অল ইসলাম লাইব্রেরি

37 - পোশাক ও সাজসজ্জা অধ্যায়

1

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক রৌপ্যের বাসনে পান করে সে যেন তার পেটের ভিতরে জাহান্নামের আগুন প্রবেশ করায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২১২, ইসলামিক সেন্টার)

2

কুতাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ, ‘আলী ইবনু হুজ্‌র সা'দী, ইবনু নুমায়র, ইবনুল মুসান্না, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর মুকাদ্দামী ও শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) তারা সকলেই নাফি (রহঃ) হতে মালিক ইবনু আনাস (রাযিঃ) এর সূত্রে নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। তবে উবাইদুল্লাহ (রহঃ) এর সানাদে আলী ইবনু মুসহির (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে বাড়তি আছে, যে ব্যক্তি রৌপ্য ও স্বর্ণের পাত্রে খাবে অথবা পান করবে। ইবনু মুসহির (রহঃ) এর হাদীস ব্যতীত অন্য কারো হাদীসে স্বর্ণের পাত্রে আহার করার কথা বর্ণিত নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২১৩, ইসলামিক সেন্টার)

3

যায়দ ইবনু ইয়াযীদ আবূ মা'ন রুক্‌কাশী (রহঃ) ..... উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক স্বর্ণ বা রৌপ্য দ্বারা নির্মিত বাসনে পান করে সে শুধু তার পেটে জাহান্নামের অগ্নি প্রবেশ করায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২১৪, ইসলামিক সেন্টার)

4

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... মু'আবিয়াহ ইবনু সুওয়াইদ ইবনু মুকাররিন (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) এর নিকটে গমন করেছিলাম। সে সময় আমি তাকে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাতটি জিনিসের আদেশ করেছেন এবং সাতটি জিনিস হতে বারণ করেছেন। তিনি আমাদের অসুস্থ ব্যক্তির খোজ-খবর নেয়া, জানাযায় শরীক হওয়া, হাঁচিদাতার উত্তর দেয়া, শপথ পূরণ করা কিংবা বলেছেন শপথকারীর শপথ পূরণ করা, নির্যাতিতের সাহায্য করা, দাওয়াতকারীর ডাকে (দাওয়াতে) সাড়া দেয়া এবং সালামের প্রসার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তিনি আমাদেরকে সোনার আংটি পরিধান করা, রূপার বাসনে পান করা, মায়াসির (এক প্রকার তুলতুলে রেশমী কাপড়) ও কাস্‌সী (রেশম সংমিশ্রিত এক রকম মিসরী কাপড়) পরিধান করা এবং মিহি রেশমী কাপড়, মোটা রেশমী কাপড় ও খাটি রেশমী কাপড় ব্যবহার করতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২১৫, ইসলামিক সেন্টার)

5

আবূ রাবী' আতাকী (রহঃ) ..... আশ'আস ইবনু সুলায়ম (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। শুধু শপথ বা শপথকারীর শপথ পূরণ করার কথাটি ব্যতীত। তিনি তার হাদীসে এ কথাটি উল্লেখ করেননি। এর স্থানে তিনি 'হারানো জিনিস পেয়ে বিজ্ঞাপন দেয়ার' কথা বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২১৬, ইসলামিক সেন্টার)

6

(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ ও উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আশ'আস ইবনু আবূ শা'সা (রহঃ) হতে উল্লেখিত সানাদে যুহায়র (রহঃ) এর হাদীসের হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি সন্দেহ ছাড়াই কসম পূর্ণ করার কথা উল্লেখ করেছেন। আর তিনি তার হাদীসে বাড়তি বলেছেন যে, তিনি রূপার বাসনে পান করতে বারণ করেছেন। কারণ পার্থিব জীবনে যারা এতে পান করে পরকালে এতে তারা পান করতে সক্ষম হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২১৭. ইসলামিক সেন্টার)

7

আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আশ'আসা ইবনু আবূ শা'সা (রহঃ) হতে উপরোক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে রাবী ইবনু ইদরীস (রহঃ) জারীর ও ইবনু মুসহির (রহঃ) এর অতিরিক্ত অংশ বর্ণনা করেননি। মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার, উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদুর রহমান ইবনু বিশর (রহঃ) আশ'আসা ইবনু সুলায়ম (রহঃ) হতে তাদের সূত্রে, তাদের হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে রাবী [শু'বাহ (রহঃ)] সালামের প্রসার করার কথাটি বর্ণনা করেননি। এর বিপরীতে তিনি সালামের জবাব দেয়ার কথা বলেছেন। তিনি আরো বলেছেন, আমাদেরকে সোনার আংটি অথবা সোনার রিং ব্যবহার করতে তিনি বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২১৮, ইসলামিক সেন্টার)

8

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আশ'আসা ইবনু আবূ শা'সা (রহঃ) হতে উল্লেখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত আছে। তিনিও (সুফইয়ান) সালামের প্রসারের কথা এবং সন্দেহ ব্যতীতই স্বর্ণের আংটির কথা বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২১৯, ইসলামিক সেন্টার)

9

সাঈদ ইবনু আমর ইবনু সাহল ইবনু ইসহাক ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আশ'আস ইবনু কায়স (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উকায়ম (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা হুযাইফাহ (রাযিঃ) এর সাথে মাদায়িনে ছিলাম। হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) পানি পান করতে ইচ্ছা করলে গ্রাম্য এক পণ্ডিত তার কাছে রূপার বাসনে পানি নিয়ে আসলো। তিনি তা ফেলে দিয়ে বললেন, আমি তোমাদেরকে (এটি ফেলে দেয়ার কারণ) অবগত করছি। তাকে আমি বারণ করেছিলাম, সে যেন এর মধ্যে আমাকে পানি পান না করায়। কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সোনা ও রূপার বাসনে পান করবে না এবং মোটা রেশমী কাপড় ও মিহি রেশমী কাপড় ব্যবহার করবে না। কারণ ইহকালে এগুলো হলো কাফিরদের জন্য। আর তোমাদের জন্য এগুলো হবে পরকালে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২২০, ইসলামিক সেন্টার)

10

ইবনু আবূ 'উমার (রহঃ) ..... আবূ ফারওয়াহ সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু উকায়ম (রহঃ) কে বলতে শুনেছি যে, আমরা হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) এর সঙ্গে মাদায়িনে ছিলাম। অতঃপর রাবী উল্লেখিত বর্ণনায় হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তিনি তার হাদীসে 'কিয়ামত দিবসে' কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২২১, ইসলামিক সেন্টার)

11

(…/…) আবদুল জাব্বার ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... ইবনু উকায়ম (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) এর সঙ্গে মাদায়িনে ছিলাম। অতঃপর রাবী উল্লেখিত বর্ণনার হুবহু উল্লেখ করেন। কিন্তু তিনি 'কিয়ামত দিবসে' কথাটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২২২, ইসলামিক সেন্টার)

12

উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয আম্বারী (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মাদায়িনে হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি পানি পান করতে ইচ্ছা করলে জনৈক লোক রূপার বাসনে পানি নিয়ে আসলো। অতঃপর রাবী হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) এর সানাদে ইবনু উকায়ম (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২২৩, ইসলামিক সেন্টার)

13

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও 'আবদুর রহমান ইবনু বিশর (রহঃ) বাহয (রহঃ) হতে, তারা সকলে শু'বাহ (রহঃ) হতে মু'আয (রহঃ) এর হাদীস ও সানাদের হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তু শুধু মু'আয (রহঃ) ব্যতীত তাদের মাঝে অপর কেউ তার হাদীসে 'আমি হুযাইফাহর সঙ্গে উপস্থিত ছিলাম' কথাটি বর্ণনা করেননি। তারা শুধু বলেছেন, হুযাইফাহ (রাযিঃ) পানি পান করতে চাইলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২২৪, ইসলামিক সেন্টার)

14

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... হুযাইফাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উপরোল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক বর্ণিত রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২২৫, ইসলামিক সেন্টার)

15

মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... 'আবদুর রহমান ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) পানি পান করার ইচ্ছা করলে এক অগ্নিপূজারী একটি রূপার বাসনে তাকে পানি পান করতে দিল। সে সময় তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা পাতলা রেশমী বস্ত্র ও মোটা রেশমী বস্ত্র ব্যবহার করবে না, সোনা ও রূপার বাসনে পান করবে না এবং সোনা রূপার থালায় খাবেও না। কেননা পৃথিবীতে এগুলো তাদের (কাফিরদের) জন্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২২৬, ইসলামিক সেন্টার)

16

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, (একদা) উমার ইবনু খাত্তাব (রাযিঃ) মসজিদের ফটকের পাশে লাল রংয়ের "হুল্লা" (রেশম মিশ্রিত চাদর) প্রত্যক্ষ করে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি যদি এটি ক্রয় করে জুমু'আর দিন এবং যখন কোন নেতৃস্থানীয় দল আপনার কাছে আসে তখন ব্যবহার করতেন (তবে কতই না উত্তম হতো)। সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটি সে লোকই পরিধান করবে আখিরাতে যার সামান্য অংশও নেই। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এ রকম কয়েকটি হুল্লা আসলে তিনি সেগুলো থেকে একটি হুল্লা উমার (রাযিঃ) কে দিলেন। উমার (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি এটি অধমকে পরতে দিলেন? অথচ আপনিই উতারিদ এর (এক ব্যক্তি) হুল্লা সম্বন্ধে কত কিছু বলেছেন? তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি এটি তোমাকে ব্যবহার করতে দেইনি। অতঃপর উমার (রাযিঃ) সেটি তার মাক্কার এক মুশরিক ভাইকে পরিধান করতে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২২৭, ইসলামিক সেন্টার)

17

ইবনু নুমায়র, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মদ ইবনু আবূ বাকর মুকাদ্দামী ও সুওয়াইদ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে মালিক (রাযিঃ) এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২২৮, ইসলামিক সেন্টার)

18

শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একবার) উমার (রাযিঃ) উতারিদ তামীমীকে বাজারে লাল রং-এর হুল্লা বিক্রি করতে লক্ষ্য করলেন। ব্যক্তিটি রাজা বাদশাহদের কাছে যেত এবং তাদের নিকট হতে প্রচুর অর্থ উপার্জন করতো। উমার (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি উতারিদকে বাজারে লাল রং-এর হুল্লা বেচতে দেখলাম। যদি আপনি এটি ক্রয় করতেন আর আরবের কোন নেতৃস্থানীয় দল আপনার কাছে আগমনকালে পরতেন। আমার ধারণা হয় তিনি আরো বলেছেন, এবং জুমু’আর দিবসেও পরতেন, তবে কতই না ভাল হতো! সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ রেশমী কাপড় সে ব্যক্তিই পৃথিবীতে পরবে, আখিরাতে যার কোন অংশ নেই। এর একদিন পর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কিছু লাল রং-এর হুল্লা আসলে তিনি তার একটি উমার (রাযিঃ) এর নিকট, একটি উসামাহ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) এর নিকট প্রেরণ করলেন। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ)-কেও তিনি একটি হুল্লা দিয়ে বললেন, এটি ছিড়ে ওড়না তৈরি করে তোমরা মহিলাদের মধ্যে বিতরণ করে দাও। ইবনু উমার (রাযিঃ) বলেন, অতঃপর উমার (রাযিঃ) তার হুল্লাটি নিয়ে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এটি আপনি আমার নিকট পাঠিয়ে দিলেন অথচ গতকাল উতারিদ-এর হুল্লা সম্বন্ধে আপনি কত কিছু বলেছিলেন? তিনি বললেন, ব্যবহার করার জন্য সেটি আমি তোমার নিকটে প্রেরণ করিনি বরং আমি সেটি তোমার নিকটে পাঠিয়েছি যেন তুমি এটি বিক্রি করে লাভবান হতে পারো। অপরদিকে উসামাহ (রাযিঃ) বিকাল বেলা তার হুল্লাটি পরিধান করে বের হলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে এমনভাবে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন যে, তিনি অনুধাবন করলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার এহেন কর্মকে পছন্দ করেননি। সে সময় তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি এভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন কেন? আপনিই তো এটি আমার কাছে প্রেরণ করেছেন। তিনি বললেন, আমি তোমার নিকট এজন্য প্রেরণ করিনি যে, তুমি এটি ব্যবহার করবে বরং এজন্য এটি পাঠিয়েছি যে, তুমি এটি ছিড়ে ওড়না তৈরি করে তোমাদের মহিলাদেরকে দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২২৯, ইসলামিক সেন্টার)

