42 - স্বপ্ন অধ্যায়
আমর আন নাকিদ (রহঃ), ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) .... আবূ সালামাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম যাতে ভয় পেয়ে জ্বর জ্বর ভাব অনুভব করতাম। তবে আমাকে কম্বল দিয়ে ঢাকতে হতো না। অবশেষে আমি আবূ কাতাদাহ্ (রাযিঃ) এর সঙ্গে দেখা করলাম এবং এ বিষয়টি তার নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি الرُّؤْيَا সু-স্বপ্ন আল্লাহর তরফ হতে, আর الْحُلْمُ খারাপ স্বপ্ন শাইতানের তরফ হতে। অতএব তোমাদের কেউ যখন এমন স্বপ্ন দেখে, যা সে পছন্দ করে না, তখন যেন সে তার বাম পাশে তিনবার থু থু ফেলে এবং এর অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে (অর্থাৎ- আউয়ুবিল্লাহ্ পড়ে), তাহলে সেটি তার ক্ষতি করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭০০, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ কাতাদাহ্ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এরা এদের বর্ণিত হাদীসে (পূর্বোল্লিখিত হাদীসের) বর্ণনাকারী আবূ সালামাহ (রহঃ) এর কথা— আমি স্বপ্ন দেখে ভয় পাওয়ার দরুন জ্বর জ্বর ভাব দেখা দিতো, কিন্তু আমাকে কম্বল দিয়ে ঢাকতে হতো না কথাটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭০১, ইসলামিক সেন্টার)
হারামালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাদের উভয়ের বর্ণিত হাদীসে– ভয় পেয়ে জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়তাম' উক্তিটি নেই। আর (প্রথম সূত্রে) বর্ণনাকার ইউনুস (রহঃ) বর্ধিত করে বলেছেন, যখন সে ঘুম হতে জেগে উঠবে তখন সে যেন তিনবার তার বাম পাশে থুথু ফেলে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭০২, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু মসলামাহ্ ইবনু কা'নাব (রহঃ) .... আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, الرُّؤْيَا সু-স্বপ্ন আল্লাহর তরফ হতে, আর الْحُلْمُ দুঃস্বপ্ন শাইতানের তরফ থেকে। অতএব তোমাদের কেউ যখন এমন কোন ব্যাপারে স্বপ্নে দেখে, যা সে পছন্দ করে না, তখন সে যেন তার বাম পাশে তিন বার থুথু ফেলে এবং (আউযুবিল্লাহ্ বা সূরা আল ফালাক ও সূরা আন নাস পড়ে) স্বপ্লের অনিষ্ট হতে আশ্রয় চায়। কারণ (এভাবে করলে) তা তার কোন খারাবী করতে পারবে না। রাবী বলেন, আমি এমন স্বপ্নও দেখতাম যা আমার জন্য পাহাড়ের চাইতেও কঠিন (ও ভয়াবহ) কিন্তু এখন অবস্থা এই যে, এ হাদীস যখন আমি শুনে ফেলেছি, এখন আর সে সবের পরোয়া করি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭০৩, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রাযিঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু বর্ণনাকারী আসূ-সাকাফী (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে আছে, (আমার উস্তায) বর্ণনাকারী আবূ সালামাহ্ (রাযিঃ) বলেছেন, আমি এমন স্বপ্নও দেখতাম যা.....। আর বর্ণনাকারী আল-লায়স ও ইবনু নুমায়র (রাযিঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসে আবূ সালামাহ্ (রাযিঃ) এর কথা হতে হাদীসের শেষাংশ নেই এবং বর্ণনাকারী ইবনু রুমূহ এ হাদীসের রিওয়ায়াতে বর্ধিত বলেছেন যে, আর সে (স্বপ্নদ্রষ্টা) লোক যে পাশে ঘুমাচ্ছিল সে পাশ পরিবর্তন করে অন্যপাশে ঘুমাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭০৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির (রহঃ) ..... আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন, ভাল স্বপ্ন আল্লাহর তরফ থেকে আর মন্দ স্বপ্ন শাইতানের তরফ থেকে। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন স্বপ্ন দেখল আর এতে কোন কিছু পছন্দ হলো না, তখন সে যেন তার বাম পাশে খু থু ফেলে এবং শাইতান (এর অনিষ্ট) হতে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করে, (তাহলে) তা তাকে কোন সমস্যায় ফেলবে না। আর কারো কাছে ঐ স্বপ্নের কথা বর্ণনা করবে না। আর যদি কোন ভাল স্বপ্ন দেখে তাহলে সু-সংবাদ গ্রহণ করবে। আর যাকে সে মুহাব্বাত করে এমন ব্যক্তি ব্যতীত কারো নিকট তা বর্ণনা করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭০৫, ইসলামিক সেন্টার)
