত যাম'আহ! তুমি এর থেকে পর্দা করবে। ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, অতঃপর সে কখনো সাওদাহ (রাযিঃ) কে দেখেনি। মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ "ইয়া 'আবদু" শব্দটি উল্লেখ করেনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৮, ইসলামীক সেন্টার)

47

সাঈদ ইবনু মানসূর, আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ, আমর আন নাকিদ ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে উভয়ে তাদের হাদীসে শুধু সন্তান তো বিছানার অধিপতির কথাটুকু বর্ণনা করেছেন এবং 'ব্যভিচারীর জন্য পাথর' অংশের উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৭৯, ইসলামীক সেন্টার)

48

মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিছানা যার সন্তান তার, আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর (এর শাস্তি)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৮০, ইসলামীক সেন্টার)

49

সাঈদ ইবনু মানসূর, যুহায়র ইবনু হারব, ‘আবদুল আ'লা ইবনু হাম্মাদ ও আমর আন নাকিদ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে, সাঈদ ও আবূ সালামাহ্ অথবা তাদের একজন সূত্রে আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে, আমর থেকে মা'মার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৮১, ইসলামীক সেন্টার)

50

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনি আনন্দে আমার নিকট প্রবেশ করলেন যে, তার চেহারার রেখাগুলো চমকাচ্ছিল। তিনি বললেন, হে ‘আয়িশাহ! তুমি কি জান না যে, সবে মাত্র মুজায্‌যিয যায়দ ইবনু হারিসাহ এবং উসামাহ্ ইবনু যায়দ এর দিকে দৃষ্টিপাত করে বলে গেল যে, এদের উভয়ের পাগুলো পরস্পরের অঙ্গ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৮২, ইসলামীক সেন্টার)

51

আমর আন নাকিদ, যুহায়র ইবনু হারব ও আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহিমাহুমুল্লাহ) ...... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে প্রবেশ করলেন, খুব প্রফুল্ল চিত্তে। তিনি বললেনঃ হে আয়িশাহ! তুমি কি জান না যে, এ মুজায্‌যিয-ই মুদলিজী আমার কাছে প্রবেশ করে উসামাহ্ এবং যায়দকে দেখতে পেল। তারা ঢাকা ছিল এবং তাদের মাথাও আবৃত ছিল ও পা বেরিয়ে ছিল। তখন সে বলল, এ পাগুলো পরস্পর পরস্পর থেকে অভিন্ন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৮৩, ইসলামীক সেন্টার)

52

মানসূর ইবনু আবূ মুযাহিম (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক কায়িফ এলো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে উপস্থিত ছিলেন। উসামাহ্ ইবনু যায়দ ও যায়দ ইবনু হারিসাহ তখন ঘুমন্ত ছিলেন। কায়িফ তাদের দেখে বললেন, এদের উভয়ের পা-গুলো পরস্পর পরস্পর থেকে অভিন্ন। এ মন্তব্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুশী হলেন এবং আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে অবহিত করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৮৪, ইসলামীক সেন্টার)

53

হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... সকলেই যুহরী (রহঃ) সূত্রে তাদের সানাদে হাদীসের মর্মানুযায়ী বর্ণনা করেন। তবে ইউনুস বর্ণিত হাদীসে অতিরিক্ত আছে, তিনি ছিলেন একজন কায়িফ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৮৫, ইসলামীক সেন্টার)

54

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উম্মু সালামাকে বিবাহ করেন, তখন তিনি তার কাছে তিনদিন অবস্থান করেন এবং তিনি বলেন, তোমার ব্যাপারে তোমার গৃহকর্তার কাছে কোন প্রকার অবজ্ঞা নেই। তুমি যদি চাও তাহলে আমি তোমার কাছে সাতদিন থাকব। যদি আমি তোমার কাছে সাতদিন থাকি তবে আমার অন্যান্য স্ত্রীদের সঙ্গেও সাতদিন করে থাকব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৮৬, ইসলামীক সেন্টার)