19

আবূ তাহির ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) বলেছেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রাযিঃ) একদিন বাজারে মোটা রেশমের প্রস্তুত একটি হুল্লা বিক্রি হতে দেখে তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি এটি ক্রয় করুন। তাহলে ঈদের দিন ও প্রতিনিধি দল আসলে এটির মাধ্যমে আপনি সুসজ্জিত হতে পারবেন। সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটি কেবল সে লোকেরই বস্ত্র, যার (পরকালে) কোন অংশ নেই। ইবনু 'উমার (রাযিঃ) বলেন, অতঃপর উমার (রাযিঃ) আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী কিছুক্ষণ পার করলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট একটি খাটি রেশমের আলখাল্লা প্রেরণ করলেন। উমার (রাযিঃ) তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এটি ঐ লোকেরই বস্ত্র (আখিরাতে) যার কোন অংশ নেই, পুনরায় আপনি তা আমার নিকট প্রেরণ করলেন, সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ (আমি এজন্য পাঠিয়েছি) যেন তুমি এটি বিক্রি করে আপন প্রয়োজন সারতে পারো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩০, ইসলামিক সেন্টার)

20

হারূন ইবনু মা’রূফ (রহঃ) ..... ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে উপরোক্ত সনদে অবিকল বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩১, ইসলামিক সেন্টার)

21

(…/...) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, উমার (রাযিঃ) উতারিদ পরিবারের এক লোকের কাছে একটি রেশমী কাবা’ (বড় জামা) দেখতে পেয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বললেন, আপনি যদি এটি ক্রয় করতেন। সে সময় তিনি বললেন, এটি শুধু সে লোকই পরিধান করবে (আখিরাতে) যার কোন অংশ নেই। অতঃপর লাল রং-এর একটি কুর্তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপঢৌকন প্রেরণ করা হলে তিনি তা আমার নিকট প্রেরণ করলেন। তিনি [উমার (রাযিঃ)] বলেন, আমি বললাম, আপনি এটি আমার নিকট পাঠালেন কেন? অথচ এ ধরনের বস্ত্র সম্পর্কে আপনার কথা আমার কর্ণপাত হয়েছে। তিনি বললেনঃ আমি কেবল এজন্য এটি তোমার নিকট পাঠিয়েছি যাতে তুমি এর মাধ্যমে (বিক্রি করে) উপকার হাসিল করতে পারো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩২, ইসলামিক সেন্টার)

22

(…/...) ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, উমার (রাযিঃ) উতারিদ পরিবারের এক লোকের নিকট (একটি কাবা) লক্ষ্য করলেন। অতঃপর রাবী ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি বর্ণনা করেছেন, আমি এটি তোমার নিকট পাঠিয়েছি যাতে তুমি এর মাধ্যমে উপকার লাভ করতে পারো। পরিধান করার জন্য এটি তোমার নিকট পাঠাইনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৩, ইসলামিক সেন্টার)

23

(…/...) ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু আবূ ইসহাক (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) আমাকে বললেন, ইসতাবরাক কি? আমি বললাম, মোটা ও খসখসে রেশমী বস্ত্র। তিনি বললেনঃ আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, উমার (রাযিঃ) জনৈক লোকের নিকট ইস্‌তাব্‌রাকের প্রস্তুত হুল্লা লক্ষ্য করে সেটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে এলেন। অতঃপর রাবী ইয়াহইয়া (রহঃ) উপরোল্লিখিত রাবীগণের অবিকল বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি এটি তোমার নিকট শুধু এজন্য পাঠিয়েছি যে, তুমি এর মাধ্যমে কিছু সম্পদ জোগাড় করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৪, ইসলামিক সেন্টার)

24

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযিঃ) এর মুক্ত দাস আবদুল্লাহ (রহঃ) [তিনি আতা (রহঃ)-এর বাচ্চাদের মামাও হতেন] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আসমা (রাযিঃ) আমাকে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) এর কাছে এ বলে প্রেরণ করলেন যে, আমি অবগত হয়েছি তুমি নাকি তিনটি বস্তুকে নিষিদ্ধ মনে করো। কাপড়ে (রেশমের) নকশা, গাঢ় লাল রং-এর মীসারাহ (এক জাতীয় রেশমী বস্ত্র) ও রজবের গোটা মাস সাওম পালন করা। সে সময় আবদুল্লাহ (রাযিঃ) আমায় বললেন, আপনি যে রজব মাসের সাওম হারামের কথা বললেন এটা ঐ লোকের ক্ষেত্রে কিভাবে সম্ভব যিনি সবসময় সাওম পালন করেন? আর আপনি যে বস্ত্রের (রেশমের) ডিজাইনের কথা বললেন, এ সম্পর্কে আমি 'উমার ইবনু খাত্তাব (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, রেশমী কাপড় কেবল সে ব্যক্তিই পরবে (আখিরাতে) যার কোন অংশ নেই। তাই আমার সন্দেহ হলো নকশাও এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। আর গাঢ় লাল রং-এর মীসারাহ সে তো আবদুল্লাহরই মীসারাহ। লক্ষ্য করলাম, আসলেই সেটিই গাঢ় লাল রং-এর। অতঃপর আমি আসমা (রাযিঃ) এর কাছে ফিরে গেলাম এবং তাকে এ ব্যাপারে সংবাদ দিলাম। তখন তিনি বললেন, এটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জুব্বা। এ বলে তিনি কিসরাওয়ানী (ইরানী সম্রাট কিসরার প্রতি সম্পৰ্কীয়) সবুজ রং-এর একটি জুব্বা বের করলেন যার পকেটটি ছিল খাঁটি রেশমের প্রস্তুত এবং এর (হাতার) ছিদ্রদ্বয় ছিল খাটি রেশমের টুকরা দিয়ে ঢাকা। তিনি বললেন, এটি আয়িশাহর মৃত্যু পর্যন্ত তার নিকটেই ছিল। তার ওফাতের পর আমি এটি নিয়েছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটি ব্যবহার করতেন। তাই আমরা অসুস্থদের আরোগ্য লাভের জন্য এটি ধৌত করি এবং তাদেরকে সে পানি পান করিয়ে থাকি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৫, ইসলামিক সেন্টার)

25

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... খলীফা ইবনু কা'ব আবূ যুবয়্যান (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রকে খুতবায় এ কথা বলতে শুনেছি যে, হুশিয়ার! তোমরা তোমাদের মহিলাদেরকে রেশমী বস্তু পরাবে না। কেননা আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রেশমী কাপড় পরিধান করো না। কারণ পৃথিবীতে যে লোক তা পরিধান করবে, আখিরাতে সে তা পরিধান করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৬, ইসলামিক সেন্টার)

26

আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... আবূ উসমান (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আজারবাইজান এ ছিলাম। এ সময় উমার (রাযিঃ) আমাদের (দলনেতার) কাছে চিঠি লিখলেন, হে উতবাহ ইবনু ফারকাদ! এ ধন-সম্পদ তোমার কষ্টার্জিত নয়, তোমার বাবা-মায়েরও কষ্টার্জিত নয়। তাই তুমি যেরূপে নিজ বাড়িতে পেটপুরে ভক্ষণ করো, তেমনিভাবে মুসলিমদের বাড়িতে পৌছে দিয়ে তাদেরকেও পেটপুরে ভক্ষণ করাও। আর সাবধান, মুশরিকদের ভোগ-বিলাস বেশভূষণ এবং রেশমী কাপড় পরিধান করা থেকে বিরত থাকবে। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশমী কাপড় পরতে বারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, তবে এ পরিমাণ বৈধ রয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার শাহাদাত ও মধ্যমা আঙ্গুলদ্বয় একসাথে করে আমাদের সম্মুখে তুলে ধরলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৭, ইসলামিক সেন্টার)

27

যুহায়র ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আসিম (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রেশমী বস্ত্র সম্পর্কে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৮, ইসলামিক সেন্টার)

28

(…/...) ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হানযালী (রহঃ) ..... আবূ উসমান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা উতবাহ ইবনু ফারকাদ (রহঃ) এর সঙ্গে ছিলাম। তখন আমাদের নিকট উমার (রাযিঃ) এর চিঠি আসলো। উক্ত চিঠিতে ছিল যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রেশমী বস্ত্র শুধু সে ব্যক্তিই পরবে, আখিরাতে যার কোন অংশ নেই। তবে এ পরিমাণ বৈধ রয়েছে। আবূ উসমান (রহঃ) তার বৃদ্ধাঙ্গুল সংলগ্ন দুটি আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। আমি সে দুটোতে তায়ালিসার বোতাম লক্ষ্য করলাম। এমন কি আমি তায়ালিসাহও (সবুজ রং এর চাদর) দেখলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৯, ইসলামিক সেন্টার)

29

(…) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... আবূ উসমান (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা উতবাহ ইবনু ফারকাদ (রহঃ) এর সঙ্গে ছিলাম। রাবী পরের অংশ জারীরের হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪০, ইসলামিক সেন্টার)

30

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ উসমান (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা উতবাহ ইবনু ফারকাদ (রহঃ) এর সঙ্গে আজারবাইজান কিংবা সিরিয়ায় ছিলাম। তখন আমাদের নিকট উমার (রাযিঃ) এর কাছ থেকে এ মর্মে একটি চিঠি এলো যে, আম্মা বা'দ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশমী বস্ত্র পরিধান করতে বারণ করেছেন, তবে দু' আঙ্গুল পরিমাণ হলে বৈধ হবে। আবূ উসমান (রহঃ) বলেন, আমাদের বুঝতে দেরী হলো না যে, তিনি (এ দ্বারা) নকশী ও নকশার দিকে ইশারা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪১, ইসলামিক সেন্টার)

31

(…/...) আবূ গাসসান মিসমা’ঈ ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ...... কাতাদাহ (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে অবিকল বর্ণিত আছে। কিন্তু তিনি আবূ উসমান (রহঃ) এর কথাটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪২, ইসলামিক সেন্টার)

32

(…) উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার আল-কাওয়ারীরী আবূ গাসসান আল-মিসমাঈ, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, (একদা) উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) জাবিয়াহ্ নামক জায়গায় বক্তব্য প্রদানকালে বললেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশমী কাপড় পরতে বারণ করেছেন। কিন্তু যদি দু' আঙ্গুল বা তিন আঙ্গুল বা চার আঙ্গুল পরিমাণ হয়। (তাহলে বৈধ হবে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৩, ইসলামিক সেন্টার)

