20 - মক্কা ও মদীনার মসজিদে সালাতের ফযীলত
কায‘আ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.)-কে চারটি (বিষয়) বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি। আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে বারোটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। (৫৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, মাসজিদুল হারাম, মাসজিদুর রাসূল এবং মাসজিদুল আকসা (বায়তুল মাক্দিস) তিনটি মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদে (সালাতের) উদ্দেশে হাওদা বাঁধা যাবে না (অর্থাৎ সফর করা যাবে না)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১১-১১১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১১৬ শেষাংশ)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাসজিদুল হারাম ব্যতীত আমার এ মসজিদে সালাত আদায় করা অপরাপর মসজিদে এক হাজার সালাতের চেয়ে উত্তম। (মুসলিম ১৫/৯৩, হাঃ ১৩৯৪, আহমাদ ৭৭৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
নাফি‘ (রহ.) বলেন, তিনি (ইবনু ‘উমার (রাযি.) তাঁকে আরো বলতেন, আমি আমার সাথীদেরকে যেমন করতে দেখেছি তেমন করব। আর কাউকে আমি দিন রাতের কোন সময়ই সালাত আদায় করতে বাধা দিইনা, তবে তাঁরা যেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় (সালাতের) ইচ্ছা না করে। (৫৮২; মুসলিম ১৫/৯৭, হাঃ ১৩৯৯, আহমাদ ৪৪৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৪ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১১৮ শেষাংশ)
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি শনিবার কুবা মসজিদে আসতেন, কখনো পদব্রজে, কখনো সওয়ারীতে। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.)-ও ঐরূপ করতেন। (১১৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরোহণ করে কিংবা পায়ে হেঁটে কুবা মসজিদে আসতেন। ইবনু নুমায়র (রহ.) নাফি‘ (রহ.) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। (১১৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ-মাযিনী (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বার-এর মধ্যবর্তী স্থানটুকু জান্নাতের বাগানগুলোর একটি বাগান। (মুসলিম ১৫/৯২, হাঃ ১৩৯০, আহমাদ ১৬৪৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগানগুলোর একটি বাগান আর আমার মিম্বর অবস্থিত আমার হাউয (কাউসার)-এর উপরে। (১৮৮৮, ৬৫৮৮, ৭৩৩৫; মুসলিম ১৫/৯২, হাঃ ১৩৯১, আহমাদ ৭২২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
যিয়াদের আযাদকৃত দাস কাযা‘আহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে চারটি বিষয় বর্ণনা করতে শুনেছি, যা আমাকে আনন্দিত ও মুগ্ধ করেছে। তিনি বলেছেনঃ নারীগণ স্বামী কিংবা মাহরাম ব্যতীত দু’দিনের দূরত্বের পথে সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আযহার দিনগুলোতে সিয়াম নেই। দু’ (ফরয) সালাতের পর কোন (নফল ও সুন্নাত) সালাত নেই। ফাযরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত এবং ‘আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত। এবং ১. মাসজিদুল হারাম, ২. মাসজিদুল আকসা এবং ৩. আমার মাসজিদ ছাড়া অন্য কোন মসজিদে (যিয়ারাতের উদ্দেশে) হাওদা বাঁধা যাবে না। (সফর করা যাবে না)। (৫৮৬; মুসলিম ৬/৫১, হাঃ ৮২৭, আহমাদ ১১০৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)