55

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ বকর ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) কে বিয়ে করলেন এবং তিনি (উম্মু সালামাহ) (রাত যাপনের পরে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থাকা অবস্থায় যখন সকাল হল তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তোমার প্রতি তোমার স্বামীর কোন অনাদর অনাগ্রহ নেই। তুমি চাইলে তোমার কাছে সাতদিন (একাধারে) অবস্থান করব এবং তুমি চাইলে তিনদিন করব, এরপর (পালা করে) পরিক্রমা করব। উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) বললেন, তিনদিন (অবস্থান) করুন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৮৭, ইসলামীক সেন্টার)

56

আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ আল কা'নবী (রহঃ) ..... আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) কে বিয়ে করলেন এবং তার সঙ্গে বাসর যাপনের পর বের হয়ে যাওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) তার কাপড় টেনে ধরলেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি চাইলে তোমার এখানে (অবস্থানের মেয়াদ) বাড়িয়ে দিব এবং তোমার নামে তা হিসাবে ধরব। (নিয়ম হল নব বিবাহিতা) কুমারীর জন্য সাতদিন ও বিধবার জন্য তিনদিন (প্রাথমিক অধিকার)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৮৮, ইসলামীক সেন্টার)

57

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুর রহমান ইবনু হুমায়দ (রহঃ) সূত্রে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৮৯, ইসলামীক সেন্টার)

58

আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনুল ‘আলী (রহঃ) ..... আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান ইবনুল হারিস ইবনু হিশাম (রহঃ) এর সূত্রে উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বিয়ে করলেন এবং তিনি কতিপয় বিষয় উল্লেখ করেছেন যার মাঝে এ কথাটিও রয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তুমি যদি চাও তবে আমি তোমাকে সাতদিন সময় দিব এবং আমার অন্য স্ত্রীদেরও সাতদিন করে সময় দিব। তোমাকে সাতদিন সময় দিলে আমার অন্য স্ত্রীদেরও সাতদিন করে সময় দিতে হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৯০, ইসলামীক সেন্টার)

59

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিধবা (স্ত্রী ঘরে থাকা অবস্থায়) কুমারীকে বিয়ে করলে তার কাছে (প্রথমবারে লাগাতার) সাতদিন অবস্থান করবে এবং কুমারী স্ত্রী থাকা অবস্থায় বিধবাকে বিয়ে করলে তার কাছে তিনদিন অবস্থান করবে। (মধ্যবর্তী রাবী) খালিদ বলেন, যদি আমি বলি যে, তিনি (উর্ধ্বতন রাবী আনাস) হাদীসটির সানাদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত উন্নীত করে মারফু করেছেন তবে আমি তা সত্য বলেই জানব। কিন্তু তিনি বলেছিলেন, সুন্নাত সম্মত করেছেন তবে আমি তা সত্য বলেই জানব। বরং তিনি বলেছিলেন, (নতুন সহধর্মিণীর নিকট) অবস্থান করা সুন্নাতসম্মত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৯১, ইসলামীক সেন্টার)

60

মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সুন্নাত পদ্ধতি হল (নব বিবাহিতা) কুমারীর নিকট সাতদিন অবস্থান করা। খালিদ (রহঃ) বলেন, আমি চাইলে বলতে পারি যে, তিনি আনাস (রাযি) হাদীসটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত মারফু সানাদে উন্নীত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৯২, ইসলামীক সেন্টার)