33

মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ রুয্‌যী (রহঃ) ..... কাতাদাহ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু রিওয়ায়াত করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৪, ইসলামিক সেন্টার)

34

মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হান্‌যালী, ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব ও হাজ্জাজ ইবনু শা'ইর (রহঃ) ..... জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাটি রেশমের প্রস্তুতকৃত একটি কাবা গায়ে দিলেন, যা তাকে হাদিয়া (উপঢৌকন) দেয়া হয়েছিল। তারপর তিনি সেটি দ্রুত খুলে ফেললেন। অতঃপর সেটি উমার ইবনুল খাত্তাবের কাছে প্রেরণ করলেন। তাকে বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল! আপনি দ্রুত এটি খুলে ফেললেন যে? তিনি বললেন জিবরীল (আঃ) আমাকে এটি পরিধান করতে বারণ করেছেন। এরপর উমার (রাযিঃ) ক্ৰন্দনরত অবস্থায় তার নিকটে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি যে জিনিস পছন্দ করলেন না তা আমাকে দিলেন, আমার উপায় কি? সে সময় তিনি বললেন, আমি তোমাকে এটি পরিধান করতে দেইনি। আমি শুধু তোমাকে বিক্রয় করার জন্য দিয়েছি। পরে উমর (রাযিঃ) সেটি দু'হাজার দিরহামে বেচে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৫, ইসলামিক সেন্টার)

35

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একটি লাল রংয়ের হুল্লা উপঢৌকন দেয়া হলো। অতঃপর তিনি তা আমার নিকট প্রেরণ করলেন। আমি সেটি পরিধান করলে তার মুখমণ্ডলে ক্রোধ দর্শন করলাম। তিনি বললেন, আমি এটি পরিধান করার জন্য তোমার নিকট পাঠাইনি। পাঠিয়েছি শুধু এজন্য যে, তুমি এটি কেটে ওড়না হিসেবে (তোমার) স্ত্রীদের মধ্যে ভাগ করে দেবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৬, ইসলামিক সেন্টার)

36

(…/...) উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ ‘আওন (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত রয়েছে। কিন্তু মু'আয (রহঃ) এর হাদীসে আছে, তারপর তার নির্দেশে আমি তা আমার স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করে দিলাম। আর মুহাম্মাদ ইবনু জাফার (রহঃ) এর হাদীসে আছে, পরে আমি আমার মহিলাদের মধ্যে সেটি বণ্টন করে দিলাম’। তিনি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশ দেয়ার কথা বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৭, ইসলামিক সেন্টার)

37

(…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ আবূ কুরায়ব ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, দুমাহ নিবাসী উকাইদির নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একটি রেশম বস্ত্র উপহার দিলে তিনি তা আলী (রাযিঃ) কে দিয়ে বললেন, তুমি এটি কেটে ফাতিমাদের মধ্যে বণ্টন করে দাও। আবূ বাকর ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) এর বর্ণনায় 'ফাতিমাদের' স্থলে 'মহিলাদের' কথা উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৮, ইসলামিক সেন্টার)

38

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) .....আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একটি লাল রংয়ের হুল্লা দিলেন। আমি তা পরিধান করে বের হলে তার চেহারা ভীষণ রাগাম্বিত দেখলাম। তিনি বলেন, পরে আমি তা ছিড়ে আমার স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করে দিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৯, ইসলামিক সেন্টার)

39

শাইবান ইবনু ফাররূখ ও আবূ কামিল (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমার (রাযিঃ) এর কাছে একটি রেশমী আলখাল্লা প্রেরণ করলে উমার (রাযিঃ) বললেন, আপনি এটি আমার নিকটে প্রেরণ করলেন, অথচ আপনি এটি সম্পর্কে কত কিছু না বলেছেন? তিনি বললেনঃ আমি সেটা এজন্য পাঠাইনি যে, তুমি তা ব্যবহার করবে। আমি শুধু এজন্য প্রেরণ করেছি যে, তুমি এর ক্রয়কৃত অর্থ দিয়ে লাভবান হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫০, ইসলামিক সেন্টার)

40

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক ইহকালে রেশম জাতীয় বস্ত্র পরে, আখিরাতে সে তা পরিধান করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫১, ইসলামিক সেন্টার)

41

ইবরাহীম ইবনু মূসা আর রাযী (রহঃ) …. আবূ উমামাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক পৃথিবীতে রেশম জাতীয় বস্ত্র পরে আখিরাতে সে তা পরিধান করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫২, ইসলামিক সেন্টার)

42

কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... উকবাহ ইবনু আমির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে রেশমের তৈরি একটি শেরওয়ানী উপহার দেয়া হলে তিনি তা পরলেন। অতঃপর তাতেই তিনি সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। যখন সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) শেষ করলেন, তখন সেটি খুব তাড়াতাড়ি খুলে ফেললেন। তিনি যেন ওটা অপছন্দ করেছেন। অতঃপর তিনি বললেন, মুত্তাকীদের জন্য এটা ব্যবহার করা অনুচিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫৩, ইসলামিক সেন্টার)

43

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইয়াযীদ ইবনু আবূ হাবীব (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫৪, ইসলামিক সেন্টার)

44

আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্দুর রহমান ইবনু আওফ ও যুবায়র ইবনু আওওয়াম (রাযিঃ) কে তাদের চর্ম বা এলাৰ্জি জাতীয় রোগ বা অন্য কোন রোগের দরুন সফরে রেশমী পোশাক পরিধানের অনুমতি দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫৫, ইসলামিক সেন্টার)

45

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ...... সাঈদ (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত রয়েছে। তবে তিনি [মুহাম্মাদ ইবনু বিশর (রহঃ)] 'সফরে' কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫৬, ইসলামিক সেন্টার)

46

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবায়র ইবনু আওওয়াম ও আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) কে তাদের চর্ম (এলাৰ্জি) রোগের দরুন রেশমী বস্ত্র ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছেন। কিংবা তিনি বলেন, তাদের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫৭, ইসলামিক সেন্টার)

47

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) মুহাম্মাদ ইবনু জা'ফার (রহঃ) এর সানাদে শু'বাহ্ (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫৮, ইসলামিক সেন্টার)

48

যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, আবদুর রহমান ইবনু আওফ ও যুবায়র ইবনু আওওয়াম (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে (শরীরে) উকুনের অভিযোগ করলে তিনি তাদেরকে এক যুদ্ধে রেশমী কামিস (জামা) পরার অনুমতি দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫৯, ইসলামিক সেন্টার)

49

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল ‘আস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পরিধানে হলুদ রংয়ের দুটি বস্ত্র দেখে বললেন, এগুলো কাফিরদের বস্ত্র। অতএব তুমি এসব পরবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৬০, ইসলামিক সেন্টার)

50

যুহায়র ইবনু হারব ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেন। কিন্তু তারা উভয়ে খালিদ ইবনু মা'দান (রহঃ) এর থেকে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৬১, ইসলামিক সেন্টার)

51

দাউদ ইবনু রুশায়দ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার গায়ে হলুদ রংয়ের দুটি বস্ত্র প্রত্যক্ষ করে বললেন, তোমার মা কি তোমাকে এ কাজে নির্দেশ দিয়েছেন? আমি বললাম, এ দু'টি ধুয়ে ফেলি? তিনি বললেন, বরং দুটিকেই পুড়ে ফেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৬২, ইসলামিক সেন্টার)

52

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাসসী (এক প্রকার রেশমী বস্ত্র) ও মু'আসফার হলুদ রংয়ের বস্ত্র পরিধান করতে, স্বর্ণের আংটি পরিধান করতে এবং রুকু’তে কুরআন পাঠ করতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৬৩, ইসলামিক সেন্টার)

53

হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রুকূ’ অবস্থায় কুরআন পাঠ করতে, সোনা ও হলুদ রংয়ের বস্ত্র পরিধান করতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৬৪, ইসলামিক সেন্টার)

54

আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সোনার আংটি পরিধান করতে, কাসসী বস্ত্র পরিধান করতে, রুকূ’ ও সিজদায় কুরআন পাঠ করতে এবং হলুদ রংয়ের বস্ত্র পরতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৬৫, ইসলামিক সেন্টার)

55

হাদ্দাব ইবনু খালিদ (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ)-কে বললাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সবচেয়ে প্রিয় ও আকর্ষণীয় পোশাক কি ছিল? তিনি বললেনঃ হিবারাহ নামক ইয়ামানী চাদর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৬৬, ইসলামিক সেন্টার)

56

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বস্ত্র ছিল হিবারাহ নামক ইয়ামানী চাদর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৬৭, ইসলামিক সেন্টার)

57

শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আবূ বুরদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) এর কাছে গেলে তিনি আমাদের সম্মুখে ইয়ামানের প্রস্তুত করা মোটা কাপড়ের একটি লুঙ্গি ও মুলাববাদাহ্ নামক একটি চাদর বের করলেন। তিনি বলেন, অতঃপর তিনি (আয়িশাহ) আল্লাহর কসম করে বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুটি বস্ত্র পরিহিত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৬৮, ইসলামিক সেন্টার)

58

আলী ইবনু হুজর সাদী, মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ বুরদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) আমাদের সম্মুখে একটি লুঙ্গি ও একটি তালি বিশিষ্ট চাদর বের করে বললেন, এর মধ্যেই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুতুবরণ করেন। ইবনু হাতিম (রহঃ) তার হাদীসে মোটা লুঙ্গির কথা বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৬৯, ইসলামিক সেন্টার)

59

(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আইয়্যুব (রহঃ) হতে উল্লেখিত সানাদে অনুরূপ বৰ্ণিত আছে। তিনিও মোটা ইযারের (লুঙ্গি) কথা বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৭০, ইসলামিক সেন্টার)

60

সুরায়জ ইবনু ইউনুস, ইবরাহীম ইবনু মূসা ও আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ঘর থেকে) একটি চাদর শরীরে জড়িয়ে বের হয়েছিলেন- যার মধ্যে কালো পশম দ্বারা উটের হাওদার আবৃত নকশা অঙ্কিত ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৭১, ইসলামিক সেন্টার)

61

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে বালিশের উপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেলান দিতেন সেটি ছিল চর্মের। এর অভ্যন্তরে খেজুর গাছের ছাল ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৭২, ইসলামিক সেন্টার)

62

‘আলী ইবনু হুজর সা’দী (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাতে ঘুমাতেন, সেটি চামড়ার তৈরি ছিল এবং তার অভ্যন্তরে ভরা ছিল খেজুর গাছের ছাল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৭৩, ইসলামিক সেন্টার)

63

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) হিশাম (রহঃ) হতে উল্লেখিত সানাদে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেন। তবে তারা দু'জন 'ফিরাশ' এর স্থলে 'যিজা' বলেছেন। আর আবূ মু'আবিয়াহ্ (রহঃ) এর হাদীসে আছে 'যার উপর তিনি ঘুমাতেন'। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৭৪, ইসলামিক সেন্টার)

64

কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ আমর আন নাকিদ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বিবাহ করলে আমাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কি বিছানার শাল প্রস্তুত করেছ? আমি বললাম, আমরা বিছানার শাল পাব কোথায়? তিনি বললেন, শীঘ্রই এর ব্যবস্থা হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৭৫, ইসলামিক সেন্টার)