(…) আবূ বকর ইবনু খাল্লাদ বাহিলী ও আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হাকম (রহঃ) ..... আবূ সালামাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম, যা আমাকে রোগগ্রস্ত করে দিত। তিনি বলেন, পরে আমি আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) এর সঙ্গে দেখা করলাম (এবং আমার সমস্যার ব্যাপারটি তাকে বললাম)। তখন তিনি বললেন, আমিও এমন স্বপ্ন দেখতাম, যা আমাকে অসুস্থ করে দিত। অবশেষে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনলাম, ভাল স্বপ্ন আল্লাহর তরফ থেকে। অতএব তোমাদের কেউ যখন এমন (স্বপ্ন) দেখে যা সে পছন্দ করে তাহলে তা তার ঘনিষ্ঠ লোক ব্যতীত অন্য কারো নিকট যেন প্রকাশ না করে। আর যখন এমন (স্বপ্ন) দেখে, যা সে অপছন্দ করে তাহলে সে যেন তার বামপাশে তিন (বার) থুথু নিক্ষেপ করে এবং শাইতানের অনিষ্ট ও স্বপ্লের অমঙ্গল থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে ও কাউকে তা না বলে। কারণ (এভাবে করলে) সে স্বপ্ন তার কোন অকল্যাণ হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭০৬, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের কেউ যখন এমন স্বপ্ন দেখে, যা সে পছন্দ করে না তখন সে যেন তার বামপাশে তিনবার খু থু ফেলে এবং শাইতান (এর খারাবী) থেকে আল্লাহর নিকট তিনবার আশ্রয় প্রার্থনা করে। আর যে পাশে ঘুমন্ত ছিল তা হতে যেন বিপরীত পাশে ঘুমায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭০৭, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ উমার আল-মাক্কী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন যুগ ও সময় (কিয়ামতের) সন্নিকটে হয়ে আসবে তখন প্রায়শ (খাঁটি) মুসলিমের স্বপ্ন মিথ্যা ও ভ্রান্ত হবে না। তোমাদের (মাঝে) অধিক সত্যভাষী লোক সর্বাধিক সত্য (ও বাস্তব) স্বপ্নদ্রষ্টা হবে। আর মুসলিমের স্বপ্ন নুবুওয়াতের পয়তাল্লিশ ভাগের এক ভাগ। আর স্বপ্ন তিন (প্রকার)- ভাল স্বপ্ন আল্লাহর তরফ হতে সুসংবাদ (বাহক)। আর (এক ধরনের) স্বপ্ন শাইতানের পক্ষ হতে দুর্ভাবনা তৈরি করে। আর (এক ধরনের) স্বপ্ন যা মানুষ তার মনের সাথে কথা বলে (এবং ভাবনা-চিন্তা করে) তা থেকে (উদ্ভূত)। অতএব তোমাদের কেউ যদি এমন কিছু (স্বপ্ন) দর্শন করে- যা সে পছন্দ করে না, তাহলে সে যেন (ঘুম থেকে) উঠে দাঁড়ায় এবং সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করে আর মানুষের নিকট সে (স্বপ্নের) কথা গোপন রাখে। তিনি (আরও) বলেছেন যে, আমি (স্বপ্লে) হাত কড়া (দেখা) পছন্দ করি এবং গলায় বেড়ী (দেখা) পছন্দ করি না। কারণ, হাত কড়া দীন-ধর্মে অবিচলতা ('র পরিচায়ক)। বর্ণনাকারী বলেন, তবে আমি জানি না যে, তা (রিওয়ায়াতের এ শেষাংশটি) মূল হাদীসের অংশ (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী) নাকি তা [জাবির (রাযিঃ) থেকে রিওয়ায়াতকারী] ইবনু সীরীন (রহঃ) বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭০৮, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আইয়্যুব (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি (তার বর্ণিত) হাদীসে বলেছেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) বলেন, হাত কড়া (দেখা) আমাকে বিমোহিত করে এবং গলায় বেড়ী (দেখা) আমি পছন্দ করি না। (কেননা) হাতকড়া হলো দীন ধর্মে অটল থাকার পরিচায়ক। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন, (খাটি) ঈমানদারের স্বপ্ন নুবুওয়াতের (চল্লিশ অংশের) একটি অংশ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭০৯, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) আবূ রাবী’ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন যুগ বা সময় কিয়ামতের সন্নিকটে এসে যাবে ..... বর্ণনাকারী (এভাবেই) হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন এবং তিনি তাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নামোল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭১০, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি তার বর্ণনায় আর আমি গলায় বেড়ী দেখা পছন্দ করি না ..... পর্যন্ত অংশ সংযোজন করেছেন। আর স্বপ্ন নুবুওয়াতের ছিচল্লিশ ভাগের এক ভাগ- উক্তিটি তিনি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭১১, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার, যুহায়র ইবনু হারব ও উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... উবাদাহ ইবনু সামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুমিনের স্বপ্ন নুবুওয়াতের ছিচল্লিশ ভাগের এক ভাগ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭১২, ইসলামিক সেন্টার)
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উপরে বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭১৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “অবশ্য ঈমানদারের স্বপ্ন নুবুওয়াতের ছিচল্লিশ ভাগের এক ভাগ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭১৪, ইসলামিক সেন্টার)
(…/…) ইসমাঈল ইবনু খলীল ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমের স্বপ্ন, যা সে দেখে অথবা যা তার ব্যাপারে দৃশ্য হয়। বর্ণনাকারী ইবনু মুসহির বর্ণিত হাদীসে 'মুসলিমের স্বপ্ন' এ জায়গায় রয়েছে 'ভাল স্বপ্ন' নুবুওয়াতের ছিচল্লিশ ভাগের এক ভাগ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭১৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সৎ লোকের স্বপ্ন নুবুওয়াতের ছিচল্লিশ ভাগের এক ভাগ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭১৬, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও আহমাদ ইবনু মুনযির (রহঃ) ...... ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭১৭, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭১৮, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ভাল স্বপ্ন নুবুওয়াতের সত্তর ভাগের এক ভাগ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭১৯, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনুল মুসান্না ও উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ইয়াহইয়া সূত্রে উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২০, ইসলামিক সেন্টার, নেই)
(…/...) কুতাইবাহ ও ইবনু রুমল্লাহ্ (রহঃ) লায়স ইবনু সা'দ থেকে (ভিন্ন সানাদে) ইবনু রাফি ও ইবনু ফুদায়ক (রহঃ) নাফি’ (রহঃ) হতে হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। লায়স-এর হাদীসে আছে নাফি' (রহঃ) বলেন, আমার ধারণা ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেছেনঃ স্বপ্ন নুবুওয়াতের সত্তর ভাগের এক ভাগের এক ভাগ * (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ৫৭২১, ইসলামিক সেন্টার, নেই)