61

আবূ বাকর আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, শেষ পর্যায়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নয়জন সহধর্মিণী ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের মাঝে পালাবণ্টন কালে নয় দিনের আগে (পালার) প্রথম স্ত্রীর কাছে পুনরায় পৌছতেন না। প্রতি রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ঘরে অবস্থান করতেন সেখানে তারা (নবী পত্নীগণ) সমবেত হতেন। একরাতে তিনি যখন আয়িশাহ্ (রাযিঃ) এর ঘরে ছিলেন তখন যায়নাব (রাযিঃ) সেখানে আগমন করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে নিজের হাত প্রসারিত করলেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, ও তো যায়নাব! ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত গুটিয়ে নিলেন। তখন তারা দু'জন (আয়িশাহ ও যায়নাব) কথা কাটাকাটি করতে লাগলেন। এমনকি তাদের কথা কাটাকাটিতে পরিণত হলো, ইতিমধ্যে সালাতের ইকামাত (এর সময় উপস্থিত) হলে আবূ বাকর (রাযিঃ) সেখানে দিয়ে (সালাতে) যাচ্ছিলেন। তিনি ঐ দু'জনের আওয়াজ শুনতে পেয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি বের হয়ে আসুন এবং ওদের মুখে ধূলা-মাটি ছুড়ে (দিয়ে মুখ বন্ধ করে) দিন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে এলেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, এখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করবেন, তার পরে তো আবূ বাকর (রাযিঃ) এসে আমাকে বকাঝকা ও গালমন্দ করবেন, পরে (তা-ই হল)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালাত সমাধা করলে আবূ বাকর (রাযিঃ) আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকটে এসে তাকে কড়া কথা বললেন এবং বললেন, তুমি এমনটা করে থাক! (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৯৩, ইসলামীক সেন্টার)

62

যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) .... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাওদাহ বিনত যাম্'আহ (রাযিঃ) এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয়া কোন নারীকে আমি দেখিনি যার দেহের মধ্যে আমি আমার অবস্থান পছন্দ করব- এমন এক নারী যার মাঝে ছিল (ব্যক্তিত্ব সুলভ) তেজস্বিতা। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, বৃদ্ধ হয়ে গেলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তার প্রাপ্য (পালার) দিনটি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে হিবা করে দিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার কাছে আমার পালার দিনটি আয়িশার জন্য দিয়ে দিলাম। ফলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য দুদিন পালা বণ্টন করতেন, তার নিজের (এক) দিন এবং সাওদাহ (রাযিঃ) এর (এক) দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৯৪, ইসলামীক সেন্টার)

63

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ‘আমর আন নাকিদ ও মুজাহিদ ইবনু মূসা (রহিমাহুমুল্লাহ) সকলে হিশাম (রহঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত সানাদে রিওয়ায়াত করেন যে, সাওদাহ (রাযিঃ) যখন বৃদ্ধ হয়ে গেলেন... (পূর্বোক্ত যুহায়র সানাদের ঊর্ধ্বতন রাবী) জারীর (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ। তবে (মুজাহিদ সানাদের ঊর্ধ্বতন রাবী) শাকীক (রহঃ) তার হাদীসে অধিক বলেছেন যে, সাওদাহ্ (রাযিঃ) বলেছেন, সে [আয়িশাহ (রাযিঃ)] ছিল প্রথম নারী (কুমারী) যাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পরে বিয়ে করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৯৫, ইসলামীক সেন্টার)

64

আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনুল আলী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে নারীরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (স্ত্রী হওয়ার জন্য) আত্মনিবেদিতা হত আমি তাদের নির্লজ্জতায় বিস্ময় প্রকাশ করতাম এবং বলতাম, কোন নারী কি (এভাবে নির্লজ্জ হয়ে) আত্মনিবেদন করতে পারে? পরে যখন আল্লাহ তা'আলা এ আয়াত নাযিল করলেন- "তুমি তাদের (স্ত্রীগণের মধ্যে) যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট হতে দূরে সরিয়ে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার এবং যাকে তুমি দূরে রেখেছো তাকে (পুনরায়) কামনা করলে তাতে তোমার কোন অপরাধ হবে না"- (সূরা আল আহযাব ৩৩ঃ ৫১)। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি তখন বললামঃ আল্লাহর কসম! আমি তো দেখছি আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুতই সাড়া দিয়ে থাকেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৯৬, ইসলামীক সেন্টার)

65

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলতেন, কোন নারী কি কোন পুরুষের কাছে নিজেকে নিবেদন করতে লজ্জাবোধ করে না? অবশেষে আল্লাহ নাযিল করলেন, "তুমি তাদের যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট থেকে দূরে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার" তখন আমি বললাম, "অবশ্যই আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৯৭, ইসলামীক সেন্টার)