65

মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যখন বিবাহ করলাম, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি কি বিছানার চাদর প্রস্তুত করেছ? আমি বললাম, আমরা বিছানার চাদর পাব কোথায়? তিনি বললেন, অচিরেই এর ব্যবস্থা হবে। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমার সহধর্মিণীর নিকট একটি বিছানার শাল ছিল। আমি বললাম, তুমি এটিকে আমার কাছ থেকে সরিয়ে ফেল। সে বলল, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অচিরেই এর ব্যবস্থা হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৭৬, ইসলামিক সেন্টার)

66

(… /...) মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ... সুফইয়ান (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত আছে। তবে তিনিفَأَدَعُهَا কথাটি অতিরিক্ত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৭৬, ইসলামিক সেন্টার)

67

আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ (রহঃ)..... জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছেন, একটি শয্যা পুরুষের, দ্বিতীয় শয্যা তার স্ত্রীর, তৃতীয়টি অতিথির জন্য আর চতুর্থটি (যদি প্রয়োজনীতিরিক্ত হয়) শাইতানের জন্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৭৭, ইসলামিক সেন্টার)

68

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক দম্ভ করে তার বস্ত্র (পায়ের গিরার নীচে) বুলিয়ে রাখে, আল্লাহ তার প্রতি (রহমতের দৃষ্টিতে) লক্ষ্য করবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৭৮, ইসলামিক সেন্টার)

69

(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ, আবূ রাবী', আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব, কুতাইবাহ, ইবনু রুমহ ও হারূন আইলী (রহঃ) ...... ইবনু উমার (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মালিক (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তারা 'কিয়ামত দিবসে' উক্তিটি অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৭৯, ইসলামিক সেন্টার)

70

আবূ তাহির (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অহমিকাবশতঃ তার কাপড়গুলো (টাখনুর নীচে) ঝুলিয়ে দেবে, কিয়ামতের দিনে আল্লাহ তার প্রতি (রহমতের নযরে) দৃষ্টি দিবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৮০, ইসলামিক সেন্টার)

71

(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উল্লেখিত রাবীদের হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৮১, ইসলামিক সেন্টার)

72

(…) ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক দম্ভভরে তার বস্ত্র (টাখনুর নিচে) ঝুলিয়ে রাখবে, কিয়ামতের দিনে আল্লাহ তার দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দিবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৮২, ইসলামিক সেন্টার)

73

ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি। রাবী উপরোক্ত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। তবে তিনি ثَوْبَهُ এর পরিবর্তে ثِيَابَهُ বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৮৩, ইসলামিক সেন্টার)

74

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি এক লোককে তার লুঙ্গি (টাখনুর নিচে) ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে বললেন, তুমি কোন্‌ কওমের লোক? সে তার বংশ পরিচয় দিল। বোঝা গেল সে বানী লায়স সম্প্রদায়ের লোক। তাকে তিনি চিনতে পারলেন। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমার এ দুটি কানে বলতে শুনেছি, যে লোক তার লুঙ্গি ঝুলিয়ে চলাফেরা করে আর এর মাধ্যমে শুধু অহঙ্কার প্রকাশ করতে চায় তাহলে কিয়ামতের দিনে আল্লাহ তার প্রতি (রহমতের) দৃষ্টি দিবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৮৪, ইসলামিক সেন্টার)

75

ইবনু নুমায়র, উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয ও ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হুবহু রিওয়ায়াত করেন। তবে আবূ ইউনুস মুসলিম আবিল হাসান থেকে হাদীস বর্ণনা করেছে তাদের সকলের বর্ণনায় আছেإِزَارَهُ বাক্যটি, তারাثَوْبَهُ শব্দটি বলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৮৫, ইসলামিক সেন্টার)

76

মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ইবনু জা'ফার (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার (রাযিঃ) এর কাছে এ কথা জানার জন্য নাফি ইবনু আবদুল হারিস (রহঃ) এর মুক্তকৃত দাস মুসলিম ইবনু ইয়াসারকে নির্দেশ প্রদান করলাম যে, আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সে লোক সম্পর্কে কিছু শুনেছেন, যে লোক দম্ভভরে তার লুঙ্গি ঝুলিয়ে চলে? তখন আমি তাদের উভয়ের মাঝেই উপস্থিত ছিলাম। তিনি [ইবনু উমার (রাযিঃ)] বললেন, আমি তাকে (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে) বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের দিনে আল্লাহ তার দিকে (রহমতের) দৃষ্টিপাত করবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৮৬, ইসলামিক সেন্টার)

77

আবূ তাহির (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমার লুঙ্গিটি একটু ঝুলানো অবস্থায় ছিল। তিনি বললেন, হে 'আবদুল্লাহ! তোমার ইযারটি (লুঙ্গি বা পায়জামা) উপরে উঠও। সে সময় আমি তা উপরে উঠালে তিনি আবার বললেনঃ আরো উপরে। আমি আরো উপরে তুললাম। তখন থেকেই সব সময় আমি এর ব্যাপারে সজাগ থাকি। উপবিষ্ট লোকদের একজন বলল, কত উপরে (তুলেছিলেন)? তিনি বললেন (নিস্‌ফ সাক)* অর্ধ গোছা পর্যন্ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৮৭, ইসলামিক সেন্টার)

78

উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি- (তিনি বাহরাইনের গভর্নর ছিলেন), একবার তিনি লক্ষ্য করলেন, এক লোক লুঙ্গি ঝুলিয়ে চলছে আর নিজ পা মাটিতে মেরে বলছেঃ গভর্নর এসেছেন, গভর্নর এসেছেন ...... রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ সে ব্যক্তির প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে দেখবেন না, যে তার লুঙ্গি ঝুলিয়ে চলে অহংকার বশে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৮৮, ইসলামিক সেন্টার)

79

(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) শু'বাহ্ (রহঃ) ..... থেকে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেন। তবে ইবনু জাফার (রহঃ) এর হাদীসে রয়েছে মারওয়ান (রহঃ) আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) কে তার স্থলাভিষিক্ত করেন। আর ইবনুল মুসান্না (রহঃ) এর হাদীসে রয়েছে "আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) মাদীনায় গভর্নর ছিলেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৮৯, ইসলামিক সেন্টার)

80

আবদুর রহমান ইবনু সাল্লাম জুমাহী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক (রাস্তায়) চলাফেরা করছিল। তার মাথার চুল ও দু'টি চাদর তাকে পুলকিত করে তুলছিল। এমন সময় তাকে জমিনে দাবিয়ে দেয়া হলো। সে কিয়ামত অবধি মাটির নিচে দাবতে থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৯০, ইসলামিক সেন্টার)

81

উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয, মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৯১, ইসলামিক সেন্টার)

82

কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জনৈক লোক তার দুটি চাদর পরিধান করে অহংকারের সাথে চলাফেরা করছিল। আপন ব্যক্তিত্বকে সে ভাল মনে করছিল। অকস্মাৎ আল্লাহ তাকে জমিনে ধসে দিলেন। কিয়ামত অবধি সে মাটির জমিনে ধসতে থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৯২, ইসলামিক সেন্টার)

83

(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ হাদীসগুলো আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) আমাদেরকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি কতিপয় হাদীস বর্ণনা করলেন। (তার মধ্যে একটি অন্যতম হলো), রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জনৈক লোক তার দু' চাদর পরিধান করে দাম্ভিকতার সাথে রাস্তায় চলছিল। অতঃপর হাম্মাম (রহঃ) উল্লেখিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৯৩, ইসলামিক সেন্টার)

84

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) .... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতগণের কোন এক লোক হুল্লা পরিধান করে অহংকারের সাথে পথ চলছিল। অতঃপর রাবী আবূ রাফি' (রহঃ) তাদের হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৯৪, ইসলামিক সেন্টার)

85

উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি স্বর্ণের আংটি পরিধান করতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৯৫, ইসলামিক সেন্টার)

86

(মুহাম্মদ) ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার, মুহাম্মাদ ইবনু জা'ফার (রহঃ)-এর সানাদে শু’বাহ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু ইবনুল মুসান্না (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছে, আমি নাযর ইবনু আনাস (রহঃ) হতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ৫২৯৬, ইসলামিক সেন্টার)

87

মুহাম্মাদ ইবনু সাহল তামীমী (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক লোকের হাতে একটি সোনার আংটি লক্ষ্য করে সেটি খুলে ফেলে দিলেন এবং বললেন, তোমাদের মাঝে কেউ কেউ আগুনের টুকরা জোগাড় করে তার হাতে রাখে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে স্থান ত্যাগ করলে ব্যক্তিটিকে বলা হলো, তোমার আংটিটি উঠিয়ে নাও। এটি দিয়ে উপকার হাসিল করো। সে বলল, না। আল্লাহর কসম! আমি কক্ষনো ওটা নেব না। কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো ওটা ফেলে দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৯৬, ইসলামিক সেন্টার)

88

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামিমী ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ্ ও কুতাইবাহ্ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোনার একটি আংটি প্রস্তুত করলেন। তিনি যখন এটি পরিধান করতেন এর মোহরাংশটি হাতের তালুর দিকে রাখতেন। লোকেরাও এ রকম প্রস্তুত করে নিল। অতঃপর একদা তিনি মিম্বারে বসে সেটি খুলে ফেললেন এবং বললেনঃ আমি এ আংটিটি পরিধান করতাম আর এর মোহরটি ভেতরের দিকে রাখতাম। অতঃপর তিনি তা ছুড়ে ফেললেন। তারপর বললেন, আল্লাহর শপথ আমি এটি আর কক্ষনো পরিধান করবো না। সে সময় লোকেরাও তাদের স্ব স্ব আংটিগুলো ছুড়ে ফেলে দিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৯৭, ইসলামিক সেন্টার)

89

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, যুহায়র ইবনু হারব, ইবনুল মুসান্না ও সাহল ইবনু উসমান (রাযিঃ) ইবনু উমার (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে স্বর্ণের আংটি সম্বন্ধে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু রাবী উকবাহ ইবনু খালিদ (রহঃ) এর হাদীসে এ কথাটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন- "তিনি এটি তার ডান হাতে ব্যবহার করতেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৯৮, ইসলামিক সেন্টার)

90

(…) আহমাদ ইবনু আবদাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক মুসাইয়্যাবী, মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ও হারূন আইলী (রহঃ) ...... ইবনু উমার (রাযিঃ) সানাদে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে স্বর্ণের আংটির ব্যাপারে লায়স (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৯৮, ইসলামিক সেন্টার)

91

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রৌপ্যের একটি আংটি প্রস্তুত করেছিলেন। এটি (সর্বদা) তার হাতেই থাকত। অতঃপর আবূ বাকর (রাযিঃ) এর হাতে, পর্যায়ক্রমে উমার (রাযিঃ) এর হাতে, অতঃপর উসমান (রাযিঃ) এর হাতে ছিল এবং তার হাতে থেকেই সেটি আরীস' নামক কূপে পড়ে গেল। তাতে খোদিত ছিল مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ। ইবনু নুময়র (রহঃ) বলেন, পরিশেষে সেটি কুয়ায় পতিত হল তবে 'তার হাত হতে পড়েছে' এ কথা তিনি বলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৯৯, ইসলামিক সেন্টার)

92

(…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আমর আন নাকিদ, মুহাম্মদ ইবনু আব্বাস ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের একটি আংটি প্রস্তুত করে কয়েকদিন পর তা ফেলে দিলেন। অতঃপর একটি রূপার আংটি বানিয়ে তাতেمُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ কথাটি খোদাই করলেন। তিনি বললেন, আমার এ আংটির খোদাইয়ের মতো কেউ যেন অবিকল খোদাই না করে। তিনি যখন এটি পরতেন, এর মোহরটি হাতের তালু-মুখী করে রাখতেন। মু'আইকীব (রাযিঃ) হতে 'আরীস' নামক কূপে সেটা পড়ে গিয়ে ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩০০, ইসলামিক সেন্টার)