আবূ রাবী' সুলাইমান ইবনু দাউদ আতাকী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক আমাকে স্বপ্নে দেখে সে (অবশ্যই) আমাকে দেখেছে। কারণ, শাইতান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২২, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যে লোক আমাকে স্বপ্নে দেখে, শীঘ্রই সে আমাকে জেগে থাকাবস্থায় দেখতে পাবে। অথবা তিনি বলেছেন, সে যেন আমাকে জাগ্রত অবস্থায় প্রত্যক্ষ করলো। কারণ শাইতান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ সালামাহ্ (রহঃ) বলেন, আবূ কাতাদাহ্ (রাযিঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে আমাকে দেখলো সে যেন (অবশ্যই) সত্যই দেখলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২৩, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) যুহরীর ভাইয়ের ছেলে বলেন, তার চাচা (অর্থাৎ যুহরী) তাকে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি ইউনুস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ দুটি হাদীস সানাদসহ রিওয়ায়াত করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২৩, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক স্বপ্নযোগে আমাকে দেখল, সে নিশ্চয়ই আমাকে (স্বপ্নে) দেখল। কারণ, শাইতানের পক্ষে আমার আকৃতি ধারণ করা অসম্ভব। তিনি আরও বলেন, তোমাদের কেউ যখন খারাপ স্বপ্ন দেখে সে যেন ঘুমের মধ্যে তার সাথে শাইতানের চক্রান্তের সংবাদ কাউকে না দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২৪, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক স্বপ্নযোগে আমাকে দেখল সে অবশ্যই আমাকেই দেখল। কারণ আমার রূপ ধারণ করা শাইতানের পক্ষে অসম্ভব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২৫, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ও ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। একবার এক বেদুঈন তার নিকট এসে বলল, আমি স্বপ্নে প্রত্যক্ষ করলাম যে, আমার মস্তিষ্ক কর্তন করা হয়েছে আর আমি তার পিছু পিছু ছুটে চলছি। সে সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে রাগাম্বিত হয়ে বললেনঃ ঘুমের মধ্যে তোমার সঙ্গে শাইতানের খেলাধূলার সংবাদ কাউকে প্রকাশ করো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২৬, ইসলামিক সেন্টার)
উসমান ইবনু আবূ শইবাহ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, এক বেদুঈন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন আমার মাথা কর্তন করা হয়েছে এবং তা গড়াতে শুরু করেছে, আর আমি তার পিছনে পিছনে খুব জোরে দৌড় লাগালাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে বেদুঈন আরবকে বললেন, তোমার ঘুমের মধ্যে তোমার সঙ্গে শাইতানের ক্রীড়া-কৌতুকের ব্যাপারে কারো নিকটেই প্রকাশ করো না। বর্ণনাকারী জাবির (রাযিঃ) বলেন, এ ঘটনার পর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ভাষণ দিতে শুনলাম। তাতে তিনি বললেন, তোমাদের কেউ ঘুমের মধ্যে তার সঙ্গে শাইতানের ক্রীড়া-কৌতুকের ব্যাপারে বলে দিও না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২৭, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ সাঈদ আশাজ্জ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন আমার মস্তিষ্ক কর্তন করা হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হেসে বললেন, শাইতান যখন তোমাদের কারো সঙ্গে তার ঘুমের মধ্যে খেলাধূলা করে, তখন সে যেন কোন ব্যক্তির নিকট তা প্রকাশ না করে। আর বর্ণনাকারী আবূ বাকর (রহঃ)-এর বর্ণনাতে আছে- ‘যখন তোমাদের কারো সঙ্গে ক্রীড়া-কৌতুহল করা হয়। তিনি 'শাইতান' শব্দ বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২৮, ইসলামিক সেন্টার)