66

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... 'আত্বা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা সারিফ নামক স্থানে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর সঙ্গে নবী পত্নী মায়মুনাহ (রাযিঃ) এর জানাযায় উপস্থিত ছিলাম। তখন ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, ইনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী। সুতরাং তোমার যখন তাঁর কফিন (লাশ) তুলবে তখন তাকে খুব জোরে নাড়া দিবে না এবং কাপাবে না; নরম ও আলতোভাবে তাকে তুলবে। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নয়জন স্ত্রী ছিলেন। তাদের আটজনের জন্য রাত যাপনের পালা নির্ধারণ করতেন এবং একজনের জন্য করতেন না। (মধ্যবর্তী) রাবী আত্বা (রহঃ) বলেন, যার জন্য পালা নির্ধারণ করতেন না তিনি হলেন সফিয়্যাহ্ বিনত হুয়াই ইবনু আখতাব (রাযিঃ)* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৯৮, ইসলামীক সেন্টার)

67

মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' ও 'আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) এর সূত্রে ঐ সানাদে বর্ণিত। এ বর্ণনায় অতিরিক্ত বলা হয়েছে, আত্বা (রহঃ) বলেছেন, তিনি (মায়মুনাহ) ছিলেন তাদের মাঝে সব শেষে মৃত্যুবরণকারিণী, তিনি মদীনায় মৃত্যুবরণ করেন।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪৯৯, ইসলামীক সেন্টার)

68

যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে (সাধারণত) মেয়েদের বিয়ে করা হয়- কন্যার ধন-সম্পদের কারণে, তার বংশীয় আভিজাত্যের কারণে, তার রূপ-গুণের কারণে এবং তার দীনদারীর কারণে। তুমি ধাৰ্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দু'হাত ধূলিমাখা হোক!* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০০, ইসলামীক সেন্টার)

69

মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আত্বা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়কালে আমি একটি মহিলাকে বিয়ে করলাম। পরে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি বললেন, হে জাবির! তুমি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, জি হ্যাঁ। তিনি বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললাম, বিধবা। তিনি বললেন, তবে কুমারী নয় কেন? তুমি তার সঙ্গে সোহাগ-স্ফূর্তি করতে পারতে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার কয়েকটি (অবিবাহিতা) বোন রয়েছে তাই আমার আশংকা হল যে, বধূ (কুমারী হলে সে) আমার ও বোনদের মাঝে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় কিনা। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তবে তা-ই ঠিক। মহিলাকে বিয়ে করা হয় তার দীনদারীর কারণে, তার সম্পদের কারণে ও তার রূপ-লাবণ্যের কারণে। তুমি ধাৰ্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দু'হাত ধূলিমাখা হোক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০১, ইসলামীক সেন্টার)

70

উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জনৈকা মহিলাকে বিয়ে করলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, কোন কুমারীকে না বিধবাকে? আমি বললাম, একটি বিধবাকে। তিনি বললেন, তবে কুমারী ও তার আমোদ-স্ফূর্তি হতে তুমি কতদূরে? (মধ্যবর্তী) রাবী শুবাহ্ (রহঃ) বলেন, পরে আমি আমর ইবনু দীনার (রহঃ) এর নিকট এ হাদীস উল্লেখ করলে তিনি বললেন, আমিও তো জাবির (রাযিঃ) এর নিকট তা শুনেছি। তিনি তো বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেনঃ তবে কোন কিশোর (তরুণী) কে কেন নয়— যে তোমার সঙ্গে হাসি-তামাসা করত, তুমিও তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করতে? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০২, ইসলামীক সেন্টার)