93

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, খালাফ ইবনু হিশাম ও আবূ রাবী' আতাকী (রহঃ) .... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রূপার একটি আংটি বানালেন এবং তাতেمُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ কথাটি খোদাই করলেন। তিনি মানুষদের বললেন, আমি একটি রূপার আংটি বানিয়েছি এবং তাতেمُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ কথাটি খোদাই করেছি। অতএব কেউ যেন এর হুবহু খোদাই না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩০১, ইসলামিক সেন্টার)

94

(…/...) আহমাদ ইবনু হাম্বাল, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... আনাস (রাযিঃ) সানদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীসটি বর্ণিত আছে। কিন্তু রাবী হাদীসেمُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ কথাটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩০২, ইসলামিক সেন্টার)

95

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোমে (সম্রাটের কাছে) চিঠি প্রেরণ করতে চাইলেন সে সময় সহাবাগণ বললেন, তারা তো মোহরাঙ্কিত চিঠি ব্যতীত ভিন্ন কোন চিঠি পড়ে না। তিনি (আনাস) বলেন, পরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রূপার একটি আংটি তৈরি করলেন। এখনো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে আমি যেন এর স্বচ্ছতা দেখতে পাচ্ছি। এতেمُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ কথাটি খোদিত ছিল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩০৩, ইসলামিক সেন্টার

96

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন অনারবদের (বাদশাহদের) কাছে চিঠি দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলেন। তাকে বলা হলো, অনারবরা তো শুধু মোহরাংকিত চিঠি গ্রহণ করে। সে সময় তিনি একটি রূপার আংটি তৈরি করে নিলেন। আনাস (রাযিঃ) বলেন, আমি এখনো যেন তার হাতে সেটির স্বচ্ছতা লক্ষ্য করছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩০৪, ইসলামিক সেন্টার)

97

নাসর ইবনু আলী জাহযামী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (পারস্য সম্রাট) কিসরা, (রোম বাদশা) কায়সার ও (আবিসিনিয়ার সম্রাট) নাজাশীর কাছে চিঠি লেখার আকাজক্ষা করলে তাকে বলা হলো তারা তো সিলমোহর ছাড়া পত্র গ্রহণ করে না। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রূপার একটি আংটি তৈরি করলেন এবং এতেمُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ কথাটি খোদাই করলেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩০৫, ইসলামিক সেন্টার

98

আবূ ইমরান মুহাম্মাদ ইবনু জাফর ইবনু যিয়াদ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে একদা রূপার একটি আংটি লক্ষ্য করলেন। তিনি বলেন, লোকেরাও রূপার আংটি তৈরি করে ব্যবহার করতে লাগল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার আংটিটি নিক্ষেপ করলে লোকেরাও তাদের আংটিগুলো নিক্ষেপ করে দিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩০৬, ইসলামিক সেন্টার)

99

(…) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে একদা রূপার একটি আংটি লক্ষ্য করলেন, এরপর লোকেরাও রূপার আংটি তৈরি করে পরিধান করতে লাগলো। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার আংটিটি নিক্ষেপ করলে লোকেরাও তাদের আংটিগুলো নিক্ষেপ করে ফেলে দিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩০৭, ইসলামিক সেন্টার)

100

(…/...) উকবাহ ইবনু মুকরাম আম্মী (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩০৮, ইসলামিক সেন্টার)

101

ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আংটিটি ছিল রূপার প্রস্তুতকৃত। এর মোহরটি ছিল হাবশী*। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩০৯, ইসলামিক সেন্টার)

102

(…) উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ ও আব্বাদ ইবনু মূসা (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ডান হাতে রূপার একটি আংটি পরিধান করেছেন। তাতে হাবশী মোহর ছিল। তিনি এর মোহরটি হাতের তালুর দিকে রাখতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩১০, ইসলামিক সেন্টার)

103

(…/...) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইউনুস ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) উপরোল্লিখিত সূত্রে তালহাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩১১, ইসলামিক সেন্টার)

104

আবূ বাকর ইবনু খাল্লাদ বাহিলী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আংটি ছিল এ আঙ্গুলে- এ কথা বলে তিনি বাম হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুলের দিকে ইঙ্গিত করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩১২, ইসলামিক সেন্টার)

105

মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বারণ করেছেন, আমি যেন এ আঙ্গুলে অথবা এ আঙ্গুলে আমার আংটি পরিধান না করি। আসিম (রহঃ) এর জানা নেই দু'টির কোনটি হবে এবং তিনি আমাকে কাসসী জামা পরিধান করতে এবং "মায়াসির" এর উপর বসতে বারণ করেছেন। কাসসী হলো ডোরাদার কাপড়- যা মিসর ও সিরিয়া হতে আমদানি করা হতো, তাতে এমন এমন নকশা থাকতো। আর মায়াসির হলো- সে (নরম রেশমজাত) কাপড় যা মহিলারা তাদের স্বামীদের জন্য হাওদায় বিছিয়ে দেয়, বিছানার লাল শালের মতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩১৩, ইসলামিক সেন্টার)

106

(…/...) ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) এর এক ছেলে সন্তান হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলী (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি। অতঃপর রাবী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অবিকলভাবে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩১৪, ইসলামিক সেন্টার)

107

(…/...) ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বারণ করেছেন অথবা নিষেধ করেছেন। অতঃপর রাবী হুবহু বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩১৫, ইসলামিক সেন্টার)

108

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ বুরদাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রাযিঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বারণ করেছেন, আমি আমার এ আঙ্গুল অথবা এ আঙ্গুলে যেন আংটি পরিধান না করি। এ বলে তিনি তার মধ্যমা ও তার (ডান) আঙ্গুলের দিকে ইশারা করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩১৬, ইসলামিক সেন্টার)

109

সালামাহ্ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এক জিহাদে বলতে শুনেছি- তোমরা অধিকাংশ (সময়) জুতা পরে থাকবে। কারণ মানুষ যে পর্যন্ত জুতা পরিহিত থাকে, সে পর্যন্ত সে সওয়ার থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩১৭, ইসলামিক সেন্টার)

110

আব্দুর রহমান ইবনু সাল্লাম জুমাহী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ জুতা পরবে, তখন প্রথমে ডান পায়ে পরবে। আর যে সময় খুলবে, সে সময় আগে বাম পায়ের জুতা খুলবে। আর হয় দু’খানাই পায়ে দিবে, অথবা দু’খানাই খুলে ফেলবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩১৮, ইসলামিক সেন্টার)

111

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ এক পায়ে জুতা পরিধান করে যেন চলাফেরা না করে। হয়তো দু’খানাই পায়ে দিবে; অথবা দু’খানাই খুলে ফেলবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩১৯, ইসলামিক সেন্টার)

112

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ রাযীন (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) আমাদের নিকট আসলেন এবং নিজ হাত কপালে চাপড়ে বললেন, তোমরা কি বলাবলি কর যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর মিথ্যারোপ করি? যাতে তোমরা তোমাদের হিদায়াতপ্রাপ্ত হবার দাবি করতে পারো আর আমি পথভ্রষ্ট প্রতীয়মান হই? শোন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যে সময় তোমাদের কারো একটি জুতার ফিতা ছিড়ে যায়, তখন সেটি ঠিক না করা পর্যন্ত সে যেন অন্য জুতাটি পায়ে দিয়ে চলাচল না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩২০, ইসলামিক সেন্টার)

113

আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ অর্থের হাদীস বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩২০, ইসলামিক সেন্টার)

114

কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন লোকের বাম হাতে খাবার খাওয়া, এক পায়ে জুতা পরিধান করে চলাফেরা করা, এক কাপড়ে সারা শরীরে জড়িয়ে রাখা ও লজ্জাস্থান উন্মুক্ত রেখে- এক কাপড়ে গুটি মেরে উপবিষ্ট হতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩২১, ইসলামিক সেন্টার)

115

আহমাদ ইবনু ইউনুস ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন অথবা তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, যখন তোমাদের কারো একটি জুতার ফিতা ছিড়ে যায়, তখন সে যেন এক জুতা পায়ে না চলে। যে পর্যন্ত সে তার ফিতাটি ঠিক না করে। আর কেউ যেন এক মোজা পায়ে দিয়ে না চলে, বাম হাতের খাবার না খায়, এক কাপড়ে গুটি মেরে না বসে এবং এক কাপড়ে সারা দেহে জড়িয়ে না রাখে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩২২, ইসলামিক সেন্টার)

116

কুতাইবাহ ও রুমহ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক কাপড়ে সারা দেহে জড়িয়ে রাখা, এক কাপড়ে গুটি মেরে বসা এবং চিৎ হয়ে ঘুমানো অবস্থায় এক পায়ের উপর অপর পা উঠিয়ে রাখতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩২৩, ইসলামিক সেন্টার)

117

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক জুতা (এক পায়ে) পরিধান করে হাটবে না, এক লুঙ্গি গুটি মেরে বসবে না, বাম হাতে খাদ্য খাবে না, এক কাপড়ে সারা দেহে জড়িয়ে রাখবে না এবং চিত হয়ে ঘুমানো অবস্থায় এক পায়ের উপর অপর পা তুলবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩২৪, ইসলামিক সেন্টার)

118

ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন চিৎ হয়ে শুয়ে এক পায়ের উপর অপর পা না উঠায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩২৫, ইসলামিক সেন্টার)

119

ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আব্বাদ ইবনু তামীম (রহঃ) এর চাচা হতে বর্ণিত যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মসজিদে চিৎ হয়ে ঘুমানো অবস্থায় এক পায়ের উপর অপর পা উঠিয়ে রাখতে দেখেছেন।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩২৬, ইসলামিক সেন্টার)

120

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, আবূ তাহির, হারমালাহ ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩২৭, ইসলামিক সেন্টার)

121

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ রাবী’ ও কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাফরানী রংয়ের কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন। কুতাইবাহ (রহঃ) বলেন, হাম্মাদ (রহঃ) বলেছেন, অর্থাৎ- পুরুষদেরকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩২৮, ইসলামিক সেন্টার)

122

(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ‘আমর আন্‌ নাকিদ, যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু নুমায়র ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষদেরকে জাফরানী রং-এর কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩২৯, ইসলামিক সেন্টার)

123

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (মাক্কাহ) বিজয়ের বৎসর অথবা (রাবী বলেছেন, বর্ণনা সংশয়) (মাক্কাহ) বিজয়ের দিবসে (আবূ বাকর এর আব্বা) আবূ কুহাফাহ্ (রাযিঃ) কে পেশ করা হলো অথবা (বর্ণনা সংশয়, বর্ণনাকারী বলেছেন-) তিনি (নিজেই) এলেন। তার মাথা ('র চুল) ও দাড়ি সাগাম* বা সাগামাহ-এর ন্যায় (শুভ্র) ছিল। সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তার গৃহের নারীদের নিকট নিয়ে যেতে নির্দেশ করলেন, অথবা (বর্ণনা সন্দেহ, বর্ণনাকারী বলেছেন) তাকে নিয়ে যাওয়ার আদেশ দেয়া হলো এবং তিনি বললেন, এ (সাদা রং) টিকে কোন কিছু দিয়ে পাল্টিয়ে দাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৩০, ইসলামিক সেন্টার)