—(১৭/২২৬৯) হাজিব ইবনু ওয়ালীদ (রহঃ) ..... উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) অথবা আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হাদীস রিওয়ায়াত করতেন যে, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হলো .....। ভিন্ন সূত্রে হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া তুজীবী (রহঃ) উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবাহ (রাযিঃ) ইবনু শিহাব (রহঃ) কে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করতেন যে, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি আজ রাতে স্বপ্ন দেখলাম যে, শামিয়ানা হতে ঘি ও মধু ঝরে পড়ছে আর লোকদের দেখলাম- তারা তা থেকে তাদের হাতের অঞ্জলি ভরে ভরে নিয়ে যাচ্ছে। কেউ বেশি পরিমাণ নিচ্ছে, কেউ স্বল্প পরিমাণে। আর একটি রশি দেখলাম আসমান থেকে জমিন পর্যন্ত সংযোগ স্থাপনকারী, আর দেখলাম আপনি তা ধরলেন এবং উপর উঠে গেলেন, এরপর এক ব্যক্তি তা ধরল এবং সে উপর উঠে গেল, তারপর আর এক ব্যক্তি তা ধরল এবং তা ছিড়ে পড়ে গেল। পরিশেষে তা তার জন্য জুড়ে দেয়া হলো এবং সেও উপরে উঠে গেল। স্বপ্ন বর্ণনার এ পর্যায়ে আবূ বাকর (রাযীঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতা আপনার জন্য উৎসর্গিত। আল্লাহর শপথ! আপনি অবশ্য আমাকে অনুমতি দিবেন, তাহলে আমি এ স্বপ্লটির ব্যাখ্যা করব। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আপনি ব্যাখ্যা করুন। আবূ বাকর (রাযিঃ) বললেন, শামিয়ানাটি হলো ইসলামের (রূপক) শামিয়ানা, আর যে ঘি ও মধু ফোটা ঝরে পড়ছিল, তা হচ্ছে আল-কুরআনের মধুরতা ও কোমলতা আর মানুষেরা যে তা থেকে অঞ্জলি ভরে ভরে নিয়ে যাচ্ছিল তা হলো- কেউ বেশি পরিমাণে আর কেউ সামান্য পরিমাণে আল কুরআন হতে সংগ্রহ করছে। আর আসমান হতে জমিন পর্যন্ত সংযুক্ত রশিটি হলো হক ও সত্য (পথ), যার উপরে আপনি রয়েছেন তা ধারণ করলেন, আর আল্লাহ তা দিয়ে আপনাকে উপরে উঠিয়ে নিলেন। তারপর আপনার পরে এক লোক তা ধারণ করলেন এবং তা দিয়ে সেও উপরে উঠে যাবে, তারপর আর এক লোক তা ধারণ করবে এবং তা ছিড়ে পড়ে যাবে, পরে তা তার জন্য জুড়ে দেয়া হবে এবং তা দিয়ে সে উপরে উঠে যাবে। হে আল্লাহর রসূল! এখন আমাকে বলে দিন, আমার পিতা আপনার উদ্দেশে উৎসর্গিত, আমি ঠিক বলেছি নাকি ভুল বলেছি? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কতক ঠিক বলেছেন আর কতক ভুল করেছেন। তিনি বললেন, তাহলে আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহর রসূল! যা আমি ভুল করেছি তা আপনি অবশ্যই আমাকে বর্ণনা করে দিবেন। তিনি বললেন, এভাবে শপথ করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭২৯, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদ (যুদ্ধক্ষেত্র) হতে তার ফিরে আসার সময় জনৈক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে এলো। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আজ রাতে আমি স্বপ্নে দেখলাম- একটি শামিয়ানা তা থেকে ফোটা ফোটা ঘি ও মধু ঝরছে। হাদীসের পরবর্তী অংশ ইউনুস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অর্থানুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩০, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কিংবা আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, আবদুর রাযযাক বলেন (আমার ঊর্ধ্বতন বর্ণনাকারী উস্তায) মা'মার (রহঃ) কখনো বর্ণনা করতেন ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে আবার কখনো বর্ণনা করতেন আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে এ মর্মে যে, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে উপস্থিত হয়ে বললেন, আজ রাতে (স্বপ্নে) আমি একটি শামিয়ানা দেখতে পাই, তারপর পূর্বোল্লিখিত বর্ণনাকারীগণের বর্ণিত হাদীসের অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩১, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান দারিমী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (যেসব অভ্যাসে অভ্যস্ত) ছিলেন (সে সবের মধ্যে একটি ছিল এই) যে, তিনি তার সাহাবীগণকে (ফজরের সালাতের পরে) বলতেন, তোমাদের কেউ কোন স্বপ্ন দেখলে সে তা আমার নিকট প্রকাশ করুক, তাহলে আমি তাকে তার ব্যাখ্যা বলে দিব। জনৈক লোক এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি একটি শামিয়ানা দেখলাম .....। পরবর্তী বর্ণনা (পূর্বোল্লিখিত) বর্ণনাকারীগণের বর্ণিত হাদীসের অবিকল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩২, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক রাতে আমি দেখলাম যেভাবে ঘুমন্ত লোক দেখে (অর্থাৎ স্বপ্ন), যেন আমরা উক্বাহ ইবনু রাফি’ এর গৃহে রয়েছি। তখন আমাদের নিকট ইবনু তাব* (নামক) খেজুর হতে কিছু তাজা খেজুর নিয়ে আসা হলো। তখন আমি এর বিশ্লেষণ করলাম- পৃথিবীর বুকে আমাদের জন্য উন্নতি এবং আখিরাতে উত্তম পরিণতি। আর আমাদের দীন অবশ্যই উত্তম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
নাসর ইবনু আলী জাহ্যামী (রহঃ) ..... নাফি' (রহঃ) হতে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) এ মর্মে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি ঘুমের মধ্যে আমাকে একটি দাতন দিয়ে মিসওয়াক করতে দেখলাম। তখন দু’লোক আমাকে আকৃষ্ট করল, যাদের একজন অন্যজনের চেয়ে বয়সে বড়। তখন আমি মিসওয়াকটি কম বয়সীকে দিতে গেলে আমাকে বলা হলো- 'বড়কে দিন', তাই তা আমি বয়স্ককে দিয়ে দিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ ‘আমির আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ'আরী ও আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু আলা (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, আমি মাক্কাহ থেকে এমন এক দেশে হিজরত করে যাচ্ছি, যেখানে খেজুর বৃক্ষ আছে, তাতে আমার কল্পনা এদিকে গেল যে, তা ইয়ামামাহ্ অথবা হাজর (এলাকা) হবে। পরে (বাস্তবে) দেখি যে, তা হলো মাদীনাহ্- (যার পূর্ব নাম) ইয়াসরিব। আমি আমার এ স্বপ্নে আরও দেখলাম যে, আমি একটি তলোয়ার নাড়াচাড়া করলাম, ফলে তার মধ্যখান ভেঙ্গে গেল। তা ছিল উহুদের দিনে যা মুমিনগণের উপর আপতিত হয়েছিল। তারপরে আমি আর একবার সে তলোয়ার নাড়া দিলে তা পূর্বের চাইতে ভাল হয়ে গেল। তারপরে মূলত তা হলো সে বিজয় ও ঈমানদারদের সম্মেলন- যা আল্লাহ সংঘটিত করলেন (মাক্কাহ বিজয়)। আমি তাতে একটি গরুও দেখলাম। আর আল্লাহ তা'আলাই কল্যাণের অধিকারী। মূলত তা হলো- উহুদের যুদ্ধে (শাহাদাতপ্রাপ্ত) মুমিনদের দলটি। আর মঙ্গল হলো, সে কল্যাণ যা পরবর্তীতে আল্লাহ তা'আলা দান করেছেন এবং সততা ও নিষ্ঠার সে সাওয়াব ও প্রতিদান— যা আল্লাহ তা'আলা আমাদের বাদর যুদ্ধের পরে দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
অনুবাদ উপলব্ধ নেই
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ হলো সেসব হাদীস যা আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এ কথা বলে তিনি কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করেন। এটি হলো (সেগুলোর একটি)। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, আমি নিদ্রিত ছিলাম এমতাবস্থায় আমার নিকট দুনিয়ার ভাণ্ডারসমূহ নিয়ে আসা হলো। সে সময় আমার হাতে দুটি স্বর্ণের কাকন রেখে দেয়া হলে সে দুটি আমার জন্য অনেক ওজন মনে হলো এবং তারা আমাকে দুর্ভাবনায় ফেলল। তখন আমার নিকট ওয়াহীর মাধ্যমে জানানো হলো যে, আমি যেন সে দু'টির উপরে ফুঁ দেই। তখন আমি ফুঁ দিলে সে দু'টি উড়ে গেল। আমি সে দুটির ব্যাখ্যা করলাম- সে দু' মিথ্যাবাদী (ভণ্ড নবী) যে দু'জনের মাঝে আমি রয়েছি- (অর্থাৎ-) সান’আ অধিবাসী আসওয়াদ আল-আনসী এবং ইয়ামামাহ অধিবাসী মুসাইলামাতুল কাযযাব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) .... সামুরাহ ইবনু জুনদাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায়ন্তে লোকদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসতেন এবং বলতেন, তোমাদের কেউ কি গত রাতে কোন স্বপ্ন দেখেছে? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩৮, ইসলামিক সেন্টার)