71

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবূ রবী' আয যাহরানী (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবদুল্লাহ (রাযিঃ) মৃত্যু (শাহাদাত) বরণ করলেন এবং নয়টি (কিংবা তিনি বলেছেন, সাতটি) কন্যা রেখে গেলেন। পরে আমি (জাবির) এক বিধবা মহিলাকে বিয়ে করলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, হে জাবির! তুমি বিয়ে করেছো? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তা কুমারী না বিধবা? আমি বললামঃ বরং বিধবা হে আল্লাহর রসূল! তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে তা কোন তরুণী (কুমারী) কেন নয় যে, (ইয়াহইয়া রিওয়ায়াতে) তুমি তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করবে, সেও তোমার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করবে কিংবা তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেন, তুমি তার সঙ্গে হাস্য-রস করতে, সেও তোমার সঙ্গে হাস্য-রস করত। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি তাকে বললাম, (আমার পিতা) আবদুল্লাহ নয়টি (কিংবা সাতটি) মেয়ে রেখে মৃত্যুবরণ করেছেন এবং আমি তাদের মাঝে তাদের মতো একজনকে নিয়ে আসা অপছন্দ করলাম। তাই আমি এমন একটি মহিলাকে নিয়ে আসা পছন্দ করলাম যে তাদের দেখাশুনা করবে এবং তাদের শুধরে দিবে ও গড়ে তুলবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দান করুন। তিনি আমাকে (এ ধরনের) কোন উত্তম কথা বললেন। আবূ রবী (রহঃ) এর রিওয়ায়াতে রয়েছে- "তুমি তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করবে ও তার সঙ্গে হাস্যরস করবে, সেও তোমার সঙ্গে হাস্য রস করবে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৩, ইসলামীক সেন্টার)

72

কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি কি বিবাহ করেছো, হে জাবির? তিনি হাদীসটির পূর্ণ বর্ণনা দিয়েছেন- যার শেষে রয়েছে এমন একটি মহিলাকে যে তাদের তত্ত্বাবধান করবে এবং তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তুমি সঠিক করেছো" ..... এর পরের অংশ তিনি (কুতায়বাহ) উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৪, ইসলামীক সেন্টার)

73

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক যুদ্ধে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা যখন প্রত্যাগমন করতে লাগলাম তখন আমি আমার একটি ধীরগামী উটে করে দ্রুত চলার চেষ্টা করলাম। আমার পিছন থেকে একজন আরোহী আমার সঙ্গে মিলিত হল এবং সে তার হাতের একটি ছোট্ট বর্শা দিয়ে আমার উটকে খোচা দিল। ফলে আমার উটটি তোমার দেখা উটপালের শ্রেষ্ঠ উটের ন্যায় দ্রুতগতিতে চলতে লাগল। আমি তখন পিছনের দিকে তাকলাম- দেখি যে, আমি রয়েছি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পাশে। তিনি বললেন, হে জাবির তোমার এ ব্যস্ততা কেন? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি ঘরে নতুন স্ত্রী রেখে এসেছি। তিনি বললেন, তুমি কি কোন কুমারীকে বিয়ে করেছে না কোন বিধবাকে? জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললামঃ বিধবাকে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কোন তরুণী (কুমারী)-কে কেন বিয়ে করলে না— যার সঙ্গে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে আমোদ-আহলাদ করত। জাবির (রাযিঃ) বললেন, আমরা যখন মাদীনার সন্নিকটে উপনীত হয়ে সেখানে প্রবেশ করতে উদ্যত হলাম তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, একটু অবকাশ দাও, রাত পর্যন্ত অর্থাৎ ইশার সময় আমরা প্রবেশ করব- যাতে এলোকেশিনী তার কেশ বিন্যাস করে নিতে পারে এবং স্বামী প্রবাসিনী পরিচ্ছন্নতা অর্জনের প্রস্তুতি নিতে পারে। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বললেন, তুমি যখন পৌছে যাবে তখন সঙ্গ সুখ লাভ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৫, ইসলামীক সেন্টার)