124

আবূ তাহির (রহঃ) জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাক্কাহ বিজয়ের দিবসে আবূ কুহাফাহ্ (রাযিঃ) কে নিয়ে আসা হলো; তার চুল-দাড়ি ছিল সাগামা'র ন্যায় শুভ্র। সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, একে একটা কিছু দিয়ে পাল্টে দাও; তবে কালো রং থেকে বিরত থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৩১, ইসলামিক সেন্টার)

125

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইয়াহুদী ও নাসারারা খিযাব লাগায় না। অতএব তোমরা তাদের বিপরীত করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৩২, ইসলামিক সেন্টার)

126

সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জিবরীল (আঃ) কোন এক নির্দিষ্ট সময়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসার অঙ্গীকার করলেন। তবে ঠিক সময়ে তিনি আসলেন না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে একটি লাঠি ছিল তিনি তা হাত থেকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে বললেন, আল্লাহ তো তার অঙ্গীকার ভঙ্গ করেন না; তাঁর রসূলগণও না। তারপর তিনি ভালভাবে তার খাটের তলায় একটি কুকুর সাবক লক্ষ্য করলেন। সে সময় তিনি বললেন, হে ‘আয়িশাহ! কুকুর (ছানা)টি এখানে প্রবেশ করলো কখন? আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, আল্লাহর শপথ আমি এ ব্যাপারে অজ্ঞাত। সে সময় তিনি নির্দেশ দিলেন সেটিকে বের করে দেয়া হলো। এমন সময় জিবরীল (আঃ) আসলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আপনি আমাকে অঙ্গীকার করেছিলেন, তাই আমি আপনার অপেক্ষায় বসেছিলাম কিন্তু আপনি আসলেন না। তিনি বললেন, আপনার গৃহে (অবস্থানরত) কুকুরটি আমার জন্য বাধা স্বরূপ ছিল। কেননা যে গৃহে কোন ছবি অথবা কুকুর থাকে, সে গৃহের ভিতরে আমরা (রহমতের ফেরেশতারা) যাই না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৩৩, ইসলামিক সেন্টার)

127

(…/...) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হানযালী (রহঃ) ..... আবূ হাযিম (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে বর্ণনা করেন যে, জিব্‌রীল (আঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসার অঙ্গীকার করেছিলেন। ..... অতঃপর তিনি হাদীস শেষ পর্যন্ত উল্লেখ করেছেন। কিন্তু তিনি রাবী আবদুল আযীয ইবনু আবূ হাযিম (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের মতো তার বর্ণনা এত লম্বা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৩৪, ইসলামিক সেন্টার)

128

হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাইমূনাহ্ (রাযিঃ) আমাকে বলেছেন যে, একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিমৰ্ষ অবস্থায় সকালে উঠলেন। তখন মাইমূনাহ্ (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আজকে আপনার চেহারা মুবারক বিষন্ন দেখছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ জিবরীল (আঃ) আজ রাত্রে আমার সাথে সাক্ষাৎ করার অঙ্গীকার করেছিলেন, কিন্তু তিনি আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। জেনে রাখো, আল্লাহর কসম! তিনি (কক্ষনো) আমার সঙ্গে ওয়াদা খিলাফ করেননি। পরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সে দিনটি এভাবেই কাটালেন। এরপর আমাদের পর্দা (ঘেরা খাট)-এর নিচে একটি কুকুর ছানার কথা তার স্মরণ হলো। তিনি নির্দেশ করলে সেটি বের করে দেয়া হলো। অতঃপর তিনি তার হাতে সামান্য পানি নিয়ে তা ঐ (কুকুর শাবক বসার) স্থানে ছিটিয়ে দিলেন। অতঃপর সূর্যাস্ত হলে জিবরীল (আঃ) তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। সে সময় তিনি তাকে বললেন, আপনি তো গত রাত্রে আমার সাথে সাক্ষাৎ করার অঙ্গীকার করেছিলেন। তিনি বললেন, হ্যাঁ। তবে আমরা (ফেরেশতারা) সে সকল গৃহে প্রবেশ করি না যে সকল গৃহে কোন কুকুর থাকে। অথবা কোন (প্রাণীর) ছবি থাকে। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেদিন সকাল বেলায় কুকুর নিধনের নির্দেশ দিলেন। এমনকি তিনি ছোট বাগানের (পাহারাদার) কুকুরও মেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং বড় বড় বাগানের কুকুরগুলোকে মুক্তি দিয়েছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৩৫, ইসলামিক সেন্টার)

129

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ আমর আন নাকিদ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ)-এর সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, ফেরেশতাগণ সে গৃহে প্রবেশ করেন না, যে গৃহে কোন কুকুর অথবা কোন (প্রাণীর) ছবি থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৩৬, ইসলামিক সেন্টার)

130

আবূ তাহির (রহঃ) ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, ফেরেশতারা এমন কোন গৃহে প্রবেশ করেন না, যে গৃহে কুকুর অথবা (প্রাণীর) ছবি থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৩৭, ইসলামিক সেন্টার)

131

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে ইউনুস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে সানাদের মাঝে মা'মার (রহঃ)عن এর স্থানেأخبر লিখেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৩৮, ইসলামিক সেন্টার)

132

কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী আবূ তালহাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফেরেশতারা সে গৃহে প্রবেশ করেন না, যে গৃহে কোন ছবি থাকে। বর্ণনাকারী বুস্‌র (রহঃ) বলেন, এরপর যায়দ (রহঃ) পীড়িত হয়ে পড়লে আমরা তাকে দেখতে গেলাম। লক্ষ্য করলাম তার দরজায় একটি পর্দা রয়েছে, যাতে ছবি রয়েছে। আমি সে সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী মাইমূনাহ্ (রাযিঃ) এর পালিত সন্তান উবাইদুল্লাহ খাওলানী (রহঃ) কে বললাম— (পূর্বে এক দিন) ছবির বিষয়ে কি যায়দ (রহঃ) আমাদের নিকট হাদীস উল্লেখ করেছেন (আর এখন তার পর্দায় ছবি!)? উবাইদুল্লাহ বললেন, তুমি কি তার এ কথাটি শোননি। তিনি এটাও বলেছেন যে, কোন কাপড়ে আঁকা ছবি এর আওতাভুক্ত নয়।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৩৯, ইসলামিক সেন্টার)

133

আবূ তাহির (রহঃ) ..... আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফেরেশতারা সে গৃহে প্রবেশ করেন না, যে গৃহে কোন ছবি রয়েছে। রাবী বুস্‌র (রহঃ) বলেন, যায়দ ইবনু খালিদ (রহঃ) পীড়িত হলে, আমরা তাকে দেখতে গেলাম। সে সময় আমরা তার ঘরে একটি পর্দায় অনেক ছবি আছে দেখতে পেলাম। সে সময় আমি উবাইদুল্লাহ খাওলানী (রহঃ) কে বললাম, তিনি কি ছবির ব্যাপারে আমাদের কাছে হাদীস উল্লেখ করেননি? উত্তরে বললেন, তিনি বলেছিলেন তবে কাপড়ে আঁকা ছবি। তুমি কি তা শুনতে পাওনি? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, অবশ্যই তিনি বলেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৪০, ইসলামিক সেন্টার)

134

(…/২১০৭) রাবী [যায়দ ইবনু খালিদ (রহঃ)] বলেন, অতঃপর আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কাছে গিয়ে প্রশ্ন করলাম, ইনি (আবূ তালহাহ) আমাকে বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফেরেশতারা সে গৃহে প্রবেশ করেন না, যে গৃহে কোন কুকুর অথবা মূর্তি থাকে। আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেন, না। কিন্তু আমি যা করতে তাকে দেখেছি, তার বর্ণনা তোমাদের নিকটে দিচ্ছি। আমি তাকে লক্ষ্য করেছি, তিনি (কোন) জিহাদে বেরিয়ে গেলেন। সে সময় আমি একটি পাতলা নরম শাল জোগাড় করলাম এবং তা দ্বারা দরজার পর্দা তৈরি করলাম। তিনি প্রত্যাবর্তন করে যখন চাদরটি প্রত্যক্ষ করলেন, তখন তার চেহারায় আমি বিমৰ্ষভাব লক্ষ্য করলাম। তিনি তা টেনে নামিয়ে ফেললেন; এমনকি তা ছিড়ে ফেললেন কিংবা টুকরা টুকরা করে ফেললেন। আর বললেন, মহান আল্লাহ আমাদেরকে পাথর অথবা মাটিকে বস্ত্র পরানোর নির্দেশ দেননি। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমরা চাদরটি কেটে দুটি বালিশ তৈরি করলাম এবং সে দুটির অভ্যন্তরে খেজুর বৃক্ষের আঁশ ঢুকিয়ে দিলাম। তাতে তিনি আমাকে আর দোষারোপ করলেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৪১, ইসলামিক সেন্টার)

135

অনুবাদ উপলব্ধ নেই

136

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফর থেকে প্রত্যাবর্তন করলেন। আমি দরজায় একটি আঁচলযুক্ত মসৃণ পর্দা ঝুলিয়ে দিলাম, তাতে পাখাযুক্ত ঘোড়া (এর ছবি) ছিল। তিনি আমাকে নির্দেশ করলেন। সে সময় আমি তা খুলে ফেললাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৪৩, ইসলামিক সেন্টার)

137

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... ওয়াকী (রহঃ) হতে উপরোক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু আবদার হাদীসে 'সফর হতে ফিরে আসলেন' কথাটি নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৪৪, ইসলামিক সেন্টার)

138

মানসুর ইবনু আবূ মুযাহিম (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট (হুজরায়) আসলেন। সে সময় আমি একটি মসৃণ বস্ত্রের পর্দা লাগিয়ে রেখেছিলাম, যাতে কোন ছবি ছিল। যার দরুন তার চেহারা বিমর্ষ হয়ে গেল। অতঃপর তিনি পর্দাটি হাতে নিয়ে তা ছিড়ে ফেললেন; তারপরে বললেনঃ কিয়ামতের দিবসে ভয়ঙ্কর শাস্তি ভোগকারী ব্যক্তিদের মধ্যে ওরাও থাকবে, যারা আল্লাহর সৃষ্টির সাথে তুলনা কার্যে অগ্রসর হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৪৫, ইসলামিক সেন্টার)

139

হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ["আয়িশাহ্ (রাযিঃ)-এর] ঘরে ঢুকলেন ..... পরবর্তী অংশ ইবরাহীম ইবনু সা'দ (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল। তবে ইউনুস বলেছেন, তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্দার দিকে ঝুঁকলেন এবং তার হাত দ্বারা তা টুকরো টুকরো করে ফেললেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৪৬, ইসলামিক সেন্টার)

140

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) .... যুহরী (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে বর্ণনা করছেন। তবে ইবনু উয়াইনাহ্ (রহঃ) এবং মা'মার (রহঃ) এর হাদীসে বর্ণিত আছেإِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا তারাمن اشد الناس (অর্থ একই) বলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৪৭, ইসলামিক সেন্টার)

141

(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট আসলেন, সে সময় আমি আমার একটি তাক পর্দা দিয়ে ঢেকে রেখেছিলাম, যার মধ্যে ছবি ছিল। তিনি সেটি দেখতে পেয়ে ছিড়ে ফেললেন এবং তার চেহারা বিমর্ষ হয়ে গেল। তিনি বললেন, হে ‘আয়িশাহ! কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলার নিকট ঐ সমস্ত ব্যক্তি ভয়ঙ্কর শাস্তি আস্বাদন করবে, যারা আল্লাহর সৃষ্টির অনুরূপ সৃষ্টি করে। আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, আমরা সে সময় সেটি কেটে ফেললাম এবং সেটা দ্বারা একটা বা দু’টো বালিশ তৈরি করলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৪৮, ইসলামিক সেন্টার)

142

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তার এক টুকরো কাপড় ছিল, যার মধ্যে নানা রকম ছবি ছিল এবং তা একটা তাকের উপরে ঝুলানো ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেদিকে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করতেন। সে সময় তিনি বললেন, এটি আমার সম্মুখ হতে সরিয়ে নাও। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, সে সময় আমি সেটি সরিয়ে ফেললাম এবং (পরে) সেটি দ্বারা কয়েকটি বালিশ তৈরি করে নিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৪৯, ইসলামিক সেন্টার)

143

(…/...) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও উকবাহ ইবনু মুকরাম (রহঃ) সাঈদ ইবনু আমির (রহঃ) হতে; অন্য সানাদে ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) আবূ আমির আকাদী হতে, দু'জনে শু’বাহ্ (রহঃ) হতে উল্লেখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৫০, ইসলামিক সেন্টার)

144

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার গৃহে প্রবেশ করলেন। আমি সে সময় একটা মসৃণ চাদর দ্বারা পর্দা তৈরি করেছিলাম, যাতে অনেক ছবি ছিল। তিনি সেটি সরিয়ে ফেললেন। পরে আমি তা দিয়ে দুটি বালিশ তৈরি করলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৫১, ইসলামিক সেন্টার)

145

হারূন ইবনু মা’রূফ (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি একটি পর্দা লটকালেন, তাতে বহু ছবি ছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করে তা ছিড়ে ফেলে দিলেন। তিনি [আয়িশাহ (রাযিঃ)] বলেন, আমি সেটি টুকরো টুকরো করে দু'টি বালিশ তৈরি করলাম। সে সময় বানু যুহরার মাওলা, রাবী'আহ ইবনু আতা নামে পরিচিত সভায় উপবিষ্ট জনৈক লোক বললেন, আপনি কি আবূ মুহাম্মাদকে এ কথা বর্ণনা করতে শুনেননি যে, আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেছেন, তারপরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে (বালিশ) দুটিতে হেলান দিতেন। ইবনু কাসিম (রহঃ) বললেন, না। তবে আমি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) এর নিকটেই এ কথা শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৫২, ইসলামিক সেন্টার)

146

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি একটি বসার গদি ক্রয় করলেন, তাতে বহু ছবি ছিল। তা দেখে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দরজায় (ঘরে না ঢুকে) দাঁড়িয়ে রইলেন। আমি তার মুখমণ্ডলে অপছন্দের বিষণ্ণতা দেখলাম- অথবা বর্ণনাকারী বলেছেন, তার অবয়বে বিমৰ্ষতার সাদৃশ্য প্রত্যক্ষ হলো। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি আল্লাহ ও তার রসূলের নিকট তওবা করছি। কিন্তু আমি কি অন্যায় করেছি? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ গদির বিষয় কি? তিনি বললেন, আপনার জন্য আমি এটি ক্রয় করেছি, আপনি তাতে বসবেন এবং তাতে হেলান দিবেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এসব ছবি তৈরিকারীদের (শাস্তি) দেয়া হবে এবং তাদের বলা হবে- তোমরা যা তৈরি করেছে তা জ্যান্ত করো। অতঃপর বললেন, যে গৃহে ছবি থাকে, সেখানে ফেরেশতা প্রবেশ করে না (ঢুকেন না)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৫৩, ইসলামিক সেন্টার)

147

কুতাইবাহ ইবনু রুমহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, আবদুল ওয়ারিস ইবনু ‘আবদুস সামাদ, হারূন ইবনু সাঈদ আইলী ও আবূ বাকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেন। কিন্তু তাদের একজনের হাদীস অন্যজনের হাদীসের তুলনায় পরিপূর্ণ। আবদুল আযীয (রহঃ) তার হাদীসে বর্ধিত বর্ণনা করেন যে, আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেছেন, তা দিয়ে তাকে আমি দুটি হেলানো বালিশ তৈরি করে দিলাম। তিনি ঘরে সে দুটিতে হেলান দিতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৫৪, ইসলামিক সেন্টার)

148

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ইবনুল মুসান্না ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যারা ছবি প্রস্তুত করে, কিয়ামতের দিন তাদের শাস্তি দেয়া হবে আর বলা হবে, তোমরা যা তৈরি করেছে তাকে জীবিত করো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৫৫, ইসলামিক সেন্টার)

149

(…/...) আবূ রাবী', আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উবাইদুল্লাহ সানাদে ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৫৬, ইসলামিক সেন্টার)

150

উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) আবূ সাঈদ আশাজ্জ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অবশ্যই কিয়ামতের দিবসে মানুষের মধ্যে (কঠিন শাস্তি ভোগকারী হবে ছবি তৈরিকারীরা। তবে আশাজ্জ (রহঃ)إِنَّ (অবশ্যই) শব্দটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৫৭, ইসলামিক সেন্টার)

151

(…/...) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব (রহঃ) ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন কিন্তু ইয়াহইয়া ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) আবূ মু'আবিয়াহ্ (রহঃ) এর সানাদে বর্ণিত রয়েছে, অবশ্যই কিয়ামতের দিবসে জাহান্নামবাসীদের কঠিনরূপে শাস্তি ভোগকারীদের মধ্যে থাকবে ছবি অঙ্কনকারীরা। আর সুফইয়ান (রহঃ) এর হাদীস বর্ণনাকারী ওয়াকি' (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসের অবিকল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৫৮, ইসলামিক সেন্টার)

152

অনুবাদ উপলব্ধ নেই

153

অনুবাদ উপলব্ধ নেই

154

অনুবাদ উপলব্ধ নেই

155

অনুবাদ উপলব্ধ নেই

156

অনুবাদ উপলব্ধ নেই

157

আবূ কামিল ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন জাহদারী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (রহমতের) ফেরেশতারা সে সফরকারী দলের সঙ্গে অবস্থান করেন না, যাতে কোন কুকুর বা ঘণ্টা থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৬৪, ইসলামিক সেন্টার)

158

(…/...) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ও কুতাইবাহ (রহঃ) ..... সুহায়ল (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৬৫, ইসলামিক সেন্টার)

159

ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঘণ্টা হলো শাইতানের বাঁশি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৬৬, ইসলামিক সেন্টার)

160

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আব্বাদ ইবনু তামীম (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, আবূ বাশীর আনসারী (রাযিঃ) তাকে বলেছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন এক সফরে তার সঙ্গী ছিলেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন ঘোষক প্রেরণ করলেন; আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর (রহঃ) বলেন, আমার ধারণা হয়, তিনি (আব্বাদ) বলেছেন, সে সময় দলের ব্যক্তিরা তাদের রাত কাটানোর জন্য শয্যায় (ঘুমিয়ে পড়ে) ছিল, ‘নিশ্চয়ই কোন উটের গলায়’ চামড়ার তারের মালা অথবা কোন মালা না থাকে; যদি অবশিষ্ট থাকে তবে কেটে ফেলা হবে। মালিক (রহঃ) বলেন, আমার বিশ্বাস, তা কুলক্ষণ হতে বাঁচার জন্য (লাগানো) হত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৬৭, ইসলামিক সেন্টার)

161

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (প্রাণীর) মুখে আঘাত করতে এবং মুখে সেক লাগতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৬৮, ইসলামিক সেন্টার)

162

(…/...) হারূন ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) এবং (অন্য সূত্রে) আবদ ইবনু হুমায়দ, ..... জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন, ..... (উপরোক্ত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৬৯, ইসলামিক সেন্টার)

163

সালামাহ্ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে দিয়ে একটি গাধা যাচ্ছিল, যার মুখে দাগ দেয়া হয়েছিল। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি একে দাগ লাগিয়েছে, আল্লাহ তাকে অভিসম্পাত করুন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৭০, ইসলামিক সেন্টার)

164

আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুখে দাগ বিশিষ্ট একটি গাধা দেখে তাতে বিরক্তিবোধ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি (ইবনু আব্বাস) বলেন, আল্লাহর শপথ আমি তার মুখের কিনারায় দাগ লাগাব। এরপর তিনি তার একটি গাধার উপর আদেশ জারি করলেন। অতঃপর তার দু' পাছায় দাগ দিয়ে দেয়া হলো। ফলে তিনিই হলেন পাছায় দাগ লাগানোর প্রথম ব্যক্তি (ও প্রবর্তক)* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৭১, ইসলামিক সেন্টার)

165

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (আমার মা) উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) যখন বাচ্চা প্রসব করলেন তখন আমাকে বললেন, হে আনাস! এ বাচ্চাটির প্রতি খেয়াল রেখ, সকাল বেলা তুমি যতক্ষণ তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে না যাবে এবং তিনি কিছু চিবিয়ে তার মুখে না দিবেন (ততক্ষণ পর্যন্ত একে কিছু খাওয়ানো হবে না)। বর্ণনাকারী আনাস (রাযিঃ) বলেন, আমি সকালে গেলাম এবং লক্ষ্য করলাম, তিনি (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি বাগানে আছেন এবং তার শরীরে একটি জাওয়ানিয়্যাহ কালো পশমী চাদর রয়েছে এবং তিনি যুদ্ধ হতে প্রাপ্ত (গনীমতের) উটগুলোতে চিহ্ন দিচ্ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৭২, ইসলামিক সেন্টার)

166

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... হিশাম ইবনু যায়দ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রাযিঃ) কে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, যখন তার মা সন্তান প্রসব করলেন, তখন তারা নবজাতককে নিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে গেলেন, তিনি খেজুর চিবিয়ে লালাযুক্ত খেজুর তার মুখে দেন। বর্ণনাকারী আনাস (রাযিঃ) বলেন, গিয়ে দেখলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি খোয়াড়ে বকরীর গায়ে দাগ লাগাচ্ছেন, (এ সানাদের অন্য বর্ণনাকারী) শু'বাহ (রহঃ) বলেন, আমার দৃঢ়প্রত্যয় এই যে, তিনি (হিশাম) বলেছেন, সেগুলোর কানো দাগ লাগাচ্ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৭৩, ইসলামিক সেন্টার)

167

অনুবাদ উপলব্ধ নেই

168

হারূন ইবনু মা’রূফ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে দাগযন্ত্ৰ’ দেখলাম এমতাবস্থায় যে, তিনি সদাকার উটে দাগ লাগাচ্ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৭৫, ইসলামিক সেন্টার)

169

যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাযা' (চুল কিছু ছেটে কিছু রাখা) নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকার (উমার ইবনু নাফি') বলেন, আমি নাফি' (রহঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, কাযা' কি? তিনি বললেন, শিশুর মাথার (চুল) কিছু কামানো এবং কিছু রেখে দেয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৭৬, ইসলামিক সেন্টার)

170

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) এবং (অন্য সানাদে) ইবনু নুমায়র (রহঃ) উভয়ে .... উবাইদুল্লাহ (রহঃ) থেকে উপরোক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু উসামাহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে তিনি কাযা’ শব্দের ব্যাখ্যাটিকে উবাইদুল্লাহ (রহঃ) এর কথা বলে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৭৭, ইসলামিক সেন্টার)

171

(…/...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ও উমাইয়াহ্ ইবনু বিসতাম (রহঃ) ..... উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে উপরোক্ত সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরা উভয়ে ব্যাখ্যাটিকে (মূল) হাদীসের সাথে যুক্ত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৭৮, ইসলামিক সেন্টার)