74

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে একটি যুদ্ধের উদ্দেশে বের হলাম। আমার উটটি আমাকে ধীরগামিতার শিকার বানাল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আমার কাছে এসে আমাকে বললেন, হে জাবির! আমি বললাম, জী। তিনি বললেন, তোমার ব্যাপার কী? আমি বললাম, আমার উট আমাকে ধীরগামিতায় ফেলে দিয়েছে এবং পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে। ফলে আমি পিছনে পড়ে গিয়েছি। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেমে পড়ে তার (বাকামাথা) লাঠি দিয়ে উটকে গুতো দিলেন। এরপর বললেন, আরোহণ কর, আমি তখন আরোহণ করলাম। আমি (উটটিকে তার অতি দ্রুতগামিতার কারণে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অতিক্রম করে যেতে দেখে ঠেকাতে লাগলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললামঃ বিধবা। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে কোন (কুমারীকে) কেন বিয়ে করলে না, যার সঙ্গে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে, সেও তোমার সঙ্গে আমোদ ফুর্তি করত? আমি বললাম, আমার বেশ কটি বোন (অবিবাহিতা) রয়েছে। তাই আমি এমন নারীকে বিয়ে করা পছন্দ করলাম যে তাদের গুছিয়ে রাখবে, তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে এবং তাদের দেখাশোনা করবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তো (মাদীনায়) উপনীত হতে যাচ্ছ, তাই যখন পৌছে যাবে তখন স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে। পরে তিনি বললেন, তোমার উটটি বেঁচবে কি? আমি বললাম, জী হ্যাঁ। তিনি তখন আমার নিকট হতে এক উকিয়্যার (চল্লিশ দিরহাম সমমূল্যের) বিনিময়ে কিনে নিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যথাসময়ে মাদীনায় পৌছলেন। আমিও সকালে আগমন করে মসজিদে (নবাবীতে) পৌছলাম এবং তাকে মসজিদের দরজায় পেয়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি যখন এলাম তুমি কি তখন এসেছো? আমি বললাম, জী হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে তোমার উটটি রেখে দাও এবং (মসজিদে) প্রবেশ করে দু’রাকাআত সালাত আদায় করে নাও। জাবির বলেন, আমি প্রবেশ করে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলাম। পরে ফিরে এলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এক উকিয়াহ ওজন করে দেয়ার জন্য বিলাল (রাযিঃ) কে হুকুম করলেন। বিলাল (রাযিঃ) তখন আমাকে ওজন করে দিলেন এবং ওজনে পাল্লা ঝুঁকিয়ে দিলেন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তখন আমি চলে যেতে লাগলাম। আমি কিছু দূর চলে গেলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ জাবিরকে আমার কাছে ডেকে আন। তখন আমাকে ডাকা হল। আমি (মনে মনে) বললাম, এখন উটটি আমাকে ফিরিয়ে দিবেন অথচ আমার কাছে ওর চেয়ে অধিক অপছন্দনীয় আর কিছু ছিল না। তিনি বললেন, "তোমার উট তুমি নিয়ে যাও আর তোমার মূল্য তোমারই রইল" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৬, ইসলামীক সেন্টার)

75

মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। আমি ছিলাম আমার একটি (পানিবাহী) উটের পিঠে। ওটি ছিল কাফিলার পশ্চাদ্বতীদের মাঝে। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে পিটুনী দিলেন কিংবা (বর্ণনা দ্বিধা) তিনি বলেছেন যে, তাকে খোঁচা দিলেন- আমার (আবূ নাযর) ধারণা তিনি (জাবির) বলেছেন যে, কোন কিছু দিয়ে যা তার সঙ্গে ছিল। জাবির (রাযিঃ) বলেন, এরপরে সে (উট) কাফিলার লোকদের আগে আগে চলে যেতে লাগল এবং আমাকে (আমার ধরে রাখা লাগামসহ) টেনে নিয়ে যেতে লাগল। এমন কি আমি তাকে ঠেকিয়ে রাখছিলাম। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-বললেন এত এত-এর বিনিময়ে এটি তুমি আমার কাছে বেচবে কি? এবং আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললামঃ এটি আপনার জন্য, হে আল্লাহর নবী। তিনি বললেন, এত এত-তে সেটি তুমি আমার কাছে বেঁচবে কি? এবং আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, এটি আপনার। জাবির (রাযিঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আরও বললেন, তোমার পিতার (মৃত্যুর) পরে তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, জ্বি হ্যাঁ। তিনি বললেন, বিধবাকে না কুমারীকে? জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, বিধবাকে। তিনি বললেন, "তবে তুমি কোন কুমারীকে বিয়ে করলে না কেন- যে তোমাকে আমোদ-প্রমোদে রাখত আর তুমি তার সঙ্গে ক্রীড়া ক্ষুর্তি করতে।" (রাবী) আবূ নাযরাহ (রহঃ) বলেন, এ কথাটি (অর্থাৎ আল্লাহ তোমার মাগফিরাত করুন!) ছিল একটি বাক্যাংশ যা মুসলিমগণ তাদের কথাবার্তায় (কথার মাত্রা ও বাচনভঙ্গী রূপে) উচ্চারণ করতেন। তারা বলতেন এরূপ ও এমন কর...আল্লাহ তোমার মাগফিরাত করুন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৯, ইসলামীক সেন্টার)