172

মুহাম্মাদ ইবনু রাফি, হাজ্জাজ ইবনু শা’ইর ও আবদ ইবনু হুমায়দ ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৭৯, ইসলামিক সেন্টার)

173

সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রাস্তায় বসা থেকে বেঁচে থাকো। তারা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! (পথের উপরে) আমাদের মাজলিস না করে উপায় নেই, তথায় বসে আমরা (দরকারী) আলোচনা করে থাকি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ নিতান্তই যদি তোমাদের তা করতেই হয়, তবে রাস্তার হক আদায় করবে। তারা বললেন, রাস্তায় হক কি? তিনি বললেন, দৃষ্টি নিচু করা, কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে ফেলা, সালামের উত্তর দেয়া এবং ভাল কাজের আদেশ দেয়া ও মন্দ কর্ম থেকে নিষেধ করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৮০, ইসলামিক সেন্টার)

174

(…/...) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু আসলাম (রহঃ) থেকে উপরোল্লিখিত সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৮১, ইসলামিক সেন্টার)

175

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার এক সদ্য বিবাহিতা মেয়ে হাম রোগে ভুগছে। এতে তার চুল ঝরে গেছে। আমি কি তাকে পরচুল লাগিয়ে দিব? তখন তিনি বললেন, পরচুল সংযোজনকারিণী ও সংযোজন প্রার্থিনীদের (মহিলাদের) আল্লাহ তা'আলা অভিসম্পাত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৮২, ইসলামিক সেন্টার)

176

(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ইবনু নুমায়র আবূ কুরায়ব ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ...... হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে আবূ মু'আবিয়াহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া রাবী ওয়াকী (রহঃ) ও রাবী শু'বাহ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে تَمَرَّقَ শব্দের স্থলে تَمَرَّطَ শব্দ আছে। (উভয় শব্দের অর্থ চুল ঝরে গেছে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৮৩, ইসলামিক সেন্টার)

177

আহমাদ ইবনু সাঈদ দারিমী (রহঃ) ..... আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, একজন মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে এসে বললেন, আমার মেয়েকে আমি বিবাহ দিয়েছি, এখন (রোগগ্রস্ত হয়ে) তার মাথার চুল ঝরে গেছে, আর তার স্বামী তাকে (যথাশীঘ্রই কাছে পাওয়া) পছন্দ করে। হে আল্লাহর রসূল! আমি কি পরচুল সংযোজন করে দিব? তিনি তাকে নিষেধ করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৮৪, ইসলামিক সেন্টার)

178

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, এক আনসারী মেয়ে বিয়ে করলেন। আর সে রোগগ্রস্ত হলে তার চুল ঝরে গেল। তার পরিবারের লোকজন তাকে পরচুল লাগিয়ে দেয়ার ইচ্ছা করল। অতঃপর তারা এ বিষয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রশ্ন করল। তিনি তখন পরচুল সংযোজনকারিণী ও সংযোজন প্রার্থিনী মহিলাকে অভিসম্পাত করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৮৫, ইসলামিক সেন্টার)

179

অনুবাদ উপলব্ধ নেই

180

অনুবাদ উপলব্ধ নেই

181

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ও উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মানুষের শরীরে চিত্র অঙ্কনকারিণী ও চিত্র অঙ্কন প্রার্থিনী মহিলা, কপালে ভ্রুর চুল উৎপাটনকারিণী ও উৎপাটন প্রার্থনী এবং সৌন্দর্য সুষমা বাড়ানোর জন্যে দাঁতের মাঝে (সুদৃশ্য) ফাঁক সুষমা তৈরিকারিণী- যারা আল্লাহর সৃজনে বিকৃতি সাধনকারিণী- এদের আল্লাহ তা'আলা অভিশাপ করেন। বর্ণনাকারী বললেন, বানী আসাদ গোত্রের এক মহিলার কাছে হাদীসটি পৌছল যাকে উম্মু ইয়াকুব নামে ডাকা হয়। তিনি কুরআন পাঠ করছিলেন। অতঃপর তিনি তার নিকট এসে বললেন, সে হাদীসটি কি ধরনের, যা আপনার পক্ষ থেকে আমার নিকট পৌছেছে যে, অবশ্য আপনি মানুষের শরীরে চিত্র অঙ্কনকারিণী ও অঙ্কন প্রাথিনী মহিলা ও ভুরুর পশম উৎপাটনকারিণী নারী এবং সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্যে দাঁতের মাঝে দর্শনীয় ফাকে সুষমা তৈরিকারিণীদের- যারা আল্লাহর সৃষ্টিতে পরিবর্তন সাধনকারিণী- এদের অভিশাপ করেছেন আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বললেন, আমার পক্ষে কি যুক্তি থাকতে পারে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাদের অভিশাপ দিয়েছেন, আমি সে ব্যক্তিদের অভিশাপ দিব না? অথচ তা আল্লাহর কিতাবে রয়েছে। অতঃপর মহিলা বললেন, মাসহাফের (আল-কুরআন)-এর দু' বাঁধাই কাগজের মধ্যবর্তী (আদ্যোপান্ত) সবটুকু আমি পড়েছি, তাতে আমি কোথাও কিছু পাইনি। অতঃপর তিনি বললেন, তুমি যদি (গভীর অভিনিবেশ সহকারে) তা পড়তে, তাহলে অবশ্যই তুমি তা পেতে। মহান আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, ‏(‏ وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا‏)‏ "আর রসূল তোমাদের নিকট যা কিছু নিয়ে আসছেন তা ধরে রাখো এবং তিনি যা হতে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন, তা থেকে দূরে থাকো"- (সূরা আল হাশর ৫৯ঃ ৭)। মহিলাটি বললেন, আমি নিশ্চিত যে, আপনার স্ত্রীর মধ্যে এর কোন বিষয় এখন গিয়ে দেখতে পাব। তিনি বললেন, তুমি যাও, দেখো আছে কিনা। বর্ণনাকারী বললেন, এরপর মহিলা আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর স্ত্রীর নিকট গেলেন, তবে কিছুই দেখতে পাননি। তারপর তিনি তার নিকটে ফিরে এসে বললেন, কিছুই দেখতে পেলাম না। বর্ণনাকারী বললেন, শোনা যদি সে রকম হতো তাহলে আমরা সহবাস করতাম না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৮৮, ইসলামিক সেন্টার)

182

(…/...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... মানসূর (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সানাদে জারির (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া বর্ণনাকারী সুফইয়ান (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে "মানুষের শরীরে চিত্র অঙ্কনকারিণী ও অঙ্কন প্রার্থিনী" কথাটি রয়েছে এবং বর্ণনাকারী মুফাযযাল (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে “মানুষের শরীরে অংকনকারিণী ও অংকনকৃত মহিলারা” এ কথাটি রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৮৯, ইসলামিক সেন্টার)

183

(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... মানসূর (রহঃ) সানাদে উপরোক্ত হাদীসটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তবে তা উম্মু ইয়া’কুব প্রসঙ্গে সব ঘটনা থেকে ভিন্ন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৯০, ইসলামিক সেন্টার)

184

(…) শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে (উপরোক্ত) ওদের হাদীসের হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৯১, ইসলামিক সেন্টার)

185

হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও আবূ যুবায়র (রহঃ) ...... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। যে মহিলা তার মাথায় কোন কিছু সংমিশ্রণ করে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ধমক দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৯২, ইসলামিক সেন্টার)

186

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাযিঃ) ..... মু'আবিয়াহ ইবনু আবূ সুফইয়ান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি মিম্বারে দাঁড়িয়ে (বক্তৃতা দেয়ার সময়) একটি (নকল) চুলের খোপা হাতে নিয়ে, যা একজন দেহরক্ষীর হাতে ছিল, বলেছিলেন, হে মাদীনাবাসী! তোমাদের আলিমগণ কোথায়? আমি শুনেছি, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন বস্তু হতে নিষেধ করেছেন এবং তিনি বলেছেন বনী ইসরাঈল ঐ সময় ধ্বংস হয়েছে, যখন তাদের স্ত্রীলোকেরা এসব ধারণ করেছে (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৯৩, ইসলামিক সেন্টার)

187

(…/...) ইবনু আবূ উমার, হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে মালিক (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া বর্ণনাকারী মা'মার (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, "বনী ইসরাঈল সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৯৪, ইসলামিক সেন্টার)

188

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মু'আবিয়াহ্ (রাযিঃ) যখন মাদীনায় আসলেন। তখন তিনি আমাদের সামনে খুতবাহ দেয়ার সময় চুলের একটি খোপা বের করে বললেন, আমি জানতাম না যে, ইয়াহুদী ব্যতীত ভিন্ন কেউ এ কর্ম করে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এটি পৌছলে তিনি এটাকে মিথ্যা (প্রতারণা) নামে আখ্যায়িত করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৯৫, ইসলামিক সেন্টার)

189

আবূ গাসসান মিসমাঈ ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, মু'আবিয়াহ (রাযিঃ) (একদিন) বললেন, তোমরা একটি নিকৃষ্ট বেশভুশা তৈরি করেছ। অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিথ্যা বলতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, সে সময় একজন লোক একটি লাঠি নিয়ে আসলো যার মাথায় একটি (কৃত্রিম চুলের) খোপা ছিল। মু'আবিয়াহ (রাযিঃ) বললেন, দেখো! এটাই মিথ্যা ও অলীক। বর্ণনাকারী কাতাদাহ্ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ- মেয়েরা তাদের চুলের পরিমাণ যেসব গোছা দিয়ে বাড়িয়ে দেখায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৯৬, ইসলামিক সেন্টার)

190

যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জাহান্নামবাসী দু' প্রকার মানুষ, আমি যাদের (এ পর্যন্ত) দেখিনি। একদল মানুষ, যাদের সঙ্গে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে, তা দ্বারা তারা লোকজনকে মারবে এবং এক দল স্ত্রী লোক, যারা কাপড় পরিহিত উলঙ্গ, যারা অন্যদের আকর্ষণকারিণী ও আকৃষ্টা, তাদের মাথার চুলের অবস্থা উটের হেলে পড়া কুঁজের মতো। ওরা জান্নাতে যেতে পারবে না, এমনকি তার সুগন্ধিও পাবে না অথচ এত এত দূর হতে তার সুঘ্ৰাণ পাওয়া যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৯৭, ইসলামিক সেন্টার)

191

মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, একটি মহিলা (এসে) বলেছে, হে আল্লাহর রসূল! আমার স্বামী আমাকে যা দেয়নি, আমি বলি যে, সে আমাকে তা (জিনিস) দিয়েছে। (এমন করা কেমন)? অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যা দেয়া হয়নি তা নিয়ে আত্মতৃপ্তি প্রকাশকারী দু'খানি মিথ্যা কাপড় পরিধানকারীর মতই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৯৮, ইসলামিক সেন্টার)

192

মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রাযিঃ) ..... আসমা (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, একজন মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, আমার একজন সতীন আছে। আমার স্বামী যে মালপত্র আমাকে দেননি, তা দিয়ে আত্মতৃপ্তি প্রকাশ করলে আমার উপর কোন গুনাহ হবে কি? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যা দেয়া হয়নি, তাতে আত্মতৃপ্তি প্রকাশকারী দু'খানি মিথ্যা বস্ত্র পরিধানকারীর মতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৩৯৯, ইসলামিক সেন্টার)

193

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) সানাদে উপরোল্লিখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪০০, ইসলামিক সেন্টার)