76

মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র আল হামদানী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুনিয়া উপভোগের উপকরণ (ভোগ্যপণ্য) এবং দুনিয়ার উত্তম উপভোগ্য উপকরণ পুণ্যবতী নারী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৬, ইসলামীক সেন্টার)

77

হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নারী পাঁজরের হাড়ের ন্যায় (বাকা)। যখন তুমি তাকে সোজা করতে যাবে তখন তা ভেঙ্গে ফেলবে আর তার মাঝে বক্রতা রেখে দিয়েই তা দিয়ে তুমি উপকার হাসিল করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৮, ইসলামীক সেন্টার)

78

যুহায়র ইবনু হারব ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... ইবনু শিহাব যুহরী (রহঃ) এর সূত্রে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৮, ইসলামীক সেন্টার)

79

আমর আন নাকিদ ও ইবনু আবূ উমর (রহিমাহমাল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পাঁজরের একটি হাড় দিয়ে। সে কখনো তোমার জন্য কোন নিয়মতান্ত্রিকতায় স্থির থাকবে না। সুতরাং তুমি যদি তাকে দিয়ে উপকৃত হতে চাও তবে তার বক্রতা অবশিষ্ট রেখেই তাকে দিয়ে উপকৃত হতে হবে। আর তাকে সোজা করতে গেলে তুমি তাকে ভেঙ্গে ফেলবে- আর তাকে ভেঙ্গে ফেলা অর্থ হল তাকে তলাক (তালাক) দেয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১০, ইসলামীক সেন্টার)

80

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, সে যখন কোন বিষয় প্রত্যক্ষ করবে তখন হয়ত উত্তম কথা বলবে অন্যথায় চুপ থাকবে। আর নারীদের প্রতি কল্যাণের (ও সদাচরণের) অঙ্গীকার গ্রহণ কর। কেননা পাজরের একটি হাড় দিয়ে নারী সৃজিত হয়েছে এবং পাঁজরের সবচেয়ে বেশি বাঁকা হল তার উপরের অংশ। তুমি তাকে সোজা করতে গেলে তা ভেঙ্গে ফেলবে। আর তাকে (যথাবস্থায়) ছেড়ে রাখলে তা সদা বাকা থেকে যাবে। নারীদের প্রতি কল্যাণের নাসীহাত গ্রহণ কর ও অঙ্গীকারাবদ্ধ হও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১১, ইসলামীক সেন্টার)

81

ইবরাহীম ইবনু মূসা আর রাযী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মুমিন পুরুষ কোন মুমিন নারীর প্রতি বিদ্বেষ-ঘৃণা পোষণ করবে না; (কেননা) তার কোন চরিত্র অভ্যাসকে অপছন্দ করলে তার অন্য কোন (চরিত্র-অভ্যাস) টি সে পছন্দ করবে। ..... কিংবা (এ ধরনের) অন্য কিছু বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১২, ইসলামীক সেন্টার)

82

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১৩, ইসলামীক সেন্টার)

83

হারূন ইবনু মা’রূফ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যদি হাওওয়া (আঃ) না হতেন তবে যুগ যুগান্তরে কোন নারী তার স্বামীর বিশ্বাস ভঙ্গ করত না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১৪, ইসলামীক সেন্টার)

84

মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... হাম্মাদ ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ হল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমাদের কাছে আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) এর বর্ণিত হাদীস। তিনি অনেক হাদীস উল্লেখ করেছেন। তার মাঝে অন্যতম ..... রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেনঃ বানূ ইসরাঈলীরা না হলে খাদ্য নষ্ট হত না এবং গোশত বিকৃত দুৰ্গন্ধযুক্ত হত না এবং হাওওয়া (আঃ) না হলে যুগ যুগান্তরে কোন নারী তার স্বামীর বিশ্বাস ভঙ্গ করত না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১৫, ইসলামীক সেন্টার)